Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বাড়বে

সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বাড়বে
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সংশোধিত বাজেটে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেছেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এবারের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে। তবে সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ অনেকখানি বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য মন্ত্রণালয় বিশেষ বরাদ্দ পাবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। আগামী অর্থবছরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনেক বেশি বাড়বে, যা সংস্কৃতি কর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বুধবার (১৯ জুন) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কে এম খালিদ।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার বিবরণ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা অপেরা হাউজ নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রতি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র-কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৪০০ আসন বিশিষ্ট মিলনায়তন, ২৫০ আসন বিশিষ্ট সিনেপ্লেক্স, মুক্তমঞ্চ ও ক্যাফেটেরিয়া নির্মিত হবে; যার নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন নকশা অনুযায়ী মনোমুগ্ধকর স্থাপত্যের গণগন্থাগার, অধিদপ্তর ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। কপিরাইট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। জাতীয় আর্কাইভস ডিজিটালাইজেশন ও আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার স্মৃতিবিজড়িত রোজ গার্ডেনে মহানগর জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে একটি সাংস্কৃতিক বলয় নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও সংস্কৃতি চর্চা প্রসারের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিককালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, নওগাঁ ও দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঞা, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিলীপ কুমার সাহা, বাংলা একাডেমির সচিব আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এর আওতাধীন ১৭টি দপ্তর/সংস্থার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থার পক্ষে স্ব স্ব দপ্তর/সংস্থা প্রধানরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র