Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রতিবন্ধীদের চাহিদার তুলনায় বাজেট খুবই অপ্রতুল

প্রতিবন্ধীদের চাহিদার তুলনায় বাজেট খুবই অপ্রতুল
জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণ করে জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম জানিয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সামাজিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর খাতে বাজেটের মাত্র ২.১৯ শতাংশ যা মোট বাজেটের ০.৩১ শতাংশ। যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাহিদার তুলনায় এবারের বাজেট খুবই অপ্রতুল।

রোববার (৩০ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছেন ফোরামের মহাসচিব ড. সেলিনা আখতার।

লিখিত বক্তব্যে ডক্টর সেলিনা আক্তার বলেছেন, 'এ বাজেট প্রতিবন্ধীদের জন্য গতানুগতিক ভাতা ও কিছু সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এবারের বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা বরাদ্দের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী মোট বরাদ্দের ৮৫.৩৩ শতাংশ। ভাতা নির্ভর বাজেট প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উৎপাদনমুখী উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে।'

তিনি বলেন, 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিলেও বাজেটে এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের অভাব রয়েছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার অন্তর্ভুক্তি ছাড়া তাদের উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব আমাদের বোধগম্য নয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তি ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে অগ্রাধিকার হিসেবে শতভাগ বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিশু বাস্তব পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও বাজেটে স্পষ্ট নয়।'

ফোরামের মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, 'বাজেট প্রণয়নের পূর্বে অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময় করলেও আমাদের জানা মতে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি, তাহলে কীভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাহিদার প্রতিফলন বাজেটে ঘটবে।'

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি মো. সাইদুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনজামুল আলম মনির, সহ-সভাপতি দিলীপ কুমার ঘোষ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র