Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশি নারী উদ্যোক্তাদের 'উইমেন বিজনেস ওনারস' প্রশিক্ষণ দেবে দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক। এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করার জন্য নারী উদ্যোক্তাদের আমন্ত্রণ ব্যাংক কর্তৃক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ব্যবসন কলেজের ম্নগে সম্মিলিতভাবে একটি নির্দিষ্ট নারী উদ্যোক্তা গ্রুপের জন্য চার দিনব্যাপী ট্রেনিং আয়োজন করবে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যবসন কলেজ আমেরিকার অন্যতম এন্টারপ্রেনরশিপ কলেজ এবং এফএমও, একটি ডাচ ফিন্যান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম যা ব্যবসায় ও বিভিন্ন প্রজেক্টে অর্থায়ন করে থাকে। ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফিস আনিক টাওয়ারে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সময়সূচি:
৩ ও ৪ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা, ৮ ও ৯ জুলাই ২০১৯- সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা

প্রোগ্রামটি সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং সেগমেন্টের প্রধান মেহরুবা রেজা বলেন, 'ট্রেনিংয়ের উদ্দেশ্য হলো নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান ও দক্ষতার বিকাশ। এর ফলে তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রমকে তারা আরও উন্নত করতে পারবে।'

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন ব্যবসন কলেজের ফিন্যান্স বিভাগের প্রফেসর ও ন্যাশনাল একাডেমিক ডিরেক্টর- ১০,০০০ স্মল বিজনেস রিচার্ড টি ব্লিস, পিএইচডি এবং ব্যবসন কলেজের একাডেমিক ডিরেক্টর প্রফেসর প্যাট্রিসিয়া জি. গ্রিন।

কমপক্ষে দুই বছরের ব্যবসায়ীক দক্ষতাসম্পন্ন আগ্রহী নারীরা এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

অনুষ্ঠান সমাপনীর দিন অংশগ্রহণকারীদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। সার্টিফিকেট প্রদান করবেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ কেসিএমজি, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিইও সেলিম আর. এফ. হোসেন, এফএমও ও ব্যবসন কলেজের সিনিয়র প্রতিনিধিবৃন্দ সমাপনী দিনে সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

আপনার আবেদন পাঠাতে ভিজিট করুন https://www.bracbank.com/tara/। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আবেদন পাঠানোর শেষ তারিখ ১০ই জুন।

আপনার মতামত লিখুন :

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী
ব্যবসা সম্মেলনে বক্তব্য দেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেছেন, ‘দেশের বিনিয়োগে অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকায় প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত জেএইচএম গ্রুপের ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এসব একথা বলেন।

সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পখাতের বিকাশে বেসরকারি উদ্যোগে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে শিল্প মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। দেশে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে ঢাকায় একটি শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের জেএইচএম গ্রুপ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন নতুন ভারী ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জেএইচএম গ্রুপের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বিপ্লব এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্প প্রতিমন্ত্রী জেএইচএম গ্রুপের শ্রেষ্ঠ ডিলারদের পুরস্কার প্রদান করেন।

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা তাহেরা বেগম একজন গৃহকর্মী। স্বামী সাজিম উদ্দিন রিকশা চালক। তিনি পপুলার লা্ইফ ইন্স্যুরেন্সে ২০১৩ সালে ‘একক বিমা’ করেন। টানা তিনটি কিস্তিও দিয়েছেন। কিন্তু এরপর এজেন্ট আর খোঁজ খবর নেয়নি। একবছর পর সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করলে তারা জানান, নতুন করে পলিসি করতে হবে। আগের পিলিসির মেয়াদ শেষ।

একই কথা বলেছেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পলিসি হোল্ডার রূপা সাহা। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘২০০৯ সালে আমি চট্টগ্রাম শাখায় বিমা করেছিলাম। আড়াই বছর পলিসির টাকা কিস্তি পরিশোধও করি। কিন্তু এরপর এজেন্ট কিস্তি নিতে না আসায় আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১৫ সালে বকেয়া কিস্তি পরিশোধ করতে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন নিয়ম কানুন দেখিয়ে নতুন করে পলিসি করতে বলে।’

গত এক বছরে এভাবেই নতুন সাড়ে চার লাখ পলিসির টাকা দেশের ৩২টি জীবন বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে। গ্রাহকদের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাড়ি-গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে লুটে নিচ্ছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপকক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইডিআরএ’র তথ্য মতে, ২০১৭ সালে সরকারি-বেসরকারি ৩২ বিমা কোম্পানির পলিসির সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৪২টিতে। ফলে এক বছরে নতুন পলিসির সংখ্যা বেড়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫টি। টাকার অংকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

অবাক করার বিষয় হলো, গত এক বছরে বিমা কোম্পানিগুলোতে নতুন পলিসি ইস্যু বেড়েছে মাত্র ৭ হাজার। ২০১৭ সালে পলিসির সংখ্য ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭টিতে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানিরগুলো নতুন করে পলিসি করতে আগ্রহী নয় বরং গ্রাহকদের অর্থ লুপাটের নেশায় নিমজ্জিত।

এদিকে বিমা কোম্পানির এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত হতাশাব্যাঞ্জক’ বলে মনে করে আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এক প্রতিবেদেনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশিরভাগ পলিসিরই প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম দেওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে তামাদি হয়ে যাচ্ছে। প্রথম পলিসি নেওয়ার পর এজেন্টরা আর গ্রাহকদের কাছে যাচ্ছেন না। তারা প্রথম বর্ষের কমিশন নিয়েই নতুন পলিসি খুঁজছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পলিসি হারিয়ে গেলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে এজেন্টদের তদারকি করা হচ্ছে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর পলিসিগুলো তামাদি হয়ে যাচ্ছে। তাতে বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আইডিআরএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদায়ী বছরের তামাদি বিমার শীর্ষে রয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দ্বিতীয় স্থানে প্রাইম ইসলামী লাইফ, তৃতীয় স্থানে মেটলাইফ ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে- হোমল্যান্ড লাইফ, রুপালী লাইফ, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, পপুলার লাইফ, সন্ধানী লাইফ, পদ্মা ইসলামী লাইফ, সানফ্লাওয়ার, ডেল্টা লাইফ, প্রগতি লাইফ, মেঘনা লাইফ, সানলাইফ, জেনিথ ইসলামী লাইফ, ডায়মন্ড লাইফ, প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ, বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ, এনআরবি গ্লোবাল, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ, যমুনা লাইফ, আলফা ইসলামী লাইফ, বেস্ট লাইফ, সোনালী লাইফ, স্বদেশ লাইফ, গার্ডিয়ান লাইফ এবং চ্যাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

সার্বিক বিষয়ে আইডিআরএ নির্বাহী পরিচালক খলিল আহেমেদ বার্তাটোয়েন্টফোর.কম-কে বলেন, ‘বিমার ওপর সাধারণ মানুষের অস্থা নেই। তাই কোম্পানির তামাদি পলিসি সংখ্যা বাড়ছে। বিমা সেক্টরকে আস্থায় ফেরাতে তামাদি পলিসির সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এটি নিয়ে কাজ করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র