বাজেট পুঁজিবাজার বান্ধব, তবে আরও ৫ প্রণোদনা চায় ডিএসই

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বক্তব্য রাখছেন ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম, ছবি: বার্তা২৪.কম

বক্তব্য রাখছেন ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পুঁজিবাজার বান্ধব। তবে পুঁজিবাজারকে আরও স্থিতিশীল ও শক্তিশালী করতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজেটে আরও পাঁচ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

রোববার (১৬ জুন) ডিএসইর কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে এ এম মাজেদুর রহমান।

এ সময় অনেকের মধ্যে ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক রকিবুর রহমান, শরীফ আতিউর রহমান, মিনহাজ মান্নান ইমন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক মনোয়ারা হাকিম আলী উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর দাবিগুলো হচ্ছে এসএমই মার্কেটের লেনদেনের ওপর উৎসে কর অব্যাহতি, তালিকাভুক্ত-অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর ১০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ করা, স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে ট্রেজারি বিল এবং বন্ডের লেনদেনের ওপর কর অব্যাহতির বিষয়টি সুস্পষ্টকরণ, স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক হোল্ডারদের কাছ থেকে উৎসে কর সংগ্রহের হার কমানো এবং ডিমিউচুয়ালাইজেশন পরবর্তী স্টক এক্সচেঞ্জকে কর অব্যাহতি দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সম্ভব। তবে আরও কিছু প্রণোদনা দরকার। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যেসব প্রস্তাব রাখা হয়েছে, তাতে বাজারে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে। এসব প্রস্তাবনার মাধ্যমে বেসরকারি খাত আরো শক্তিশালী এবং বিকশিত হয়ে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে। যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আরো আকৃষ্ট করবে।

তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নগদ লভ্যাংশ পাওয়ার আশা করে। কিন্তু কোম্পানিগুলোর মধ্যে নগদের পরিবর্তে বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা তাদের প্রত্যাশিত প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কোম্পানিগুলোর বোনাস লভ্যাংশের পরিবর্তে নগদ লভ্যাংশ দেওয়াকে উৎসাহিত করার জন্য কোনো কোম্পানি বোনাস লভ্যাংশ দিলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বোনাস লভ্যাংশের ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর দেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাব করছি।

এর আগে সকালে বাজেটে ফ্ল্যাট বা জমি কেনা এবং ইকোনমিক জোনের মতো পুঁজিবাজারেও বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।

আপনার মতামত লিখুন :