Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্প

চতুর্থ অর্থ ছাড়ে অনুমতি লাগবে না অর্থ মন্ত্রণালয়ের

চতুর্থ অর্থ ছাড়ে অনুমতি লাগবে না অর্থ মন্ত্রণালয়ের
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্পের চতুর্থ অর্থ ছাড়ের জন্য এখন থেকে আর অর্থ বিভাগের অনুমতি প্রয়োজন পড়বে না। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা এই অর্থ ছাড় করতে পারবেন।

সরকারের অর্থের দক্ষ ব্যবস্থাপনা, ঋণের স্থিতি ও সুদের হার ঠিক রাখা, আর তারল্য প্রবাহের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে অর্থ মন্ত্রণালয় এ ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে এতে অর্থের অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ সংক্রান্ত এক সারমর্মে স্বাক্ষর করেছেন। গত এপ্রিল মাসে এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের চতুর্থ অর্থ ছাড়ের জন্য আর অর্থ বিভাগের অনুমতি প্রয়োজন পড়বে না। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা এই অর্থ ছাড় করাতে পারবেন।

জানা গেছে, কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড় করা হয় চার কিস্তিতে। যার জন্য অর্থ বিভাগ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক বিভাগের অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রকল্প ব্যয়ের ক্ষেত্রে অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কিন্তু কাজে গতি আনার জন্য চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি)। আর তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় করতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক বিভাগের অনুমোদন নেয়ার প্রয়োজন হতো।

কিন্তু এরপর পিডিরা অভিযোগ করেন, প্রকল্পের কাজে ধীরগতি কাটছে না এবং টাকা ছাড়ের ক্ষেত্রে তাদের নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে অর্থ বিভাগ গত এপ্রিল মাস থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রকল্পের চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে এক সার্কুলার জারি করে।

আপনার মতামত লিখুন :

চামড়া খাতের শেয়ারের দাম অর্ধেক কমেছে

চামড়া খাতের শেয়ারের দাম অর্ধেক কমেছে
চামড়ার কারণে দাম কমেছে শেয়ারের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কোরবানি ঈদ পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে উত্থান হয়েছে। তবে চামড়া খাতের ৫০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকার অভাবে ট্যানারি মালিকরা কোরবানির কাঁচা চামড়া কিনছেন না। এমন খবরে এই খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তাই দামও কমেছে।

অথচ কোম্পানিগুলো সর্বশেষ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের ভাল লভ্যাংশ দিয়েছে। কোম্পানিগুলো ঋণগ্রস্তও নয়। তারপরও কেবল টাকার অভাবে কাঁচা চামড়া কিনতে পারছে না। এমন খবরের ফলে পুরো সেক্টরের কোম্পানিগুলোতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত ট্যানারি খাতে পুঁজিবাজারে মোট ৬টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রোববার (১৮ আগস্ট) তিন কোম্পানির শেয়ারের দাম শেয়ার প্রতি ৮০ পয়সা থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এগুলো হচ্ছে এপেক্স ট্যানারি, লিগেসি ফুড এবং সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড।

এর মধ্যে কোনো ব্যাংকে ঋণ না থাকা সমতা লেদারের প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ২ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভ রয়েছে ২ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার টাকার বেশি। তারপরও কেবল কাঁচা চামড়ার দাম কমায় একদিনে শেয়ারটি দাম ২ টাকা কমে ৭১ দশমিক ১০ টাকায় সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে।

একইভাবে রোববার লিগেসি ফুডের শেয়ারের দাম কমেছে ৮০ পয়সা। এই শেয়ারটি রোববার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ১২৬ টাকায়। কোম্পানিটির ২১ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ থাকলেও পৌনে ৭ কোটি টাকার রিজার্ভ রয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের সর্বশেষ অর্থবছরে ভাল লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও এপেক্স ট্যানারি খাতের শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৯০ টাকা কমে রোববার সর্বশেষ বিক্রি হয়েছে ১৩৪ টাকা ১০ পয়সায়। ১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির ১৭ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে। তারপরও শেয়ারগুলোর দাম কমেছে।

অন্যদিকে, সরাসরি কাঁচা চামড়া না কেনা কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়েছে। এগুলো হচ্ছে-এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, বাটাসু লিমিটেড এবং ফরচুন সু লিমিটেড। বর্তমানে শতাধিক কোম্পানি রয়েছে।

উল্লেখ্য, কোরবানির ঈদের দিন থেকে ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের সিন্ডিকেটের ফলে পানির দামে বিক্রি হয়েছে কাঁচা চামড়া। আড়তদাররা বলছেন, তাদের কাছে নগদ টাকা নেই। ফলে চামড়া কিনতে পারছেন না। চামড়ার নিয়ে বিপাকে পড়েছে দেশের এতিম, মিসকিন, মাদরাসাগুলোর কাঁচা চামড়া মালিকরা।

ডিএসইতে প্রধান সূচক বেড়েছে ১৫ পয়েন্ট, সিএসইতে ৩৫

ডিএসইতে প্রধান সূচক বেড়েছে ১৫ পয়েন্ট, সিএসইতে ৩৫
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

টানা নয়দিন বন্ধ থাকার পর দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে লেনদেন কার্যক্রম। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৩৫ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪১০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৫ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ৮১ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

আরও পড়ুন: ডিএসইতে প্রধান সূচক বেড়েছে ২৬, সিএসইতে ৫০ পয়েন্ট

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৬ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১১ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা সোয়া ১১টায় সূচক ৭ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর সূচক কমতে থাকে। দুপুর ১২টায় সূচক আগের কার্যদিবসে অবস্থান করে। দুপুর ১টায় সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে। দুপুর ২টায় সূচক ৯ পয়েন্ট বাড়ে এবং দুপুর আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২১৬ পয়েন্টেই অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৭ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

আরও পড়ুন: ঈদের আগে শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির, কমেছে ১২৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

রোববার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেপিসিএল, জেএমআই সিরিঞ্জ, ইউনাইটেড পাওয়ার, বিকন ফার্মা, মুন্নু সিরামিকস, কপার টেক, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, ডোরিন পাওয়ার, ফরচুন সু এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৬৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ৬১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪০ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৯৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- এসিআই ফর্মুলা, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, বিডি ওয়েল্ডিং, রংপুর ফাউন্ড্রি, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এসইএমএল এফবিএসএলজিএফ, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, এলআরজি গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং এসইএমএল এলইসিএ মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র