Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নিয়ম না মেনে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন মোরশেদ আলম

নিয়ম না মেনে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন মোরশেদ আলম
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন মোরশেদ আলম, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিয়মনীতি ও আইনের তোয়াক্কা না করে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স (এনএলআই) কোম্পানির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিতব্য মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় মোরশেদ আলমকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হতে পারে। ব্যাংকের একাধিক পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যাংকটির একজন পরিচালক বলেন, 'চলতি বছরের ২০ জুন অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় বেশিরভাগ সদস্যই মোরশেদ আলমকে চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নিতে চাননি। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান একেএম সাহিদ রেজা একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হওয়ায় পরপর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এবছরও পরিচালকরা সাহিদ রেজাকে চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়েছিলেন। তখন মোরশেদ আলম একটি সংস্থার ভয় দেখিয়ে নিজের নাম চেয়ারম্যান হিসেবে পাস করিয়ে নিয়েছেন।'

তিনি আরও বলেন, 'বাৎসরিক সভা (এজিএম) অনুষ্ঠানটি মোরশেদ আলম নিজের লোকদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। যে কারণে এজিএমে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পছন্দের কাউকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে পারেননি। কোনো কথা বলার সাহস পাননি।'

ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ২৩-এর ১(ক) উপধারায় বলা হয়েছে, 'কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যাংক কোম্পানির পরিচালক হলে একই সময়ে তিনি অন্য কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক থাকবেন না। তবে এই আইন কার্যকর হওয়ার পর হতে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে কোনো বিমা কোম্পানির পরিচালক থাকতে পারবেন।'

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩-এর ২৫-এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে, ‘আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা একাধিক ব্যাংক কোম্পানির পরিচালক থাকবেন না।'

তবে প্রস্তাবিত ফিন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০১৪-এর ২৭-এর ১(ক) উপধারায় বলা হয়েছে, 'ফিন্যান্স কোম্পানির কোনো পরিচালক একই সময়ে অন্য কোনো ফিন্যান্স কোম্পানি বা ব্যাংক কোম্পানির পরিচালক থাকবেন না।'

জানা গেছে, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। বিমা ও ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালনকালে তিনি অন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বিমা কোম্পানির পরিচালক বা চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। অথচ জনগণের ভোটে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন।

বিমা আইনের ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে, 'অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো বিমা কোম্পানির কোনো পরিচালক একই সঙ্গে কোনো বিমা, কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে পারবেন না।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য গকুল চাঁদ দাস বলেন, 'বিমা আইন অনুযায়ী একই ব্যক্তি একই সঙ্গে কোনো বিমা ও ব্যাংকে পরিচালক পদে থাকতে পারেন না।'

একই ব্যক্তি ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির পরিচালক পদে আছেন, এ ধরনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মোরশেদ আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র