Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ওয়ালটন ফ্রিজে মাশরাফির অটোগ্রাফযুক্ত গোল্ড এডিশন ব্যাট-বল!

ওয়ালটন ফ্রিজে মাশরাফির অটোগ্রাফযুক্ত গোল্ড এডিশন ব্যাট-বল!
মাশরাফির সঙ্গে ওয়ালটনের চুক্তি সই, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে ফ্রিজের ক্রেতাদের নানা সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। যেকোনো মডেলের ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর এবং ফ্রিজার কিনলে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা স্বাক্ষরিত গোল্ড এডিশন প্রতীকী ব্যাট-বল এবং ক্রিকেট ব্যাট পাওয়ার সুযোগ। আছে হাজার হাজার টিভিসহ বিভিন্ন পণ্য ফ্রি এবং কোটি কোটি টাকার ক্যাশ ভাউচার।

ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ জুন থেকে শুরু হওয়া এ সুবিধা থাকবে পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে। এ সময় যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশ শোরুম এবং ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে রেজিস্ট্রেশন করে ক্রেতারা উক্ত সুবিধা পেতে পারেন।

ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ও রেফ্রিজারেটর বিভাগের সিইও গোলাম মুর্শেদ জানান, বিশ্বকাপের ঠিক আগে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এর ফলে আগামী দুই বছর বাংলাদেশি মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ড ওয়ালটনের বিভিন্ন প্রমোশনে অংশ নেবেন জনপ্রিয় এই ক্রিকেট অলরাউন্ডার। এরই ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ফোরে ক্রেতাদের জন্য মাশরাফির অটোগ্রাফযুক্ত গোল্ড এডিশন ব্যাট-বল কিংবা ক্রিকেট ব্যাট পাওয়ার সুযোগ রেখেছে ওয়ালটন।

Sign of Mashrafi
মাশরাফি বিন মুর্তজার অটোগ্রাফ সহ গোল্ড এডিশন ব্যাট-বল

 

তিনি বলেন, আয়ারল্যান্ডে সদ্যসমাপ্ত ওয়ালটন ট্রাই-নেশন সিরিজ জিতে দারুণ ফর্মে আছে মাশরাফি-তামিম-সাকিব-মুশফিকরা। বিশ্বকাপের মাঝেই পড়েছে ঈদ। এই দুই বড় ইভেন্টকে উপলক্ষ করে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রেতাদের মাশরাফি স্বাক্ষরিত ব্যাট-বল এবং ক্রিকেট ব্যাট দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, আমাদের এই উদ্যোগ ক্রেতাদের বিশ্বকাপ এবং ঈদের আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে।

ওয়ালটন ফ্রিজের প্রোডাক্ট ম্যানেজার শহীদুজ্জামান রানা জানান, ২০১৯ সালে ২০ লাখ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘১৯ এ ২০’। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে গ্রাহকদের জন্য ওয়ালটন বাজারে ছেড়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব এবং সৃজনশীল ডিজাইনের শতাধিক মডেলের ফ্রিজ। এর মধ্যে রয়েছে ১০১ মডেলের ফ্রস্ট ও ২০ মডেলের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, ১৬ মডেলের ফ্রিজার এবং দুই মডেলের বেভারেজ কুলার।

ওয়ালটন ফ্রস্ট ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে চোখ ধাঁধানো ডিজাইনের ৩৪ মডেলের গ্লাস ডোর, ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির চার মডেলসহ বিএসটিআই -এর ‘ফাইভ স্টার’ এনার্জি রেটিং প্রাপ্ত তিন মডেলের ফ্রিজ। গ্লাস ডোরে ২১টিসহ মোট ৩৮টি নতুন মডেলের ফ্রস্ট ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসর সমৃদ্ধ গ্লাস ডোরের ৩৮০ লিটারের তিনটি নতুন মডেল। এসব ফ্রিজ স্ট্যাবিলাইজার ছাড়াই নিশ্চিন্তে চলবে।

Sign of Mashrafi
মাশরাফির নিজ হাতে লেখা শুভেচ্ছা

 

এদিকে ওয়ালটন বাজারে ছেড়েছে ছয়টি নতুন মডেল নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ। এর মধ্যে ইনভার্টার ও গ্লাস ডোরের ৫৬৩ লিটারের সাইড বাই সাইড ডোরের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত করে ওয়ালটন প্রতিটি ফ্রিজ বাজারে ছাড়ছে। ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার, ন্যানো হেলথ কেয়ার ও এন্টি ফাংগাল ডোর গ্যাসকেট প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ওয়ালটন। সম্প্রতি ফ্রিজ কম্প্রেসরের গ্যারান্টি সুবিধা আরো দুই বছর বাড়িয়ে ১২ বছরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ওয়ালটন ফ্রিজে রয়েছে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সুবিধাসহ দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা।

উল্লেখ্য, এর আগে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ক্রেতারা নতুন গাড়ি, আমেরিকা ও রাশিয়া ভ্রমণের ফ্রি বিমান টিকিট ছাড়াও কোটি কোটি টাকার ক্যাশ ভাউচার, মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ বিভিন্ন ওয়ালটন পণ্য পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৫ আগস্ট) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে এদিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩৬ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বড়ে এবং বেলা পৌনে একটায় সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৫ পয়েন্টে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, সিলকো ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার, মুন্নু সিরামিকস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, সায়হাম কটন এবং জেএমআই সিরিঞ্জ।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৪১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৬৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৯ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৭২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- কেডিএল অ্যাকসেসরিজ, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, সিলকো ফার্মা, কেবিপিপি, ইউনাইটেড পাওয়ার, প্রগতী লাইফ ইনস্যুরেন্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স এবং ফাস ফাইন্যান্স।

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা
রিং সাইন টেক্সটাইল, ছবি: সংগৃহীত

বস্ত্র খাতের রিং সাইন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা। অনুমোদিত মূলধন লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি মাত্রা অতিরিক্ত প্লেসমেন্ট থাকায় কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের কাছে গত ২২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। একই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগ, ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে।

৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে উল্লেখ করে সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রসপেক্টাস অনুসারে ২০১৩ সালে রিং সাইনের মূলধন ছিল ১৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা। এরপর প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে ১৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। এখন আবারও নতুন করে আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো কোম্পানিটি।’

‘বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন হলো- ১৩৭ কোটি টাকা দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া কোম্পানির প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার পর ১৫০ কোটি টাকাসহ মোট ২৯৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার উত্তোলনের অনুমোদন পেল কিভাবে?’

‘অন্যান্য কোম্পানির মতোই যদি এই প্লেসমেন্ট শেয়ার তারা ৩০-৪০ টাকা করে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় তাহলে মার্কেট থেকে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা উধাও হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন: রিং সাইনের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ আগস্ট

‘পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে নতুন করে বিশাল এই অর্থ ইস্যুয়ার কোম্পানির পকেটে চলে গেলে এই টাকা কখনো আর বাজারে আসবে না। কোম্পানির প্রসপেক্টাসের ৩১৭ পৃষ্ঠায় (কম্পারিজন রেশিও উইথ দ্যা ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ অফ দ্যা সেইম পিরিয়ড) কোম্পানি নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে, তাদের বর্তমান অবস্থার অনেক কিছুই ‘ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ’ থেকে অনেক কম।’

‘এখন পুঁজিবাজারে দুর্দশা চলছে। বিশেষ করে টেক্সটাইলের অবস্থা সবচাইতে করুণ। এই দুর্দশার মধ্যে কীভাবে কোম্পানিটি শুধু আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেল।’

‘এর আগের আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা অ্যাপোলো ইস্পাত, ফ্যামিলি টেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, সিএন টেক্স, রিজেন্ট টেক্স, তুংহাই নিটিংসহ অনেক অনেক কোম্পানির দুর্নীতির কথা সকলের জানা। এই কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করার পর অ্যাপোলো ইস্পাতের ফ্যামিলি টেক্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের মতোই অবস্থা হবে না তার কোনো গ্যারান্টি নেই।’

‘সুতরাং বিষয়গুলো বিবেচনা করে রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিওর অনুমোদন বাতিল করা হোক। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বর্তমান কমিশন যতো আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে তার বেশিরভাগই খারাপ কোম্পানি। এই রিং সাইন কোম্পানির অবস্থাও খারাপ, ভুয়া প্রসপেক্টাস তৈরি করে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন বাতিল চাই।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিয়ম মেনেই আইপিওর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক কারণ হলে প্রয়োজনে বাতিল করা হবে।’

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১০ টাকা দামের ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে আইপিওর আবেদনের সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে। চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচ বাবদ ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

অনুমোদিত ৪৪০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য চলতি বছরের ১২ মার্চ কমিশন অনুমোদন দেয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র