Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন অর্থবছর ২০১৯-২০ এর প্রস্তাবিত বাজেটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই)। শুক্রবার (১৪ জুন) বিসিআই’র পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বাজেট প্রতিক্রিয়ার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআইর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের জন্য ১০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ১০% প্রতিবন্ধী শ্রমিক নিয়োগ প্রদান করতে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নের জন্য জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল গঠন করায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের অর্থবছর থেকে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মূসক মুক্ত টার্নওভারের সীমা ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। টার্নওভার করের ঊর্ধ্বসীমা ৮০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক আইটেম মূসকের আওতা মুক্ত রাখা হয়েছে। এ জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ‘

বিসিআইর সভাপতি বলেন, তবে মূসক ব্যবস্থায় ভোক্তা ও দেশের ৮৫ ভাগ ক্ষুদ্র মাঝারি পণ্য এবং সেবা খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও সামর্থ্য অনুযায়ী একটি ভোক্তা ও ব্যবসা-বান্ধব মূসক ব্যবস্থা বলবৎ করার জন্য আমাদের লিখিত প্রস্তাবগুলো পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রস্তাব গুলো হলো

টার্নওভারের ঊর্ধ্বসীমা ৫ কোটি নির্ধারণ করে করের হার প্রস্তাবিত ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা।

পণ্য ও সেবা খাতে উপকরণ রেয়াত গ্রহণ করা না গেলে শিল্প ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করা।

২০১৮-২০১৯ বাজেটে বিদ্যমান সকল অব্যাহতি খাতকে প্রদত্ত অব্যাহতি অব্যাহত রাখা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআই’র সভাপতি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট এবং ব্যক্তি পর্যায়ের কর হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য কর্পোরেট কর হার হ্রাস করা প্রয়োজন। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলে বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন উৎসাহিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ রেয়াতি কর সুবিধা প্রদানের জন্য পুনরায় অনুরোধ করছি। তবে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া, স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতি, বাজেট ঘাটতি এসব বড় বড় চ্যালেঞ্জের জন্য সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এসবিসির পাওনা পরিশোধে ৪০ বিমা কোম্পানির গড়িমসি

এসবিসির পাওনা পরিশোধে ৪০ বিমা কোম্পানির গড়িমসি
সাধারণ বিমা করপোরেশন

সরকারি প্রতিষ্ঠান সাধারণ বিমা করপোরেশনের (এসবিসি) পাওনা পরিশোধে গড়িমসি করছে ৪০টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। বিমা কোম্পানিগুলোর কাছে ৫৭২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫০১ টাকা পাওনা রয়েছে এসবিসির।

পুনঃবিমার প্রিমিয়ামের এই টাকা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধের কথা ছিল। কিন্তু চলতি বছরের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেও তা পরিশোধ করেনি বিমা কোম্পানিগুলো।

পাওনা টাকা আদায়ে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে অভিযোগ করেছে এসবিসি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাতেও খুব বেশি ফল পায়নি সরকারি প্রতিষ্ঠানটি।

নিময় অনুসারে ঝুঁকি কমাতে কোম্পানিগুলোর বিমার ওপর শতভাগ পুনঃবিমা করার বিধান রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ সাধারণ বিমা করপোরেশনে করা বাধ্যতামূলক। বাকি ৫০ শতাংশ পুনঃবিমা কোম্পানি ইচ্ছা করলে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে করতে পারে।

পুনঃবিমার এ আইন অনুসারে ৪০টি বিমা কোম্পানির কাছে ৫৭২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫০১ টাকা পাবে এসবিসি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিমা কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে টাকা পরিশোধ করছে না। এতে এসবিসির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিমাখাতও। বিমা কোম্পানির প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন গ্রাহকরা।

এসবিসি’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জাকির হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, নিয়ম অনুসারে কোম্পানিগুলো এসবিসিকে পুনঃবিমার প্রিমিয়াম বাবদ এই টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোম্পানিগুলো টাকা দিতে গড়িমসি করছে।

তিনি বলেন, আমরা পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের লক্ষ্যে চেষ্টা করছি। পাশাপাশি বিমা কোম্পানিগুলোর ক্লেইমগুলো পরিশোধ করছি। যাতে বিমা কোম্পানিগুলো দ্রুত প্রিমিয়াম পরিশোধ করে। আইডিআরএ’র মনিটরিং টিমকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত তথ্য অনুসারে, এসবিসি’র সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ৬ হাজার ৫৯ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৪৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৯ টাকা, তৃতীয় অবস্থানে থাকা কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৪২ কোটি ১২ হাজার ৩১ হাজার ৬৪৭ টাকা পাওনা রয়েছে।

এছাড়াও চতুর্থ স্থানে থাকা ইসলামিক ইসন্স্যুরেন্সের কাছে ৩৩ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩টাকা ও পঞ্চম স্থানে থাকা ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৩৩ কোটি ৫৭ লাখ ২৩ হাজার ৯৬৪ টাকা পাওনা রয়েছে।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৩৩ কোটি ৭৬ লাখ ১৭ হাজার ৮৩ টাকা, জনতার কাছে ৩৩ কোটি ৪২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকা, পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ৩২ কোটি ৭ লাখ ৩১ হাজার ৮৭৩ টাকা, কর্ণফুলীর কাছে ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ১২ হাজার ৩৫৪ টাকা, মেঘনার কাছে ২৬ কোটি ৯৮ লাখ ৬২ হাজার ৭৮০ টাকা, রূপালী ইন্স্যুরেন্সের কাছে ২৪ কোটি ৫৯ লাখ ৮১ হাজার ৪০৬ টাকা, ইস্ট ল্যান্ডের কাছে ১৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩৬ হাজার ১২৯ টাকা, এশিয়ার কাছে ১৮ কোটি ৪১ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৪ টাকা, ইসলামী কমার্শিয়ালের কাছে ১৭ কোটি ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ১১ টাকা, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কাছে ১৬ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের কাছে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২ হাজার ৪৩৭ টাকা পাওনা রয়েছে এসবিসির।

এছাড়াও এশিয়া প্যাসিফিকের কাছে ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ২২ হাজার ১৯১ টাকা, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের কাছে ১৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯১ টাকা, সোনার বাংলার কাছে ২ কোটি ৭৮ লাখ২০ হাজার ৯৭ টাকা, রিপাবলিকের কাছে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ টাকা, মার্কেন্টাইলের কাছে ১৪ কোটি ৫৪ লাখ ৮৯ হাজার ৩৮০ টাকা, সিটি’র কাছে ৮ কোটি ৬৪ লাখ ৩ হাজার ৯০৮ টাকা, প্রভাতীর কাছে ১০ কোটি ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৬২ টাকা, দেশ ইন্স্যুরেন্সের কাছে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৯ হাজার টাকা ও রিলায়েন্সের কাছে ১২ কোটি ৯৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৫ টাকা পাবে এসবিসি।

১০ কোটি টাকার নিচে পাওনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, বিডি করপোরেশন, বিডি ন্যাশনাল, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টালের, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন, ফেডারেল,গ্লোবাল, নিটলের, নর্দান, প্যারামাউন্ট, ফনিক্সের, প্রাইম, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড, ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড, সাউথ এশিয়ার, সিকদার ইন্স্যুরেন্স, সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স, পূরবী ইন্স্যুরেন্স এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পাওনা রয়েছে এসবিসি'র।

নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাধারণ বিমা করপোরেশনের কাছে বিমা দাবি পাওনা রয়েছে। পাওনাগুলো সমন্বয় করা হলে খুব বেশি টাকা বাকি থাকবে না।

প্রাইম ব্যাংক ও এসএসএস-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

প্রাইম ব্যাংক ও এসএসএস-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
প্রাইম ব্যাংক ও এসএসএস-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

প্রাইম ব্যাংক ও সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস (এসএসএস)-এর মধ্যে আর্থিক অন্তর্ভূক্তি কার্যক্রমের আওতায় ১০ টাকার হিসাবধারীদের মাঝে ঋণ বিতরণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

সম্প্রতি প্রাইম ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ বিজনেস অফিসার মো: তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ এবং সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিস (এসএসএস)-এর নির্বাহী পরিচালক মো: আব্দুল হামিদ ভূইয়া নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র