Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে গাছ লাগাবে ব্র্যাক ব্যাংক

মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে গাছ লাগাবে ব্র্যাক ব্যাংক
বেজার কাছে গাছের চারা হস্তান্তর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে অংশীদারিত্বে চট্টগ্রামের মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

মীরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর প্রাঙ্গণে ব্যাপক বনায়ন প্রকল্পের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।

বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী ৫০০ একর জমিতে এই বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় অঞ্চল যেমন সুরক্ষিত থাকবে, তেমনি সৌন্দর্যও বাড়বে।

৩০,০০০ একর জমিতে নির্মিতব্য মীরসরাই শিল্পনগর হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে আধুনিক অর্থনৈতিক অঞ্চল। যেখানে থাকবে বিশ্বমানের ব্যবসা ও শিল্পকেন্দ্রের সুবিধা। আগামী ১৫ বছরে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এখান থেকে ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) ঢাকায় বেজার প্রধান কার্যালয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও চৌধুরী আখতার আসিফ অংশীদার হিসেবে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরীর হাতে গাছের চারা হস্তান্তর করেন।

এ উপলক্ষে চৌধুরী আখতার আসিফ বলেন, ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ব্যাংকিং অন ভ্যালুজের সদস্য হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক এক দিকে যেমন মানুষ, পৃথিবী ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে, অন্য দিকে পরিবেশ সুন্দর ও ভালো রাখার দর্শনে বিশ্বাস করে। বেজার সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করার একটি প্রচেষ্টা। আমরা সবুজ অর্থায়ন ও সবুজ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের কার্বন নির্গমন হ্রাসে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান তারেক রিফাত উল্লাহ খান, কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান ইকরাম কবির, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান জাবেদুল আলম, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইউনিট প্রধান ফাহিম ইশতিয়াক হোসেন এবং বেজার নির্বাহী সদস্য (অতিরিক্ত সচিব) অ্যাডমিন ও ফিন্যান্স মোহম্মদ আইয়ুব, কনসালট্যান্ট (সোশ্যাল ও রিসেটেলমেন্ট), সাপোর্ট টু ক্যাপাসিটি বিল্ডিং মো. আব্দুল কাদের খান, প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার খবরের প্রতিবাদ বিএসইসির

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার খবরের প্রতিবাদ বিএসইসির
বিএসইসি

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের বিরুদ্ধে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারসহ দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে দুদক খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএসইসি।

প্রতিবাদে বলা হয়, খায়রুল হোসেনের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

যা গত ২১ ও ২২ আগস্ট বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমসহ জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের সংবাদের শিরোনাম ছিলো-খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক।

এসব সংবাদের কারণে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপতৎপরতার চেষ্টাকে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও:  খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহকে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এতে এক বা একাধিক সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কোন ভিত্তিহীন অভিযোগ করলেই তা প্রমাণিত বলে ধরে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কল্পিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বহুল প্রচারিত পত্রিকাসমূহ ফলাও করে প্রচার এবং পদত্যাগের দাবি অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। একইসাথে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চরম ব্যত্যয়। ফলে কমিশন সংশ্লিষ্ট সকল মহল থেকে এ জাতীয় সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে।

বিএসইসি প্রতিষ্ঠানলগ্ন থেকেই দেশের পুঁজিবাজার এবং অর্থনৈতিক উন্ননয়নের লক্ষ্যে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে আসছে। কমিশনের কোন চেয়ারম্যান, কমিশনার বা কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থ বা কোন সুবিধার ভিত্তিতে কোন কাজ করেছে এ ধরণের কোন অভিযোগ কখনই উত্থাপিত হয় নাই। কারো এরূপ কোন অভিযোগ কমিশনে দাখিল করলে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যেকোন দেশের পুঁজিবাজারের প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির সরবাহ নিশ্চিত করা। আইপিওসহ বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। কমিশন নিজ উদ্যোগে কাউকে পুঁজিবাজার হতে অর্থ উত্তোলনের জন্য বাধ্য করে না। একইভাবে কোন বিনিয়োগকারীকেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য উদ্ধুদ্ধ করে না। আগ্রহী ইস্যুয়ার প্রতিষ্ঠানসমূহ ইস্যু ম্যানেজারের সহায়তায় পাবলিক ইস্যুর (আইপিও) জন্য আবেদন করলে কমিশন প্রযোজ্য আইন অনুসারে সকল শর্ত পূরণ করেছে কিনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দাখিল করেছি কিনা এবং সকল তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে কিনা তা যাচাই বাছাই করে। বিধি মোতাবেক সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই শুধুমাত্র পুঁজি উত্তোলনের অনুমোদন প্রদান করা হয়ে থাকে। ইস্যু অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন কোন মূল্য নির্ধারণ করে না এবং ইস্যুকৃত সিকিউরিটিজ এর ভবিষ্যত মূল্য কি হবে তার নিশ্চয়তাও প্রদান করে না। সারা বিশ্বের শেয়ারবাজারে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী কমিশন তথ্য প্রকাশ এবং বিদ্যমান আইনের ভিত্তিতে ইস্যু অনুমোদন করে থাকে। চেয়ারম্যান একাকী কোনো আইপিও অনুমোদন দেন না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের মাধ্যমে চেয়ারম্যান এর মাসে সুপারিশ প্রেরণের পরে, চেয়ারম্যান কমিশনে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেয়। পরে কমিশন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেয়া হয়।

কোনও কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকির কি সম্ভাবনা আছে, তা যাছাই বাছাই করে বিনিয়োগকারীগণ যেন জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রসপেক্টাসে কোম্পানি এবং এর ব্যবসা সংক্রান্ত সকল তথ্য সন্নিবেশিত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ সকল তথ্য যথাযথ আছে কিনা তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব ইস্যুয়ার, নিরীক্ষক, ইস্যু ম্যানেজার, ক্রেডিট রেটিং কোম্পানিসহ বিভিন্ন পক্ষের। কোন দেশের কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থাই প্রসপেক্টাসে সন্নিবেশিত তথ্যের সঠিকতা নিরুপণ করে না। দাখিলকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে প্রসপেক্টাসে সকল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কমিশনের।

কমিশন ও এক্সচেঞ্জে আইপিও আবেদনের সাথে সাথেই কোম্পানির ওয়েব সাইটে খসড়া প্রসপেক্টাস প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যা সকলের জন্য উন্মুক্ত। কোন আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের আবেদন যদি ৬৫ শতাংশের কম হয়ে থাকে, তবে আইপিওটি বাতিল হয়ে যায়। আর ৬৫ শতাংশের উপরে কিন্তু ১০০ শতাংশের নিচে হলে, অবলেখক প্রতিষ্ঠানসমূহ অবশিষ্ট অংশ ক্রয় করে। তবে বিগত ১০ বছরের আইপিওর আবেদন বিশ্লেষণে ৭৮ গুণ (বা ৭৮০০ শতাংশ) পর্যন্ত অধিক হারে জমা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আইপিও লেনদেন শুরুর সময় ইস্যু মূল্যের নিম্নে ছিল না। সেখানে অন্যান্য দেশে অনেক কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর দিনেই ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে যায়। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ২০১৭ সালে ২৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর দিনে ইস্যু মূল্যের নিচে ছিল, আর ২০১৮ সালে এর পরিমাণ ছিল ৩৬ শতাংশ। আলিবাবা, ফেসবুক, উবারসহ অন্যান্য অনেক স্বনামধন্য কোম্পানির ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত ১০ বছরে আইপিওর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ৮৮টি কোম্পানির মধ্যে ৯টির শেয়ারের বর্তমান বাজার দর অভিহিত মূল্যের নিম্নে। যা এই সময়ে মোট ইস্যুর মাত্র ১০ শতাংশ। যেখানে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে এর পরিমাণ ৬১ শতাংশ। পরবর্তীতে সেকেন্ডারি মার্কেটে কোন শেয়ারের দর কি হবে তা নির্ধারিত হয় যোগান এবং চাহিদার ভিত্তিতে। কমিশনের এ ক্ষেত্রে কিছুই করণীয় নেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কমিশনের কাজ বাজারে অনিয়ম বা কারসাজি হলে তা শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে। কমিশনের চেয়ারম্যান, কমিশনার এবং কর্মচারীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বা লেনদেন নিষিদ্ধ থাকায়, চেয়ারম্যান বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোন বিও হিসাব নেই এবং তালিকাভুক্ত বা অ-তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানিতে কোন ধরণের বিনিয়োগ নেই। কোম্পানিসমূহ আইপিওর মাধ্যমে যে অর্থ উত্তোলন করে থাকে, তার প্রতিটি টাকা কোন খাতে ব্যয় হবে তা প্রসপেক্টাসে প্রকাশ করা হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে উক্ত অর্থ ব্যবহারের প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করতে হয়। কাজেই আইপিওর অর্থ আত্মসাৎ বা লুটপাটের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট অভিযোগের আলোকে দুদকের পক্ষ থেকে বিএসইসির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন গোষ্ঠীর যোগসাজশে দুর্বল কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করে দিয়ে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার’। দুদকের পরিচালক (মানিলন্ডারিং) গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তাঁকে ‘অতিদ্রুত গোপনীয়ভাবে’ অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হালট্রিপে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সুবিধা

হালট্রিপে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সুবিধা
হালট্রিপ ও ইবিএলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

হালট্রিপে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সুবিধা অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি হালট্রিপের এজেন্টদের ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সেবা দেবে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল)। সম্প্রতি এ বিষয়ে হালট্রিপ ও ইবিএলের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী হালট্রিপের যে কোন এজেন্ট ইবিএল ডিনারস ক্লাব ক্রেডিট কার্ডের নিয়ম অনুযায়ী বিনা জামানতে ১০ লাখ পর্যন্ত ক্রেডিট সুবিধা পাবেন।

এছাড়া জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্রেডিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এজেন্টরা শুধুমাত্র হালট্রিপ থেকে এয়ার টিকিট বুকিং ও সংগ্রহ করতে পারবেন। শর্ত সাপেক্ষে এই টাকা সর্বনিম্ন ১৫ দিন এবং সর্বোচ্চ ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধের সুযোগ পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে হালট্রিপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তাজবীর হাসান বলেন, ‘হালট্রিপের প্রায় ৫ হাজার এজেন্ট ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি সুফলভোগী হবে। নতুন উদ্যোক্তারাও তাদের ব্যবহার প্রসার ঘটাতে পারবেন।’ হালট্রিপের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যে কোন উদ্যোক্তা ট্রেড লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ওই উদ্যোক্তা হালট্রিপ ডটকমের মাধ্যমে ভ্রমণকারীদের টিকিট ও হোটেল বুকিং সেবা দিতে পারবেন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র