Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বর্ধিত রাজস্ব অর্জনই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: এমসিসিআই

বর্ধিত রাজস্ব অর্জনই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: এমসিসিআই
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বর্ধিত ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

শুক্রবার (১৪ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বাজেট পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবারের রাজস্ব লক্ষ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা) চেয়ে ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। এমসিসিআই উদ্বিগ্ন যে, এ রাজস্ব লক্ষ্য বর্তমান কর প্রদানকারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই অগ্রগতি সত্যিকার সম্ভাবনার থেকে অনেক নিচে। অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি স্বল্পতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় বাধা। একই সঙ্গে রাজস্ব সংগ্রহে ঘাটতি এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) দুর্বল বাস্তবায়ন অর্থনীতির জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়।

এমসিসিআই মনে করে, যদি বাংলাদেশ ২০২১ সাল নাগাদ মধ্য আয়ের দেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে চায়, তাহলে বৈদেশিক বিনিয়োগসহ সব ধরনের বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্ব শর্তই হচ্ছে উচ্চমাত্রায় বিনিয়োগ।

পুঁজিবাজারকে চাঙা করার সরকারের ইচ্ছাকে এমসিসিআই সাধুবাদ জানাচ্ছে। কিন্তু স্টক ডিভিড্যান্টের উপর ১৫ শতাংশ কর আরোপ করায় এমসিসিআই উদ্বিগ্ন। যা তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূলধন তৈরি ও পুনবিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

কমপক্ষে ৫ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি সত্ত্বেও বিগত ৪ বছর যাবত করমুক্ত সর্বনিম্ন আয়সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে। এই করমুক্ত সর্বনিম্ন আয়সীমা বাড়ানো উচিৎ বলেও মনে করে এমসিসিআই।

আপনার মতামত লিখুন :

‘অনলাইনে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে’

‘অনলাইনে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, ছবি: সংগৃহীত

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার জন্য সব সেবা এখন অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, ‘আমদানি ও রফতানি অধিদফতরে অনলাইনে লাইসেন্সিং মডিউল (ওএলএম) চালু করা হলো। এতে করে ব্যবসায়ীদের জন্য সেবাগুলো অনলাইনে দেওয়া সম্ভব হবে।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে আমদানি-রফতানি অধিদফতর আয়োজিত অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউলের (ওএলএম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সাত দিনব্যাপী নিবন্ধন সনদ নবায়ন মেলা-২০১৯ এর উদ্বোধন করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। এতে করে ব্যবসায়ীদের অর্থ, শ্রম ও সময় সাশ্রয় হবে। ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে আর আমদানি-রফতানি অধিদফতরে আসার প্রয়োজন হবে না। আমদানি-রফতানি অফিস এখন ডিজিটাল।’

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল চালুর মাধ্যমে দেশে ব্যবসা বাণিজ্য সহজ করার ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। পেপারলেস ট্রেড সুবিধা দিতে আমরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তা বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসা পরিচালনার জন্য এরই মধ্যে অনেক শর্ত শিথিল করা হয়েছে, সংযুক্ত কাগজের সংখ্যা কমানো হয়েছে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীরা দাফতরিক কাজ শেষ করতে পারবেন। বিনয়ের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে,’ বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে টিকে থাকতে হলে পেপারলেস ট্রেডের বিকল্প নেই। দেশের সব ধরনের বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট কাজ ডিজিটাল হওয়া জরুরি। দেশের বাণিজ্য পরিচালনার সব কার্যক্রম সহজ করতে হবে।’

‘ব্যবসায়ীরা যাতে বাণিজ্য সংক্রান্ত সব সেবা সহজেই পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। সারা বিশ্বে আমরা প্রচার করছি, বাংলাদেশে সহজেই ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি। বাস্তবেও সেটা দেখাতে হবে। ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি সহজ ও ডিজিটাল করার বিকল্প নেই,’ যোগ করেন তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রাণেশ রঞ্জন সূত্রধর। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব এবং আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খানমসহ অনেকে।

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বুধবারও (১৭ জুলাই) মতিঝিলের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন দুপুর ২টার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিনিয়োগকারীরা। বেলা ৩টায় শেষ হয়।

‘খায়রুল তুই রাজাকার, কমিশনের গদি ছাড়’ স্লোগানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।

গুরুত্বপূর্ণ দাবি গুলো হচ্ছে-নতুন করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন ও প্লেসমেন্ট বন্ধ, ১০ হাজার কোটি টাকার নতুন ফান্ড গঠন, বোনাস শেয়ার ও রাইট শেয়ার দেওয়া বন্ধ ইত্যাদি।

বিক্ষোভে বিনিয়োগকারীরা বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে পতন অব্যাহত রয়েছে। শুরু থেকেই আমরা বাজারের পতন ঠেকাতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছি। কিন্তু এতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। কেউই আমাদের দিকে নজর দিচ্ছে না।

বিনিয়োগকারীরা বলেন, সত্যিকার অর্থে যদি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতায় কাজ করত তবে এত দিন পুঁজিবাজারে স্থিরতা চলে আসত।

বাজারের এই দুর্দশা ফেরাতে চলমান অস্থিরতা দূর করতে আবারও বিএসইসির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

এর ফলে টানা ছয়দিন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র