Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বোনাসে এগিয়ে, বেতন পাননি অনেক পোশাক শ্রমিক

বোনাসে এগিয়ে, বেতন পাননি অনেক পোশাক শ্রমিক
কাজ শেষে কারখানা থেকে ঘরে ফিরছেন পোশাক শ্রমিকরা, পুরনো ছবি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রমজানের ঈদ কড়া নাড়ছে। এখনো সব গার্মেন্টস শ্রমিক বেতন পাননি। তবে বোনাস পেয়েছেন বেশির ভাগ শ্রমিক। তৈরি পোশাক কারখানা মালিকাদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তৌহিদুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঈদ উপলক্ষে শনিবার (১ জুন) বাদে রোববার (২ জুন) সব গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাবে। অথচ এখনো ৪০ শতাংশ কারাখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয়নি। এসব কারখানার মালিকদের কেউ কেউ অর্ধেক বেতন দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, ঈদের ছুটি কাটিয়ে আসার পরপরই বেতন দিয়ে দেওয়া হবে।

তবে বেশির ভাগ মালিক বোনাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ মান্নান কচি। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৯০ শতাংশ কারখানায় বোনাস দেওয়া হয়েছে। তবে সেই অনুসারে বেতন দেওয়া হয়নি। এখনো বেশ কিছু কারখানায় বেতন দেওয়া বাকি রয়েছে।

বিজিএমইর সভাপতি ড. রুবানা হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, রোববারের মধ্যে আশা করি সব কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করবে। তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেসব কারখানার মালিকের বেতন পরিশোধ করা সক্ষমতা নেই, তারা মেশিনারিজ বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। বেতন-বোনাসের বাইরে কেউ থাকবে না।

সরকার ও গার্মেন্টস মালিকরা বসে গত ২৩ মে সিদ্ধান্ত নেন যে, ৩০ মের মধ্যে বিজিএমএ’র সব কারখানার শ্রমিকদের বোনাস দেওয়া হবে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের তথ্য মতে, গত ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ কারখানা মালিক তাদের শ্রমিকদের বোনাস দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বোনাস ও বেতন দিয়েছে আশুলিয়া এলাকার কারখানাগুলো। আর সবচেয়ে কম দিয়েছে মহাখালী, মালিবাগ, মৌচাক এলাকার কারখানাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

সোনা বৈধ বাবদ মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার কর আদায়

সোনা বৈধ বাবদ মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার কর আদায়
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তা২৪.কম

 

দেশে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ ঢাকা বিভাগে অবৈধ রুপা, সোনা এবং ডায়মন্ড বৈধ করতে ১৭৫ কোটি টাকার কর দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তবে কত কোটি টাকার সোনা, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করা হয়েছে তার দেননি তিনি।

তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

দিলীপ কুমার আগারওয়াল বলেন, স্বর্ণ মেলায় এখন ( সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা ) পর্যন্ত এক হাজার ২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করান। মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার কর দিয়ে সোনা বৈধ করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর (এনবিআরের) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

গত ২৩ জুন সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। মেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এনবিআরের সদস্য (কর ও প্রশাসন) কানন কুমার রায়।

মেলায় ব্যবসায়ীরা ভরিপ্রতি রুপা ৫০ টাকা, স্বর্ণ ভরপ্রতি ১ হাজার এবং ডায়মন্ড ভরিপ্রতি ৬ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন। ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মেলার আয়োজন করে এনবিআর ও বাজুস।

তিন দিনব্যাপী ‘স্বর্ণ মেলা-২০১৯'র প্রথম দুদিনে মোট ৫১ কোটি টাকার দিয়ে সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ২১০ জন ব্যবসায়ী।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র