Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সিলকো ফার্মার লেনদেন শুরু ১৩ জুন

সিলকো ফার্মার লেনদেন শুরু ১৩ জুন
সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হবে ১৩ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে। প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় দেশের দুই পুঁজিবাজারে শুরু হবে সিলকোর লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৯ ডিসেম্বর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৯তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নেয়া হয়েছে ১০ টাকা।

কারখানা ভবন নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডেলিভারি ভ্যান ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করার জন্য কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে।

কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৪১ টাকা। ৫টি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ওয়েটেড অ্যাভারেজ ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৪৬ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোসেস লিমিটেড, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিটিজেন সিকিউরিটিজঅ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

আপনার মতামত লিখুন :

এবি ব্যাংকের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

এবি ব্যাংকের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
এবি ব্যাংকের ৩৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেনা মালঞ্চে এবি ব্যাংকের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোহাম্মদ এ. (রুমী) আলী।  প্রেসিডেন্ট এন্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক আফজাল, ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ  সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শহর ও গ্রামে বাজেটের বৈষম্য হ্রাস করার আহবান

শহর ও গ্রামে বাজেটের বৈষম্য হ্রাস করার আহবান
ছবি: বার্তা২৪

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী হাউজিন (ওয়াশ) খাতে ব্যয়ের প্রবণতা ক্রমাগতভাবে কমে গেছে। বাজেটে পৌরসভার মানবসম্পদ ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে তহবিল গঠন করা হয়েছে, তার যথাযথ নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘কাউকে পেছনে রেখে নয়, প্রতিশ্রুতির এখনও অনেক পথ বাকি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে বরাদ্দ নিয়ে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও ওয়াশ চাহিদা মেটানোর জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও ওয়াশ সম্পর্কিত বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান হোসেন জিল্লুর রহমান।

ইউনিসেফের ওয়াশ স্পেশালিস্ট মনিরুল আলম বলেন, কাউকে পেছনে রেখে নয়, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিশ্চিত করতে শহর ও গ্রামীণ এলাকার বাজেট বরাদ্দে বৈষম্য হ্রাস করতে হবে। দুর্গম এলাকা যেমন, পাহাড়, চর, হাওড় এবং উপকূলীয় জায়গায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

NGO

হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (এইচডব্লিউএ) দক্ষিণ এশিয়ার সদস্য মো. যোবায়ের হাসান বলেন, ২০১৯-২০ সালের জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাউজিন (ওয়াশ) খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। তবে টেকসই উন্নয়ন ৬ ও ৭ পঞ্চবার্ষিকের লক্ষ্য অর্জনে বিরাজমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি যথেষ্ট নয়। টেকসই উন্নয়ন ৬ অর্জনের লক্ষ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাউজিন (ওয়াশ) খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কম থাকায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, শহর ও গ্রামের বরাদ্দকৃত বাজেটে বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ ও চর এলাকায় তীব্র চাহিদা থাকা সত্বেও নগর ও শহরগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ তুলনামূলক অনেক বেশি হয়ে থাকে। মোট ১১টি সিটি করপোরেশনে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও গ্রামীণ এলাকায় বরাদ্দ কমেছে।

ফানসা বাংলাদেশের ন্যাশনাল কনভেনর ইয়াকুব হোসেন সহ বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র