Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এবারের বাজেটে লাভবান হবে তামাক কোম্পানিগুলো

এবারের বাজেটে লাভবান হবে তামাক কোম্পানিগুলো
ছবি: বার্তা২৪
তৌফিকুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্য বিড়ি, সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে তামাকের স্তর অপরিবর্তিত রেখেই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বাজেটে তামাক কোম্পানিগুলো বেশি লাভবান হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এতে তামাক সংক্রান্ত প্রস্তাবনা দেখে হতাশা প্রকাশ করছেন তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো।

শনিবার (১৭ জুন) এ নিয়ে বার্তা২৪.কমের কথা হয় তামাক নিয়ে কাজ করা কয়েক জন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে।

তামাক-কর নিয়ে কাজ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে যে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে, এখানে সিগারেটের ক্ষেত্রে যে চার স্তর বিশিষ্ট কর কাঠামো ছিল, সেটার কোনো পরিবর্তন হয় নাই। তামাক পাতা রপ্তানির ক্ষেত্রে ১০% হারে যে শুল্ক ছিল, সেটা এখন আর নাই। বাজেটে সেটা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে আসলে তামাকের চাষ এবং তামাক পাতা ব্যবসা আরও উৎসাহিত হবে।

বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন ফারুক বার্তা২৪.কমকে বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো এবারের বাজেটে অতিমাত্রায় লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এভাবে তামাক কোম্পানিগুলোকে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ দিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কখনই সম্ভব নয়। তামাকবিরোধীদের দীর্ঘদিনের দাবি- সিগারেটের স্তরসংখ্যা হ্রাস ও সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রচলন করা। কিন্তু এসবের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা এবারের বাজেট ঘোষণাতেও নেই। স্তরসংখ্যা অপরিবর্তিত রাখায় ভোক্তার সিগারেট স্তর পরিবর্তনের সুযোগ থেকে যাবে।

মাদকবিরোধী সংগঠন ‘প্রত্যাশা‘র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ বলেন, আমরা তামাকের ব্যাপারে হতাশ। তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো বাজেটের আগে যে প্রস্তাব দিয়েছিল, বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। লক্ষ্য করে দেখা যায়, সিগারেটের প্যাকেটে দুই টাকা করে দাম বেড়েছে। এটা আসলে লোক দেখানো যে, বিড়ি-সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। এটাকে আমরা শুভঙ্করের ফাঁকি বলতে পারি। বই-বাজেট দিয়ে সরকার তামাক কোম্পানির কাছে নতি স্বীকার করলো।

এদিকে, তামাক-বিরোধী সংগঠন ‘প্রগতির জন্য জ্ঞান’ (প্রজ্ঞা) এবং ‘অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স’ (আত্মা) তাদের এক বৃবিতে বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পূরক শুল্ক অপরিবর্তিত রাখায় প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পাবে মাত্র ২০ পয়সা, যা খুবই হতাশাজনক। সরকারের এই পদক্ষেপে বিগত বছরের তুলনায় মূল্যস্তর ভেদে তামাক কোম্পানিগুলোর আয় ৩১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। ফলে তামাক কোম্পানিগুলো এবারের বাজেটে ব্যাপকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র