Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

পুঁজিবাজারে সূচকের ওঠানামা

পুঁজিবাজারে সূচকের ওঠানামা
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সূচকের ওঠানামা প্রবণতায় লেনদেন চলছে।

বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ১ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৭০ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেন শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটের পর সূচক ৮ পয়েন্ট বাড়ে। তবে এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১১টার পর সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে নেতিবাচক হয়ে যায়। আর বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সূচক কমে ১৭ পয়েন্ট। আর বেলা সাড়ে ১১টায় সূচক প্রায় ১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৬৯ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯১৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক প্রায় ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৪২ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭০ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৪৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আছে-সিলকো ফার্মা, জেএমআই সিরিঞ্জ, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস কেবল, জেনেক্সিল, ফাস ফাইন্যান্স, ইস্টার্ন কেবল, সিঙ্গার বিডি, বঙ্গজ এবং প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ১৩৯ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৫৫ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- সিলকো ফার্মা, নর্দান ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, নিটল ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স এবং ঢাকা ইন্স্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ/ ছবি: সংগৃহীত

তৈরি পোশাক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রকৌশল ও ওষুদ খাতের কোম্পানিকে পেছনে ফেলে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বিমা কোম্পানির শেয়ার।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে আট হাজার ৯৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ২৯৪ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বিমা খাতের ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৮৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ২৭০ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিমা খাতের উপর বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে, তাতে দরপতনের মাসেও এ খাতের শেয়ার কিনেছে বেশি বিনিয়গকারীরা। ফলে জুন মাসে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা বিমা খাত জুলাই মাসে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বাজেটে শস্য, বিমা, গবাদিপশু বিমা করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৫ শতাংশের উপরে এজেন্ট কমিশন দেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের ফলে অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বিমা কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।

ডিএসইতে বিদায়ী অর্থবছরে শেষ মাস জুনে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল পোশাক খাতের শেয়ার। সে মাসে পোশাক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ এক হাজার ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আর জুলাই মাসে লেনদেন হয়েছে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৪ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে তিন ধাপ নিচে নেমে চতুর্থ স্থানে নেমেছে।

ডিএসইর মোট ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হওয়া ওষুধ খাত লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এ খাতের কোম্পানির ২২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩১টি শেয়ার বিক্রি বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯৪ টাকা।

ফলে জুন মাসে দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রকৌশল খাত এক ধাপ নিচে নেমে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে জুলাই মাসে লেনদেনে হয়েছে ৯৯৪ কোটি সাত লাখ ৫৮ হাজার ৪৭ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

আর পুঁজিবাজারের ‘প্রাণ’ বলে খ্যাত ব্যাংকের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় ৬ষ্ঠ পর্যায়ে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার। ফলে এ খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৭৮১ কোটি ৪১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৮ টাকা। যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আর জুলাই মাসে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৬৪৯ কোটি ২৩ লাখ তিন হাজার ৩৫৪ টাকা। যা সাত দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিনিয়াগকারীরা বলছেন, যতক্ষণ ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম বাড়বে না, ততক্ষণ পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে না।

এছাড়াও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৫৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৫২ হাজার ১৮৯ টাকা। ট্যানারি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ আট হাজার ৩১৭ টাকা।

খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ ডিএসইর তিন দশমিক ২০ শতাংশ, ভ্রমণ ২ দশমিক ৬১শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিরামিক ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, আইটির ২ দশমিক ১৭ শতাংশ,টেলিকমিউনিকেশন ১ দশমিক ২৮ শতাংশ, সিমেন্ট ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, এবং কাগজ-প্রকাশনা খাতের দশমিক ৬৮দশমিক শতাংশ টাকার লেনদেনে হয়েছে।

অপরিকল্পিত ট্যানারি স্থানান্তরের কারণেই চামড়ার বাজারে ধস!

অপরিকল্পিত ট্যানারি স্থানান্তরের কারণেই চামড়ার বাজারে ধস!
পোস্তায় লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করা হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ফিরে: রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগ থেকে সাভারে অপরিকল্পিতভাবে ট্যানারি স্থানান্তরের কারণেই দেশের চামড়া শিল্প খাতে ধস নেমেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ট্যানারি কেন্দ্রীক সমস্যার সমাধান না হলে এ শিল্পে পূর্ণ যৌবন ফিরবে না।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে সাভারের হেমায়েতপুরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার (বিসিক) শিল্প নগরীর ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও পড়ুন: গত বছরের চামড়া মজুদ, নতুন চামড়া কেনার কদর নেই

ট্যানারি মালিকদের অভিযোগ, হঠাৎ করেই দেশের চামড়া শিল্পে ধস নামেনি। দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধরে নানান অব্যবস্থাপনার কারণে চামড়া শিল্পে আজ এই দুরবস্থা। গত ৩০ বছর ধরে অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়া কেনেন। কিন্তু তারা এখন বাংলাদেশ বিমুখ। এটা হঠাৎ করে হয়নি। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে তারা আর এদেশ থেকে চামড়া নিতে চাইছেন না। তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় তারা অন্যদেশ থেকে চামড়া কিনছেন।

আরও পড়ুন: কাঁচা চামড়া রফতানিতে লাভবান হবেন পাইকারি..

হেমায়েতপুরের ট্যানারি পল্লীর এস বি শাহী ট্যানারির লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান ভূঁইয়া সাজু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘হাজারীবাগে থাকতে বিদেশি ক্রেতাদের অনেক চাপ থাকতো। সে সময় দেশের চামড়া শেষ করে আমদানি করা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে হতো। কিন্তু এখন গত বছরের চামড়াই বিক্রি করতে পারিনি। ক্রেতা না থাকলে বিক্রিও করবো কাদের কাছে।‘

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565939243399.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রেতা হারানোর অন্যতম কারণ হাজারীবাগ থেকে অপরিকল্পিতভাবে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর।’

শিফন হালদার নামে আরেক ট্যানারির মালিক বলেন, ‘ইউরোপ আর আমেরিকার ক্রেতারা না থাকায় চীনের ক্রেতারা সুযোগ নিচ্ছে। তারা ফুটপ্রতি চামড়া এক ডলারে অর্ডার দেয়। পরে চামড়া তৈরি হওয়ার পর এসে বলে ৭০ সেন্ট করে দেবে, না হলে আমাদের কাছ থেকে চামড়া নেবে না। ফলে লোকসান হলেও ক্রেতা ধরে রাখতে আমরা বাধ্য হয়ে তাদের কাছে চামড়া বিক্রি করি। এভাবে লোকসান দিতে থাকলে আমরা কতদিন টিকবো?’

আরও পড়ুন: কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের দিকে সরকার এক নোটিশে হাজারীবাগ থেকে ২২২টি ট্যানারি বন্ধ করে দেয়। তখন সাভারের হেমায়েতপুরে কিছুই হয়নি। এরপর দুই-তিন বছর সময় লাগলো হেমায়েতপুরের ট্যানারিপল্লী স্থানান্তর হতে। এই সময়ের মধ্যে ক্রেতারা বসে থাকেনি। নিজেদের চাহিদা পূরণ করতে তারা অন্য দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে চলে গেছে। আর এরপর থেকেই ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছে। ফলে দেশের চামড়া শিল্পে ধস নামতে থাকে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মালিক সাখাওয়াত উল্লাহ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে হেমায়েতপুরে ট্যানারিপল্লী চালু করা হলেও এখনও কাজ শেষ হয়নি। শিল্প নগরীর কেন্দ্রীয় পরিশোধন কেন্দ্র (সিইটিপি) এবং ডাম্পিং-এর কাজ শেষ হয়নি। এমনকি অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়নও বাকি আছে। এছাড়া আমরা এখনও জমির লিজ বুঝে পাইনি। ফলে ব্যাংক ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে ট্যানারি স্থানান্তর করায় সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে আমরা মূলধারায় ফিরতে পারছি না। তাই ক্রেতারা চলে গেছেন অন্য দেশে। তবে এখনও সুযোগ আছে। সরকার যদি আগামী এক বছরের মধ্যে সব সমস্যা সমাধান করতে পারে, তাহলে দুই বছরের মধ্যে আমরা আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারব। চামড়ার বাজারও চাঙা হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র