Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন মোরশেদ আলম

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন মোরশেদ আলম
মোরশেদ আলম, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স (এনএলআই) কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে বেসরকারি খাতের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন মোরশেদ আলম।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪৫তম সভায় মোরশেদ আলমকে নির্বাচিত করা হয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থেকেই মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে চেয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ২৬ জুন 'নিয়ম না মেনে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন মোরশেদ আলম' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা২৪.কম। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নজরে এলে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স থেকে পদত্যাগ করেন মোরশেদ আলম। পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পর্ষদ সভা ডাকা হয়।

বার্তা২৪.কম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মনীতি ও আইনের তোয়াক্কা না করে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স (এনএলআই) কোম্পানির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যাংকটির একজন পরিচালক বলেন, 'চলতি বছরের ২০ জুন অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় বেশিরভাগ সদস্যই মোরশেদ আলমকে চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নিতে চাননি। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান একেএম সাহিদ রেজা একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হওয়ায় পরপর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এবছরও পরিচালকরা সাহিদ রেজাকে চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়েছিলেন।'

তবে ২৭ জুন অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পর্ষদ সভায় মোরশেদ আলম পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে ৪ জুলাই আবার পর্ষদ সভা ডেকে মোরশেদ আলমকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র