Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশ ব্যাংকে ৮০ লাখ প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকে ৮০ লাখ প্রবাসীদের অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে
বাংলাদেশ ব্যাংক, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সব প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রণোদনার আওতায় আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০ লাখ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্তকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জাতীয় সংসদের প্রাক বাজেটের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে যাতে শিগগিরই কাজ শুরু করে। অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক আর্থিক বিভাগকে এ বিষয়ে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসী বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ওপর সরকার ২ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার এই প্রবাসীদের অ্যাকাউন্টের আওতায় আনা কষ্টকর হবে, বাংলাদেশে ব্যাংকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘৮০ লাখ মানুষকে ব্যাংকের আওতায় আনা খুব বেশি কষ্টকর হবে না। বাস্তবায়ন করা যাবে।’

কতোদিন লাগতে পারে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দিনক্ষণ বলা যাবে না। তবে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগীয় শাখাগুলো এ নিয়ে কাজ করছে। নতুন করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

কেবিনেট সূত্র জানায়, ৮০ লাখ প্রবাসী রেমিট্যান্সের আওতায় আসলে সরকার অতিরিক্ত ৩ হাজার ৩৬ কোটি টাকা রাজস্ব আয় পাবে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট বক্তৃতায় প্রবাসীদের ২ শতাংশ প্রণোদনার জন্য ৩ হাজার ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ঘুরছে দেশের অর্থনীতির চাকা। বৈধ চ্যানেলের পাশাপাশি অবৈধ তথা হুন্ডির মাধ্যমেও বিপুল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশে পাঠান প্রবাসীরা। তবে হুন্ডির মাধ্যমে যাতে প্রবাসীরা আর অর্থ না পাঠান সেজন্য নতুন অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার(১৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের যে বাজেট তিনি উপস্থাপন করেছেন, সেখানে এ প্রস্তাব আসে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেমিট্যান্সে এ ধরনের প্রণোদনা দেয়া হবে।

এই বাজেট পাস হলে আগামী ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা ১০০ টাকা দেশে পাঠালে ২ টাকা প্রণোদনা পাবেন। আর এ জন্য নতুন বাজেটে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তৃতায় মুস্তফা কামাল বলেন, ‘রেমিট্যান্স প্রেরণে বর্ধিত আয় লাঘব করা এবং বৈধ পথে অর্থ প্রেরণ উৎসাহিত করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত অর্থের ওপর আগামী অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান করা হবে।’ এর ফলে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং হুন্ডি ব্যবসা নিরুৎসাহিত হবে।

এ ছাড়া প্রবাসী কর্মীদের বীমা সুবিধায় আনার কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বীমা সুবিধা না থাকায় দুর্ঘটনা ও নানাবিধ কারণে প্রায়ই তাদের পরিবার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ জন্য প্রবাসী কর্মীদের বীমা সুবিধায় আনতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন অর্থমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র