Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাজেট ২০১৯-২০

বাজেটে অবহেলিত জ্বালানি খাত

বাজেটে অবহেলিত জ্বালানি খাত
ফাইল ছবি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেটের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে (২০১৮-১৯) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৯শ’ ২১ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার বেড়েছে ১৮ শতাংশ। সে হারে বাড়াতে হলে সাড়ে ২৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়ার কথা ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের।

মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ এবারও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অনেকটাই অবহেলিত পিছিয়ে থাকা জ্বালানি বিভাগ। জ্বালানি বিভাগে গত বছরের তুলনায় মাত্র ১ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে এই বিভাগে বরাদ্দ ছিলো ১ হাজার ৯শ’ ৮৫ কোটি টাকা। যা সংশোধিত বাজেটে গিয়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২শ’ ৯০ কোটি টাকা।

জ্বালানি খাতে ১ হাজার ৯শ’ ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেট প্রবৃদ্ধির হারের সঙ্গে বাড়লে এই খাতে বরাদ্দ পাওয়ার কথা ছিলো ২ হাজার ৩শ’ ৪২ কোটি টাকা।

বিদ্যুৎ খাতে বিগত অর্থবছরে অনুমোদিত বাজেট ছিল ২২ হাজার ৯শ’ ৩৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২শ’ ১২ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৬ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।

অনেক দিন ধরেই বলাবলি হচ্ছিল, বিদ্যুতের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না জ্বালানি বিভাগ। যে কারণে কিছুটা সংকটও রয়েছে। কিন্তু এবার বাজেটেও জ্বালানি বিভাগ অনেকটাই অবহেলিত থেকে গেলো।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্যাংকিং খাতকে বেগবান করতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী

ব্যাংকিং খাতকে বেগবান করতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী
এনইসি সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সিইও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় অর্থমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংক চাইলে দেশের ব্যাংকিং খাতকে আরো বেশি বেগবান করতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরে বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সিইও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চারটি ব্যাংককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা অনেক বড়।  তাদের যে এক্সারসাইজ, তাদের যে অবস্থান ব্যাংকিং খাতে; এই চারটি ব্যাংক চাইলেও সার্বিকভাবে আমাদের ব্যাংকিং খাতকে বেগবান রাখতে পারে।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা আলোচনায় সুনির্দিষ্টভাবে কিছু রাখিনি। আজকে আমরা একে অপরকে জানব, তাদের জন্য আমাদের শুভ কামনা থাকবে সবসময়। তারা আমাদেরকে একটি কর্মপরিকল্পনা দেবেন, কীভাবে এই ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী করা যায়। আরও বেগবান করবেন। এ বিষয়ে আজকে তারা আমাদেরকে অবহিত করবেন। এ জন্য আজকে আমরা এখানে বসেছি।’

সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা

পুঁজিবাজারের সূচকে মিশ্র প্রবণতা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৫ আগস্ট) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে এদিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩৬ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বড়ে এবং বেলা পৌনে একটায় সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৫ পয়েন্টে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, সিলকো ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার, মুন্নু সিরামিকস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, সায়হাম কটন এবং জেএমআই সিরিঞ্জ।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৪১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৬৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৯ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৭২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- কেডিএল অ্যাকসেসরিজ, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, সিলকো ফার্মা, কেবিপিপি, ইউনাইটেড পাওয়ার, প্রগতী লাইফ ইনস্যুরেন্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স এবং ফাস ফাইন্যান্স।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র