Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

লেনদেন বেড়েছে উভয় পুঁজিবাজারে

লেনদেন বেড়েছে উভয় পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১০ জুন) প্রধান সূচক ও লেনদেনে বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে (৯ জুন) লেনদেন হয়েছিল ৩০৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

সোমবার ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৮ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫৮ পয়েন্ট। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক ওঠানামার মধ্যে বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের পর সূচক ১৩ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সূচক বাড়ে ২১ পযেন্ট, বেলা সাড়ে ১১টায় সূচক ২২ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৩১ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৯০১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২৩২ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১০টির, কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সোমবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, খুলনা পাওয়ার, ব্র্যাক ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকাল টোবাকো, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আলিফ ইন্ডাস্ট্রি, বিবিএস কেবল, জেএমআই সিরিঞ্জ, ফরচুন সু এবং আমান ফিড।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫৮ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৬৩ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৩৯৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৬১৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- প্রিমিয়ার সিমেন্ট, সাফকো স্পিনিং, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, প্রাইম টেক্সটাইল, আরামিট সিমেন্ট, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, আরামিট, খুলনা পাওয়ার এবং শাহজিবাজার পাওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৫ আগস্ট) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে এদিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩৬ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বড়ে এবং বেলা পৌনে একটায় সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৫ পয়েন্টে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, সিলকো ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার, মুন্নু সিরামিকস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, সায়হাম কটন এবং জেএমআই সিরিঞ্জ।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৪১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৬৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৯ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৭২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- কেডিএল অ্যাকসেসরিজ, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, সিলকো ফার্মা, কেবিপিপি, ইউনাইটেড পাওয়ার, প্রগতী লাইফ ইনস্যুরেন্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স এবং ফাস ফাইন্যান্স।

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা
রিং সাইন টেক্সটাইল, ছবি: সংগৃহীত

বস্ত্র খাতের রিং সাইন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা। অনুমোদিত মূলধন লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি মাত্রা অতিরিক্ত প্লেসমেন্ট থাকায় কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের কাছে গত ২২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। একই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগ, ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে।

৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে উল্লেখ করে সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রসপেক্টাস অনুসারে ২০১৩ সালে রিং সাইনের মূলধন ছিল ১৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা। এরপর প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে ১৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। এখন আবারও নতুন করে আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো কোম্পানিটি।’

‘বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন হলো- ১৩৭ কোটি টাকা দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া কোম্পানির প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার পর ১৫০ কোটি টাকাসহ মোট ২৯৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার উত্তোলনের অনুমোদন পেল কিভাবে?’

‘অন্যান্য কোম্পানির মতোই যদি এই প্লেসমেন্ট শেয়ার তারা ৩০-৪০ টাকা করে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় তাহলে মার্কেট থেকে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা উধাও হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন: রিং সাইনের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ আগস্ট

‘পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে নতুন করে বিশাল এই অর্থ ইস্যুয়ার কোম্পানির পকেটে চলে গেলে এই টাকা কখনো আর বাজারে আসবে না। কোম্পানির প্রসপেক্টাসের ৩১৭ পৃষ্ঠায় (কম্পারিজন রেশিও উইথ দ্যা ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ অফ দ্যা সেইম পিরিয়ড) কোম্পানি নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে, তাদের বর্তমান অবস্থার অনেক কিছুই ‘ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ’ থেকে অনেক কম।’

‘এখন পুঁজিবাজারে দুর্দশা চলছে। বিশেষ করে টেক্সটাইলের অবস্থা সবচাইতে করুণ। এই দুর্দশার মধ্যে কীভাবে কোম্পানিটি শুধু আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেল।’

‘এর আগের আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা অ্যাপোলো ইস্পাত, ফ্যামিলি টেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, সিএন টেক্স, রিজেন্ট টেক্স, তুংহাই নিটিংসহ অনেক অনেক কোম্পানির দুর্নীতির কথা সকলের জানা। এই কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করার পর অ্যাপোলো ইস্পাতের ফ্যামিলি টেক্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের মতোই অবস্থা হবে না তার কোনো গ্যারান্টি নেই।’

‘সুতরাং বিষয়গুলো বিবেচনা করে রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিওর অনুমোদন বাতিল করা হোক। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বর্তমান কমিশন যতো আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে তার বেশিরভাগই খারাপ কোম্পানি। এই রিং সাইন কোম্পানির অবস্থাও খারাপ, ভুয়া প্রসপেক্টাস তৈরি করে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন বাতিল চাই।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিয়ম মেনেই আইপিওর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক কারণ হলে প্রয়োজনে বাতিল করা হবে।’

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১০ টাকা দামের ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে আইপিওর আবেদনের সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে। চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচ বাবদ ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

অনুমোদিত ৪৪০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য চলতি বছরের ১২ মার্চ কমিশন অনুমোদন দেয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র