বোনাসে এগিয়ে, বেতন পাননি অনেক পোশাক শ্রমিক

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কাজ শেষে কারখানা থেকে ঘরে ফিরছেন পোশাক শ্রমিকরা, পুরনো ছবি

কাজ শেষে কারখানা থেকে ঘরে ফিরছেন পোশাক শ্রমিকরা, পুরনো ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রমজানের ঈদ কড়া নাড়ছে। এখনো সব গার্মেন্টস শ্রমিক বেতন পাননি। তবে বোনাস পেয়েছেন বেশির ভাগ শ্রমিক। তৈরি পোশাক কারখানা মালিকাদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তৌহিদুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঈদ উপলক্ষে শনিবার (১ জুন) বাদে রোববার (২ জুন) সব গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাবে। অথচ এখনো ৪০ শতাংশ কারাখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয়নি। এসব কারখানার মালিকদের কেউ কেউ অর্ধেক বেতন দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, ঈদের ছুটি কাটিয়ে আসার পরপরই বেতন দিয়ে দেওয়া হবে।

তবে বেশির ভাগ মালিক বোনাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ মান্নান কচি। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৯০ শতাংশ কারখানায় বোনাস দেওয়া হয়েছে। তবে সেই অনুসারে বেতন দেওয়া হয়নি। এখনো বেশ কিছু কারখানায় বেতন দেওয়া বাকি রয়েছে।

বিজিএমইর সভাপতি ড. রুবানা হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, রোববারের মধ্যে আশা করি সব কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করবে। তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেসব কারখানার মালিকের বেতন পরিশোধ করা সক্ষমতা নেই, তারা মেশিনারিজ বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। বেতন-বোনাসের বাইরে কেউ থাকবে না।

সরকার ও গার্মেন্টস মালিকরা বসে গত ২৩ মে সিদ্ধান্ত নেন যে, ৩০ মের মধ্যে বিজিএমএ’র সব কারখানার শ্রমিকদের বোনাস দেওয়া হবে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের তথ্য মতে, গত ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ কারখানা মালিক তাদের শ্রমিকদের বোনাস দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বোনাস ও বেতন দিয়েছে আশুলিয়া এলাকার কারখানাগুলো। আর সবচেয়ে কম দিয়েছে মহাখালী, মালিবাগ, মৌচাক এলাকার কারখানাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন :