Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফুড প্রসেসিং খাতে বিনিয়োগ করবে আমিরাত

ফুড প্রসেসিং খাতে বিনিয়োগ করবে আমিরাত
বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের পতাকা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ফুড প্রসেসিং খাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ মোহাম্মদ আলমেহিরি বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ফুড প্রসেসিং খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখাতে বিনিয়োগ করতে চায়।

আন্তর্জাতিক মানের ফুড প্রসেসিং ল্যাব ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনে বিনিয়োগ করার বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের এখাতেও বিনিয়োগ করার আহবান জানান শিল্পমন্ত্রী।

আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের ফুড প্রসেসিং খাতের আন্তর্জাতিক মান অর্জনে আরব আমিরাতের একটি সার্টিফিকেশন প্রতিষ্ঠান এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এতে আরব আমিরাতের জনগণের কাছে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি হবে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য প্রচুর জমি রয়েছে। দেশে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা প্রাইভেট ও জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে যেকোন খাতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পাদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্কেন্ডেনেভিয়ান দেশগুলোতে জাহাজ রফতানি করছে। আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগ করার অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। চলতি বছরের শেষের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইকোনমিক মিনিস্টার বাংলাদেশ সফরের পূর্বে সম্ভাবনাময় খাতসমূহে বিনিয়োগের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও শিল্পমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইকোনমিক মিনিস্টারের বাংলাদেশ সফরের সময় এ সকল খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

সাক্ষাতকালে স্টিল, সিমেন্ট, গ্যাস, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সুগন্ধি, গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, মধু ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানানো হয়। এছাড়া আরব আমিরাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করে সেই জনশক্তিকে আরব আমিরাতে বিভিন্ন কাজে নিয়োগ প্রদানের আহবান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র