প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বলে জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম।

শনিবার (১৫ জুন) এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি ও তৈরি পোশাক খাত মালিকদের সংগঠনের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। ন্যাশনাল ভিশন, ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় প্রণীত এ বাজেটে জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এফবিসিসিআইর মতে এ বাজেট ব্যবসাবান্ধব এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।’

এ ধরনের একটি জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বাজেট দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী এবং বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ফাহিম বলেন, ‘বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, অবকাঠামো, অর্থ-সামাজিক, দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় এ বাজেট যুগোপযোগী।’

‘সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা ও স্বামীনিগৃহীতা নারী, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, চা শ্রমিকসহ সব উপকারভোগীর সংখ্যা ও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি করা মানবিক পদক্ষেপ। এ ছাড়াও যুবকদের মধ্যে ব্যবসা উদ্যোগ সৃষ্টির জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। মানসম্পন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান শেখ ফজলে ফাহিম।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বিনিয়োগ,শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে। এ সব অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আরও ভূমিকা রাখবে।’

বাজেটের ঘাটতি অর্থায়নে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন বাজেটে ঘাটতি পূরণে ব্যাংকখাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বৈদেশিক উৎস, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ড ও অন্যান্য ফিনান্সিয়াল টুলসের ওপর জোর দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যা চলতি বছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ এফবিসিসিআই এর মূল্যায়ন, সিম্পিল, ট্রান্সপারেন্ট,প্রেডিক্টেবল ও কনসিস্টেন নীতিমালায় হয়রানিমুক্ত রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক অটোমেশনের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

আপনার মতামত লিখুন :