Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে থাকছে না বাজেটের ঘাটতি

জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে থাকছে না বাজেটের ঘাটতি
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হবে, ছবি: প্রতীকী
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সব কিছু ঠিক থাকলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। এ বছর প্রস্তাবিত বাজেটের মোট আকার হতে পারে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত এই বাজেটে ঘাটতি থাকছে জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে। আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিলের শর্তের কারণে বাজেট আকার জিডিপির ৫ শতাংশের রাখা হচ্ছে। তবে এবার এটা আর ৫ শতাংশের মধ্যে থাকছে না। মোট জিডিপি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা দিয়ে মোট বাজেটকে ভাগ করলে আগামী বাজেটের আকার দাঁড়ায় ৫ দশমিক ০৪ শতাংশ। তার ফলে সরকার আইএমএফের ঋণের শর্ত ভঙ্গ করতে যাচ্ছে।

সে দিক থেকে হিসাব করলে এবারের বাজেটে ঘাটতি থাকতে পারে কমবেশি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতির তুলনায় ২০ হাজার ১৫ কোটি টাকা বেশি বা ১৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল কম বেশি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি না বাড়িয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এই ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করবে। তাতে পুরোপুরি সফল না হলে সে ক্ষেত্রে আবারো সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশ ঘাটতি খুব বেশি নয়। ঘাটতি বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথমে স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ ও বিদেশি ঋণ করে বাজেটের ঘাটতি মেটাতে অর্থ সংগ্রহ করবে। প্রয়োজন হলে সঞ্চয়পত্র থেকেও ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া হবে। প্রয়োজন না হলে নেবে না। সরকার নির্ধারণ করেছে, নতুন বছর সরকার ব্যাংক ও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেবে তা জিডিপির ২ দশমিক ৮ শতাংশ।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরও বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার একটা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল, তা কিন্তু এখনও গ্রহণ করা হয়নি এখন সংশোধিত ঋণের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা।

জানা গেছে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার আগামী অর্থবছর অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে শুধু ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সংগ্রহ করবে ৪৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন বাজেটে ঘাটতি মোকাবেলায় সরকারের ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ক্রমান্বয়ে কমাতে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সঞ্চয়পত্রের বিক্রির বিষয়টি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন :

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার প্রধান সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৯ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৯৬ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। এরপর সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট, বেলা ১১টায় ১৭ পয়েন্ট এবং সোয়া ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ২৩ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ২২ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪১০ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৯১১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২৪১ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৩টির, কমেছে ১২৪ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই সিরিঞ্জ, স্কয়ার ফার্মা, ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, রানার অটোমোবাইল, বিবিএস কেবল, বঙ্গজ এবং সিনো বাংলা।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৩৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৬১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫৬১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ডেল্টা স্পিনিং, কেয়া কসমেটিকস, এমারেল্ড অয়েল, ইস্টার্ন ব্যাংক, ফার্স্ট মিউচ্যুাল ফান্ড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, আনলিমা ইয়ার্ন এবং সিলকো ফার্মা। এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কেপিপিএল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, কে অ্যান্ড কিউ, রানার অটোমোবাইল, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বঙ্গজ এবং আইসিবি ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড।

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’
অনুষ্ঠানেই অর্ডার, অনুষ্ঠান চলাকালেই পৌঁছে গেল খাবার, ছবি: সংগৃহীত

টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে অনুষ্ঠান চলাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে অ্যাপের অর্ডারে উপস্থাপকের কাছে খাবার পৌঁছে দিল সহজ অ্যাপ।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার খেলার বিরতিতে গাজী টেলিভিশনে ‘বাংলালিংক পাওয়ার প্লে’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা জান্নাত অতিথি খালেদ মাসুদ পাইলটের জন্য সহজ অ্যাপে খাবার অর্ডার করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের মধ্যে খাবার নিয়ে ডেলিভারি ম্যান উপস্থিত হলে চমকিত হন উপস্থাপিকা এবং আমন্ত্রিত অতিথি।

সহজ অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা যেকোনো সময় খাবার অর্ডার করতে পারেন, সহজেই!

উল্লেখ্য, দেশের পরিবহন টিকিট সেবা নিয়ে যাত্রা শুরু করা সহজ.কম সম্প্রতি সহজ ফুড সেবার মাধ্যমে শহরের ব্যস্ত মানুষদের স্বল্প সময়ে পছন্দের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র