Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দেশের পুঁজিবাজার

ডিএসইতে ৬, সিএসইতে ১৯ পয়েন্ট প্রধান সূচক কমেছে

ডিএসইতে ৬, সিএসইতে ১৯ পয়েন্ট প্রধান সূচক কমেছে
ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১২ জুন) প্রধান সূচক ও লেনদেনে কমে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৮ কোটি ৯৯ লাখ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৬ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক একটানা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটের পর সূচক ১২ পয়েন্ট কমে।

বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক কমে ১৭ পয়েন্ট। আর বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে, বেলা ১টায় সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে, বেলা ২টায় সূচক কমে ১০ পয়েন্ট এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৬৯ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯১৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৪১ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ১৯৫ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- বিবিএস কেবল, ইউনাইটেড পাওয়ার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, জেএমআই সিরিঞ্জ, ইস্টার্ন হাউজিং, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স, এসকে ট্রিমার, সিঙ্গার বিডি, ডোরিন পাওয়ার এবং ব্র্যাক ব্যাংক।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৯ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ১৪০ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৪৯ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৭১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৭৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- নর্দান ইনস্যুরেন্স, নিটল ইনস্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স, পিপলস লিজিং, সায়হাম টেক্সটাইল, সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইনস্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স, ভিএফএসটিডিএল এবং ফেডারেল ইনস্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

শহর ও গ্রামে বাজেটের বৈষম্য হ্রাস করার আহবান

শহর ও গ্রামে বাজেটের বৈষম্য হ্রাস করার আহবান
ছবি: বার্তা২৪

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী হাউজিন (ওয়াশ) খাতে ব্যয়ের প্রবণতা ক্রমাগতভাবে কমে গেছে। বাজেটে পৌরসভার মানবসম্পদ ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে তহবিল গঠন করা হয়েছে, তার যথাযথ নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘কাউকে পেছনে রেখে নয়, প্রতিশ্রুতির এখনও অনেক পথ বাকি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে বরাদ্দ নিয়ে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও ওয়াশ চাহিদা মেটানোর জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও ওয়াশ সম্পর্কিত বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান হোসেন জিল্লুর রহমান।

ইউনিসেফের ওয়াশ স্পেশালিস্ট মনিরুল আলম বলেন, কাউকে পেছনে রেখে নয়, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিশ্চিত করতে শহর ও গ্রামীণ এলাকার বাজেট বরাদ্দে বৈষম্য হ্রাস করতে হবে। দুর্গম এলাকা যেমন, পাহাড়, চর, হাওড় এবং উপকূলীয় জায়গায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সেই নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

NGO

হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (এইচডব্লিউএ) দক্ষিণ এশিয়ার সদস্য মো. যোবায়ের হাসান বলেন, ২০১৯-২০ সালের জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাউজিন (ওয়াশ) খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। তবে টেকসই উন্নয়ন ৬ ও ৭ পঞ্চবার্ষিকের লক্ষ্য অর্জনে বিরাজমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি যথেষ্ট নয়। টেকসই উন্নয়ন ৬ অর্জনের লক্ষ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাউজিন (ওয়াশ) খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কম থাকায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, শহর ও গ্রামের বরাদ্দকৃত বাজেটে বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ ও চর এলাকায় তীব্র চাহিদা থাকা সত্বেও নগর ও শহরগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ তুলনামূলক অনেক বেশি হয়ে থাকে। মোট ১১টি সিটি করপোরেশনে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও গ্রামীণ এলাকায় বরাদ্দ কমেছে।

ফানসা বাংলাদেশের ন্যাশনাল কনভেনর ইয়াকুব হোসেন সহ বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট

ডিএসইর প্রধান সূচক ২৯, সিএসইতে বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার প্রধান সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৯ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৯৬ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। এরপর সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট, বেলা ১১টায় ১৭ পয়েন্ট এবং সোয়া ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ২৩ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ২২ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪১০ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৯১১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২৪১ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৩টির, কমেছে ১২৪ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই সিরিঞ্জ, স্কয়ার ফার্মা, ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, রানার অটোমোবাইল, বিবিএস কেবল, বঙ্গজ এবং সিনো বাংলা।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৩৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৬১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫৬১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ডেল্টা স্পিনিং, কেয়া কসমেটিকস, এমারেল্ড অয়েল, ইস্টার্ন ব্যাংক, ফার্স্ট মিউচ্যুাল ফান্ড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, আনলিমা ইয়ার্ন এবং সিলকো ফার্মা। এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, কেপিপিএল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, কে অ্যান্ড কিউ, রানার অটোমোবাইল, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বঙ্গজ এবং আইসিবি ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র