Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেট ২০১৯-২০

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছে এফবিসিসিআই

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছে এফবিসিসিআই
এফবিসিসিআইয়ের নেতারা, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ (কালো টাকা) প্রোডাক্টিভ খাতে বিনিয়োগের যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

শনিবার (১৫ জুন) এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম সরকারকে স্বাগত জানান। এ সময় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি ও তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের সংগঠনের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফজলে ফাহিম বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে অগ্রসর হচ্ছে। কিন্তু এখানে এখনো অনেক অর্থ (কালো টাকা) ইনফরমাল-ইকোনমিতে (সাধারণ অর্থনীতির বাইরে) রয়েছে। সেই অর্থগুলোকে ফরমাল ইকোনমিতে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/15/1560592705996.jpg

আমরা প্রস্তাবনায় দেখেছি, অপ্রদর্শিত অর্থ সেটা কিন্তু কালো টাকা নয় অর্থাৎ বৈধভাবে উপার্জিত অর্থ কিন্তু যেটা দেখানো হয়নি। সেই টাকাও উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহৃত হয়নি। উৎপাদন খাতে আনার জন্য তাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা এটাকে স্বাগত জানাই।’

এর আগের দিন শুক্রবার (১৪ জুন) বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বিনিয়োগের সুবিধা দেয়া হবে।’

তিনি বলেন ‘অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ না থাকলে বিদেশে পাচার কিংবা কর ফাঁকির সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য যুক্তিসংগত কর প্রদান করে অপ্রদর্শিত আয় রিয়েল এস্টেট, অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্কে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। যদিও এই সুযোগ এক সময় ছিল।’

'নতুন ভ্যাট আইন আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তার আগে যেসব ক্রুটি রয়েছে এনবিআরের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো সংশোধন করে নেব।'

সব মিলিয়ে অর্থমন্ত্রীর ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব বলে মনে করেন সংগঠনের সভাপতি। তিনি বলেছেন, ন্যাশনাল ভিশন, ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় প্রণীত এ বাজেটে জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এফবিসিসিআই'র মতে এ বাজেট ব্যবসাবান্ধব এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।’

এ ধরনের একটি জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বাজেট দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী এবং বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন :

‘অনলাইনে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে’

‘অনলাইনে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, ছবি: সংগৃহীত

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার জন্য সব সেবা এখন অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, ‘আমদানি ও রফতানি অধিদফতরে অনলাইনে লাইসেন্সিং মডিউল (ওএলএম) চালু করা হলো। এতে করে ব্যবসায়ীদের জন্য সেবাগুলো অনলাইনে দেওয়া সম্ভব হবে।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে আমদানি-রফতানি অধিদফতর আয়োজিত অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউলের (ওএলএম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সাত দিনব্যাপী নিবন্ধন সনদ নবায়ন মেলা-২০১৯ এর উদ্বোধন করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। এতে করে ব্যবসায়ীদের অর্থ, শ্রম ও সময় সাশ্রয় হবে। ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে আর আমদানি-রফতানি অধিদফতরে আসার প্রয়োজন হবে না। আমদানি-রফতানি অফিস এখন ডিজিটাল।’

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল চালুর মাধ্যমে দেশে ব্যবসা বাণিজ্য সহজ করার ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। পেপারলেস ট্রেড সুবিধা দিতে আমরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তা বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসা পরিচালনার জন্য এরই মধ্যে অনেক শর্ত শিথিল করা হয়েছে, সংযুক্ত কাগজের সংখ্যা কমানো হয়েছে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীরা দাফতরিক কাজ শেষ করতে পারবেন। বিনয়ের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে,’ বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে টিকে থাকতে হলে পেপারলেস ট্রেডের বিকল্প নেই। দেশের সব ধরনের বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট কাজ ডিজিটাল হওয়া জরুরি। দেশের বাণিজ্য পরিচালনার সব কার্যক্রম সহজ করতে হবে।’

‘ব্যবসায়ীরা যাতে বাণিজ্য সংক্রান্ত সব সেবা সহজেই পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। সারা বিশ্বে আমরা প্রচার করছি, বাংলাদেশে সহজেই ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি। বাস্তবেও সেটা দেখাতে হবে। ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি সহজ ও ডিজিটাল করার বিকল্প নেই,’ যোগ করেন তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রাণেশ রঞ্জন সূত্রধর। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব এবং আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খানমসহ অনেকে।

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বুধবারও (১৭ জুলাই) মতিঝিলের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন দুপুর ২টার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিনিয়োগকারীরা। বেলা ৩টায় শেষ হয়।

‘খায়রুল তুই রাজাকার, কমিশনের গদি ছাড়’ স্লোগানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।

গুরুত্বপূর্ণ দাবি গুলো হচ্ছে-নতুন করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন ও প্লেসমেন্ট বন্ধ, ১০ হাজার কোটি টাকার নতুন ফান্ড গঠন, বোনাস শেয়ার ও রাইট শেয়ার দেওয়া বন্ধ ইত্যাদি।

বিক্ষোভে বিনিয়োগকারীরা বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে পতন অব্যাহত রয়েছে। শুরু থেকেই আমরা বাজারের পতন ঠেকাতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছি। কিন্তু এতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। কেউই আমাদের দিকে নজর দিচ্ছে না।

বিনিয়োগকারীরা বলেন, সত্যিকার অর্থে যদি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতায় কাজ করত তবে এত দিন পুঁজিবাজারে স্থিরতা চলে আসত।

বাজারের এই দুর্দশা ফেরাতে চলমান অস্থিরতা দূর করতে আবারও বিএসইসির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

এর ফলে টানা ছয়দিন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র