Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

যাত্রা পথেও ঈদ কেনাকাটা

যাত্রা পথেও ঈদ কেনাকাটা
যাত্রা পথেও ঈদ কেনাকাটা/ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়ে দূর-দূরান্তে  যাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। কেউ কেউ যাত্রা পথেই সেরে ফেলছেন টুকিটাকি প্রয়োজনীয় কেনাকাটা।

সোমবার (০৩জুন) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদ যাত্রার আগে টুকিটাকি প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে দেখা যায় ঘরমুখো মানুষদের।

বাস টার্মিনালে যাত্রীদের কেউ জুতার হকারদের কাছে যাচ্ছেন, কেউ ঘড়ি, চশমা, কেউ বা কাপড়ের দোকানে। মোবাইল চার্জার, হেড ফোন , কিংবা ব্যাক কভার নিয়ে বসে থাকা হকারদেরও কদর অনেক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559556002392.jpg

তবে খেলনার দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনাও ছিল চোখে পড়ার মতো। বাড়ি ফেরার পথে সামান্য অবসরে বাচ্চাদের জন্য খেলনা দেখছেন অনেকেই। পছন্দ হলে দাম হাঁকিয়ে কিনছেন তারা।

বাড়িতে চার বছরের বাচ্চার জন্য খেলনা হেলিকাপ্টার কিনেছেন সাইফুল ইসলাম।  তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, প্রায় চার মাস পর বাড়িতে যাবো, বাচ্চা আছে পথ চেয়ে। ঈদে তার জন্য নতুন জামা কিনেছি। কিন্তু এ খেলনাটা হাতে পেলে তার  খুশির সীমা বেড়ে যাবে। আসলে বাচ্চাটা হাসতে দেখলে বা খুশি হয়েছে দেখলে তৃপ্তি পাই।

গাবতলী টার্মিনালে ওয়ালেট কিনেছেন নাঈম খান। তিনি বলেন, বাসার জন্য ঈদের কেনাকাটা সব করেছি। কিন্তু আমার নিজের একটা মানিব্যাগ দরকার ছিল। কেনার সময় পাই নি। এখানে  এসে টিকিট নিয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক সময় আছে হাতে। তাই সেরে ফেললাম মানিব্যাগের প্রয়োজনটা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559556071083.jpg

বাদশা নামের এক হকারের কাছে জুতা দেখছিলেন তরিকুল নামের এক যাত্রী। তিনি বার্তা২৪ কে জানান, অনেকটা সময় আছে হাতে।  দেখছি কিছু পছন্দ হয় কিনা। পছন্দ হলে কিনব।

জুতার হকার বাদশা বলেন, চার পাঁচ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করি। ঈদ কেন্দ্রিক আমাদের বেচাকেনা কিছুটা বাড়ে। তবে খুব বেশি হয় তা না। যা হয়, চলে যায়।

ঈদে বাড়ি যাবে কিনা জানতে চাইলে বাদশা বলেন, আমরা ব্যবসা করি। আমাদের ক্রেতা দূর দূরন্তের যাত্রীরা। ঈদের আগে বাড়ি  গেলে বিক্রি বন্ধ রেখে যেতে হবে। ঈদের পরে এজন্য বাড়িতে যাই।

আপনার মতামত লিখুন :

সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে

সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে
ছবি প্রতীকী

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২৬ জুন) সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে। এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে এবং সিএসইতে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। এরপর সূচক বাড়ার প্রবণতা কমে। তবে ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় ১৭ পয়েন্ট এবং সোয়া ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৯৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে এক হাজার ৯০২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে এক হাজার ২৩৬ পয়েন্টে।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ৮৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই সিরিঞ্জ, মুন্নু সিরামিকস, ফরচুন সু, রানার অটোমোবাইল, বঙ্গজ, আলহাজ টেক্সটাইল, এসকে ট্রিমার এবং এস্কার নিটিং।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৩৬ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫০৬ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্টার্ন ব্যাংক, ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, এআইবি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রূপালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, নর্দান ইন্স্যুরেন্স এবং ন্যাশনাল পলিমার।

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র