অর্থমন্ত্রী-এনবিআর চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে অবস্থান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

বিড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুমিল্লার লাকসামে অর্থমন্ত্রী এবং নরসিংদীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন বিড়ি শ্রমিকরা। একই সঙ্গে দেশব্যাপী শতাধিক স্থানে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন তারা।

বুধবার (১৮ জুন) দেশব্যাপী একযোগে মানববন্ধন ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন। এসব কর্মসূচিতে হাজারো বিড়ি শ্রমিক অংশ নেন।

এদিন বেলা ১১টায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কুমিল্লার লাকসামের বাড়ির সামনে মানববন্ধন করেন বিড়ি শ্রমিকরা। একই সময় বিড়ি শ্রমিকরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার নরসিংদীর বাড়ির সামনে অবস্থান নেন।

এছাড়াও বাগেরহাটের মোল্লারহাট, নাভারন-সাতক্ষীরা মোড়, বরিশাল, ময়মনসিংহ-বাইপাস, শেরপুর বাসস্ট্যান্ড, টাংগাইল-ঢাকা বাইপাস রোড, কিশোরগঞ্জ বড়পুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভৈরব দুর্জয় মোড়, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ এসএস রোড, বগুড়া ফুটকি বাজার, রংপুর হাইওয়ে, পাবনাসহ দেশের শতাধিক স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560854278717.jpg
বিভিন্ন জেলায় আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা জানান, প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির ওপর অযৌক্তিকভাবে কম দামি সিগারেটের চেয়ে ৪ গুণ বেশি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। বিড়িতে ২৪.২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে কম দামি সিগারেটে মাত্র ৫.৭১ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিড়ির সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ করা হয়েছে অর্থাৎ ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে বহুজাতিক কোম্পানির কমদামি সিগারেট ও বেশি দামি সিগারেটের সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে দেশীয় কুটির শিল্প বিড়ি কারখানা বন্ধ হয়ে এ দেশের অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, পঙ্গুসহ লাখো শ্রমিক কর্মহারা হবে।

বক্তারা আরো জানান, সাবেক অর্থমন্ত্রী বিড়ি শিল্প বন্ধের জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন ২০৩০ সাল আর সিগারেট শিল্প বন্ধের সময় দিয়েছেন ২০৪০ সাল পর্যন্ত। যা বিড়ির ওপর চরম বৈষম্যমূলক আচরণ।

মানববন্ধ থেকে বক্তারা দাবি করেন—
১. বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা করতে হবে।
২. বিড়ির ‘সম্পূরক শুল্ক’ কমিয়ে ভারতের মতো প্রতি হাজারে ১৪ টাকা করতে হবে।
৩. সিগারেটে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করতে হবে।
৪. বিড়ির ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :