Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

এক নজরে বাজেটের ইতিহাস

এক নজরে বাজেটের ইতিহাস
বাজেট, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জুন মাস এলেই দেশে শুরু হয় বাজেট নিয়ে আলোচনা। এবারো তার ব্যতিক্রম নেই। চারদিকে চলছে বাজেট আলোচনা। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের এটা প্রথম বাজেট। একইসঙ্গে বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালেরও এটি প্রথম বাজেট। 

বাজেট উত্থাপনের আগে থেকেই বাজেট নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। একেক খাতে একেক জনের হাজারও ‍উপদেশ। নানা শ্রেণী পেশা-ধর্ম বয়সের মানুষ এসব আলোচনা-সমালোচনায় অংশ নেন। কিন্তু কোথা থেকে এসেছে বা কবে থেকে শুরু হয়েছে এই বাজেট প্রক্রিয়া বেশিরভাগ মানুষেরই তা জানা নেই।

বাজেটের উৎপত্তি:

বাজেট শব্দটির উৎপত্তি হলো বোগেটি শব্দ থেকে যার অর্থ মানিব্যাগ, যেখানে টাকা রাখা যায়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাজেটের উৎপত্তি হয়েছে আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৩’শ বছর আগে। ১৭২০ সালে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে প্রথম জাতীয় বাজেট ও রাজস্ব নীতি উত্থাপন করেন স্যার রবার্ট ওয়ালপোল। ১৭১১ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ জয়েন্ট স্টক কোম্পানি সাউথ সি বাবলি’র তহবিলের উপাচার্য ছিলেন ওয়ালপোল। সরকারি এই কোম্পানিটির শেয়ারে ধস নামলে জনগণের মনোবল ও বিশ্বাস ফিরে পেতে তিনি প্রথম বাজেট তৈরি করেন।

এর ১৩ বছর পর ওয়ালপোল সরকারের করের বোঝা কমাতে রাজস্ব পরিকল্পনায় বিভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন ওয়াইন, তামাকের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্যের প্রস্তাব করেন। সেবারই প্রথম সরকারের রাজস্ব নীতিতে বাজেট শব্দটি ব্যবহার হয়।

১৭৬০ সালের মধ্যে বাজেট বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পড়ে। ১৭৬৪ সালে গ্রেট ব্রিটেনের হাউস অব কমন্সে বাজেটে অধিবেশনে জর্জ গ্রিনভিল স্ট্যাম্প আইনের কথা বলেন। যুক্তরাজ্যে বসন্তকালের শুরুতে বাজেট দিবস অনুষ্ঠিত হতো। 

বাংলাদেশের বাজেটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় বাজেট প্রণয়ন হয়। বাংলাদেশে হয় জুন মাসে। বাংলাদেশের বাজেট প্রণয়ন করা হয় এক বছরের জন্য, যা বছরের পহেলা জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ থাকে। প্রতি বছর জুন মাসে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকারের পক্ষে অর্থমন্ত্রী বাজেট বিল পেশ করেন। এর আগে এই বাজেট বিল মন্ত্রীসভায় বিবেচনা ও অনুমোদন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560327054632.JPG

স্বাধীনতার পর দেশের ইতিহাসে প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। সেই থেকে এ দেশে বাজেটের যাত্রা শুরু। বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। সেখান থেকে দেশের বাজেট আজ ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। জাতীয় সংসদে সর্বাধিক বাজেট পেশের রেকর্ড করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও প্রয়াত সাইফুর রহমান। তারা দুজনই সর্বাধিক ১২ বার সংসদে বাজেট উত্থাপন করেন।

তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরাই বাজেট পেশ করলেও কখনও প্রধানমন্ত্রী, কখনও উপদেষ্টা, কখনও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, আবার কখনও রাষ্ট্রপতি নিজেই এই বাজেট ঘোষণা করেছেন। এমন বাজেট পেশকারীর সংখ্যা ১১ জন। তারা হলেন- তাজউদ্দীন আহমেদ, ড. আজিজুর রহমান, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, ড. এম এন হুদা, এম. সাইফুর রহমান, আবুল মাল আবদুল মুহিত,  এম সায়েদুজ্জামান, মেজর জেনারেল এম এ মুনিম, ড. ওয়াহিদুল হক, শাহ্ এএমএস কিবরিয়া ও ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম। 

আপনার মতামত লিখুন :

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার প্রধান সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৯ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৯৬ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। এরপর সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট, বেলা ১১টায় ১৭ পয়েন্ট এবং সোয়া ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ২৩ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ২২ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪১০ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৯১১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২৪১ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৩টির, কমেছে ১২৪ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই সিরিঞ্জ, স্কয়ার ফার্মা, ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, রানার অটোমোবাইল, বিবিএস কেবল, বঙ্গজ এবং সিনো বাংলা।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৩৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৬১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫৬১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ডেল্টা স্পিনিং, কেয়া কসমেটিকস, এমারেল্ড অয়েল, ইস্টার্ন ব্যাংক, ফার্স্ট মিউচ্যুাল ফান্ড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, আনলিমা ইয়ার্ন এবং সিলকো ফার্মা। এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কেপিপিএল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, কে অ্যান্ড কিউ, রানার অটোমোবাইল, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বঙ্গজ এবং আইসিবি ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড।

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’
অনুষ্ঠানেই অর্ডার, অনুষ্ঠান চলাকালেই পৌঁছে গেল খাবার, ছবি: সংগৃহীত

টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে অনুষ্ঠান চলাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে অ্যাপের অর্ডারে উপস্থাপকের কাছে খাবার পৌঁছে দিল সহজ অ্যাপ।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার খেলার বিরতিতে গাজী টেলিভিশনে ‘বাংলালিংক পাওয়ার প্লে’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা জান্নাত অতিথি খালেদ মাসুদ পাইলটের জন্য সহজ অ্যাপে খাবার অর্ডার করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের মধ্যে খাবার নিয়ে ডেলিভারি ম্যান উপস্থিত হলে চমকিত হন উপস্থাপিকা এবং আমন্ত্রিত অতিথি।

সহজ অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা যেকোনো সময় খাবার অর্ডার করতে পারেন, সহজেই!

উল্লেখ্য, দেশের পরিবহন টিকিট সেবা নিয়ে যাত্রা শুরু করা সহজ.কম সম্প্রতি সহজ ফুড সেবার মাধ্যমে শহরের ব্যস্ত মানুষদের স্বল্প সময়ে পছন্দের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র