Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'দেশে ধনী বৃদ্ধির হার যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি'

'দেশে ধনী বৃদ্ধির হার যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি'
প্রেসক্লাবে প্রস্তাবিত বাজেট ২০১৯-২০ এর ওপর মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে এখন অতি ধনী বৃদ্ধির হার বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন একশন এইড বাংলাদেশের পরিচালক আসগর আলী সাবরি।

তিনি বলেছেন, 'ধনী বৃদ্ধির হারে বিশ্বে আমরা দ্বিতীয়। সরকারি তথ্যমতে, পাঁচ শতাংশ মানুষের কাছে যে পরিমাণ সম্পদ আছে তা বাকি ৯৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। এর থেকে বোঝা যায়, প্রবৃদ্ধি সমভাবে ভাগ করা হচ্ছে না। যেই প্রক্রিয়ায় বাজেট করা হচ্ছে এতে ধনীরা আরও ধনী, আর গরিবরা আরও গরিব হয়ে পড়ছে।'

সোমবার (২৪ জুন) প্রেসক্লাবে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের উদ্যোগে প্রস্তাবিত বাজেট ২০১৯-২০ এর ওপর মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, 'আমাদের দেশে কালো টাকার পরিমাণ অনেক বেশি। কালো টাকার পরিমাণ জিডিপির ৪০ শতাংশের বেশি। সরকার এদের সুযোগ করে দিয়েছে, ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার।'

তিনি আরও বলেন, 'তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এই বরাদ্দে তিন কোটি তরুণের জন্য কর্মসংস্থান কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তার সঠিক কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।'

বাজেটে বৈষম্যের সৃষ্টি না করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গড়ে তুলতে এবং বাজেট কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর দাবি জানান তিনি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাকেনুজ্জান রতন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র