Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সরকারি কর্মকর্তাদের এনালগ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান

সরকারি কর্মকর্তাদের এনালগ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান
কর্মশালায় বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল যুগে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর কাজের বেলায় এনালগের সংস্কৃতির খোলস থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

শনিবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর এনইসি ভবনে স্টেকহোল্ডারর্স কনসালটেশসন ওয়ার্কশনপ অন এডিপি-আরএডিপি বাজেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এবিএমএস) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের টাকা খাচ্ছেন। তাদের জন্য কাজ করেন। দিনের কাজ দিনে শেষ করবেন, বসিয়ে রাখবেন না। আপনি কাউকে ভয় পাবেন না। এখানে মন্ত্রী-সচিব সবাই সমান। আমরা নিজের কাজগুলো নিজেরা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু ডিজিটাল যুগে এসেও এনালগ যুগের কাজ করব না। আমাদের কাজ স্লো হলে জাতির জন্য মঙ্গলকর হবে না।’

ডিজিটাল ডাটাবেইজ সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে উন্নয়ন বাজেট ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের বাবস্তায়ন পর্যালোচনামূলক কর্মশালায় এম এ মান্নান বলেন, ‘সরকারি প্রকল্পগুলোতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে। কিন্তু কাজের বেলায় কিছুই হচ্ছে না। কাজের প্রতি দরদ নেই। আপনারা এই খোলসের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসুন। খোলসে কেবল জনগণের ক্ষতি হয় না, সরকারেরও ক্ষতি হয়। আমাদের মধ্যে অসংখ্য জনজাট আছে। আসুন এগুলো বাদ দেই।’

যে কোনো জায়গায় ফাইল নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে আপনারা নিজের পছন্দ মতো ফাইল নিয়ে আসেন। কিন্তু জনকল্যাণমূলক ফাইল আনেন না, এটা করবেন না। আমি আপনাদেরকে বিশ্বাস করে সব ধরনের ফাইল অনুমোদন করে দেই।

কর্মশালায় পরিকল্পনা সচিব নূরুল আমিন বলেন, ‘বছরের শেষ বেলা এসে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ফাইল পাঠাচ্ছে অর্থ ছাড়ের জন্য। প্রকল্পগুলোর সঠিকভাবে বাস্তবায়ন নিয়ে আমার যথেষ্ট চিন্তা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামীতে এসব প্রকল্প ১৫ জুনের মধ্যে শেষ করার জন্য বলা হবে। আমরা সব ফাইল অনলাইন ভিত্তিক করব। যাতে ফাইল নিয়ে দৌঁড়ঝাপ করতে না হয়। আমাদের অফিস হবে পেপার লেস।’

প্রকল্প কার্যক্রম বিভাগের প্রধান খলিলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ পেশ করেন প্রকল্প পরিচালক ছায়েদুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র