Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৪ গুণী ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সম্মাননা প্রদান

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৪ গুণী ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সম্মাননা প্রদান
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৪ গুণী ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সম্মাননা প্রদান
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এবছর ৪ গুণী ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্মাননা- ২০১৯ প্রদান করেছে।

সোমবার (১৭ জুন) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজনদের হাতে স্বর্ণপদক, সম্মাননা স্মারক ও ৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এ. কে. এম. সাহিদ রেজা এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোঃ কামরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলে কবির বলেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। হতদরিদ্র, অসহায়, পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সমাজকে এগিয়ে নেওয়া গুণীজনদের সম্মান দেখানোর এ আয়োজন সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুসরণীয় বলেও মন্তব্য করেন গভর্নর।

‘মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্মাননা-২০১৯’ প্রাপ্ত ৫ গুণী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান হলোঃ

(শিক্ষায় ড. তোফায়েল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম, অর্থনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ক গবেষণায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ, শিল্প ও বাণিজ্যে আবুল কাশেম (আবুল খায়ের গ্রুপ) এবং ক্রীড়ায় মোঃ মোশাররাফ হোসেন খান (সাঁতারু)।

‘এমবিএল ইয়াং ব্যাংকার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ প্রদান

একই অনুষ্ঠানে পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত দেশের সেরা ৫ জন মেধাবী, তরুণ ব্যাংকারকে ‘এমবিএল ইয়াং ব্যাংকার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি  তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ২ লাখ টাকার চেক ও সনদ তুলে দেন।

‘এমবিএল ইয়াং ব্যাংকার্স অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ প্রাপ্ত ০৫ ব্যাংকার হলেনঃ

উজ্জল কুমার সিংহ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, সিরাজুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, এবি ব্যাংক লিমিটেড, এ কে এম হোসেনুজ্জামান, ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, তাওহীদ খান মজলিস, ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ও মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন, ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান এ. কে. এম. সাহিদ রেজা ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা, শাখা, আমানত সংগ্রহসহ সব সূচকে অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, গত ২০ বছরের পরিশ্রমে মার্কেন্টাইল ব্যাংক একটি টেকসই ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও করপোরেট সুশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান  মোঃ আব্দুল হান্নান ও এ.এস.এম. ফিরোজ আলম, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ুন), ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ডঃ মোঃ রহমত উল্লাহ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. আমানউল্লাহ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিঃ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম, পরিচালক মোরশেদ আলম , শহিদুল আহ্সান, মোঃ আনোয়ারুল হক ও আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত গ্রাহক, উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারগণ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, উর্ধ্বতন নির্বাহী, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী
ব্যবসা সম্মেলনে বক্তব্য দেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেছেন, ‘দেশের বিনিয়োগে অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকায় প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত জেএইচএম গ্রুপের ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এসব একথা বলেন।

সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পখাতের বিকাশে বেসরকারি উদ্যোগে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে শিল্প মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। দেশে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে ঢাকায় একটি শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের জেএইচএম গ্রুপ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন নতুন ভারী ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জেএইচএম গ্রুপের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বিপ্লব এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্প প্রতিমন্ত্রী জেএইচএম গ্রুপের শ্রেষ্ঠ ডিলারদের পুরস্কার প্রদান করেন।

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা তাহেরা বেগম একজন গৃহকর্মী। স্বামী সাজিম উদ্দিন রিকশা চালক। তিনি পপুলার লা্ইফ ইন্স্যুরেন্সে ২০১৩ সালে ‘একক বিমা’ করেন। টানা তিনটি কিস্তিও দিয়েছেন। কিন্তু এরপর এজেন্ট আর খোঁজ খবর নেয়নি। একবছর পর সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করলে তারা জানান, নতুন করে পলিসি করতে হবে। আগের পিলিসির মেয়াদ শেষ।

একই কথা বলেছেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পলিসি হোল্ডার রূপা সাহা। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘২০০৯ সালে আমি চট্টগ্রাম শাখায় বিমা করেছিলাম। আড়াই বছর পলিসির টাকা কিস্তি পরিশোধও করি। কিন্তু এরপর এজেন্ট কিস্তি নিতে না আসায় আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১৫ সালে বকেয়া কিস্তি পরিশোধ করতে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন নিয়ম কানুন দেখিয়ে নতুন করে পলিসি করতে বলে।’

গত এক বছরে এভাবেই নতুন সাড়ে চার লাখ পলিসির টাকা দেশের ৩২টি জীবন বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে। গ্রাহকদের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাড়ি-গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে লুটে নিচ্ছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপকক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইডিআরএ’র তথ্য মতে, ২০১৭ সালে সরকারি-বেসরকারি ৩২ বিমা কোম্পানির পলিসির সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৪২টিতে। ফলে এক বছরে নতুন পলিসির সংখ্যা বেড়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫টি। টাকার অংকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

অবাক করার বিষয় হলো, গত এক বছরে বিমা কোম্পানিগুলোতে নতুন পলিসি ইস্যু বেড়েছে মাত্র ৭ হাজার। ২০১৭ সালে পলিসির সংখ্য ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭টিতে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানিরগুলো নতুন করে পলিসি করতে আগ্রহী নয় বরং গ্রাহকদের অর্থ লুপাটের নেশায় নিমজ্জিত।

এদিকে বিমা কোম্পানির এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত হতাশাব্যাঞ্জক’ বলে মনে করে আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এক প্রতিবেদেনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশিরভাগ পলিসিরই প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম দেওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে তামাদি হয়ে যাচ্ছে। প্রথম পলিসি নেওয়ার পর এজেন্টরা আর গ্রাহকদের কাছে যাচ্ছেন না। তারা প্রথম বর্ষের কমিশন নিয়েই নতুন পলিসি খুঁজছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পলিসি হারিয়ে গেলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে এজেন্টদের তদারকি করা হচ্ছে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর পলিসিগুলো তামাদি হয়ে যাচ্ছে। তাতে বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আইডিআরএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদায়ী বছরের তামাদি বিমার শীর্ষে রয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দ্বিতীয় স্থানে প্রাইম ইসলামী লাইফ, তৃতীয় স্থানে মেটলাইফ ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে- হোমল্যান্ড লাইফ, রুপালী লাইফ, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, পপুলার লাইফ, সন্ধানী লাইফ, পদ্মা ইসলামী লাইফ, সানফ্লাওয়ার, ডেল্টা লাইফ, প্রগতি লাইফ, মেঘনা লাইফ, সানলাইফ, জেনিথ ইসলামী লাইফ, ডায়মন্ড লাইফ, প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ, বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ, এনআরবি গ্লোবাল, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ, যমুনা লাইফ, আলফা ইসলামী লাইফ, বেস্ট লাইফ, সোনালী লাইফ, স্বদেশ লাইফ, গার্ডিয়ান লাইফ এবং চ্যাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

সার্বিক বিষয়ে আইডিআরএ নির্বাহী পরিচালক খলিল আহেমেদ বার্তাটোয়েন্টফোর.কম-কে বলেন, ‘বিমার ওপর সাধারণ মানুষের অস্থা নেই। তাই কোম্পানির তামাদি পলিসি সংখ্যা বাড়ছে। বিমা সেক্টরকে আস্থায় ফেরাতে তামাদি পলিসির সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এটি নিয়ে কাজ করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র