Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সাধারণ বিমা করপোরেশনে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বিমা

সাধারণ বিমা করপোরেশনে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বিমা
ছবি: সংগৃহীত
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথমবারের মত সাধারণ বিমা করপোরেশনের সঙ্গে ঝুঁকি কমাতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ‘ইন অরবিট’ (কক্ষ পথ) বিমা করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই বিমার প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার ৩১৮ দশমিক ১৯ ইউরো, যা বাংলাদেশি দেশি টাকায় ৬ কোটি ৪৭ লাখ ২৫ হাজার ২২৮ দশমিক ৫ টাকা। সাধারণ বিমা করপোরেশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বছরের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এক বছরের জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়াকে বাদ দিয়ে দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা হচ্ছে। এতে দেশের সম্পদ দেশেই থাকছে বলে মনে করেন বিমা সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র মতে, ১০ জুলাই ২০১৯ তারিখ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বিমা চুক্তি শেষ। আর ১১ জুলাই থেকে সেই বিমা সাধারণ বিমা করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তি বন্ধ হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য বিটিআরসিকে বিমা বাবদ ৬ লাখ ৮১ হাজার ৩১৮ দশমিক ১৯ ইউরো। এর মধ্যে শুধু প্রিমিয়াম বাবদ দিতে হবে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৪৫০ দশমিক ৬০ ইউরো। যা টাকার অংকে ৫ কোটি ৬২ লাখ ৮২ হাজার ৮০৭ টাকা। তার সঙ্গে ভ্যাট দিতে হবে ৮৮ হাজার ৮৯৭ দশমিক ৫৯ ইউরো, যা টাকার অংকে ৮৪ লাখ ৪২ হাজার ৪১১ টাকা।

সার্বিক বিষয়ে সাধারণ বিমা করপোরেশনের ডেপুাটি জেনারেল ম্যানেজার (পুনঃবিমা) জাকির হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, অনেক চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বিমা সাধারণ বিমা করপোরেশের সঙ্গে হচ্ছে। দেশের সম্পদ দেশে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাতে দেশের বিমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। সাধারণ বিমা করপোরেশেনে দেশি বিমা কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি কোম্পানিগুলো বিমাগুলো বিমা করতে উৎসাহিত হবে।

তিনি বলেন, বিটিআরসি দায়িত্বে থাকা পরিচালক রিয়াজ-উল-কাদেরও আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে। সে সময় মহাকাশের ১০২ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে কক্ষপথ বরাদ্দ চেয়ে জাতিসংঘের অধীন সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নে (আইটিইউ) আবেদন করে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের ওই আবেদনের ওপর ২০টি দেশ আপত্তি জানায়।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ চুক্তি: ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।

অর্থায়ন: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি।

নির্মাণ: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে ‘থ্যালাস অ্যালেনিয়া’ নামের প্রতিষ্ঠানটি। স্যাটেলাইটের কাঠামো তৈরি, উৎক্ষেপণ, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূ-স্তরে দুটি স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানটির।

কেনা হয় কক্ষপথ: স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ এবং তা কক্ষপথে রাখার জন্য রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনা হয়। মহাকাশে এই কক্ষপথের অবস্থান ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে প্রায় ২১৯ কোটি টাকায় ১৫ বছরের জন্য এই কক্ষপথ কেনা হয়।

জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট: ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ কৃত্রিম উপগ্রহটি একটি জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট বা ভূস্থির উপগ্রহ। এতে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য।

বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট কোম্পানি: মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনার জন্য ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে।

উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান ও উৎক্ষেপণকারী রকেট: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করে এ বছরের ৩০ মার্চ একটি বিশেষ উড়োজাহাজে উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছে দেয় থ্যালাম অ্যালেনিয়া স্পেস। মার্কিন রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এই স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে কেনেডি স্পেস সেন্টারে স্পেসএক্সের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ে উড়বে ‘ফ্যালকন নাইন’ রকেট।

বাংলাদেশে গ্রাউন্ড স্টেশন: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের পর এর নিয়ন্ত্রণ নিতে গাজীপুরের তেলীপাড়া ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় গ্রাউন্ড স্টেশন প্রস্তুত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী
ব্যবসা সম্মেলনে বক্তব্য দেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেছেন, ‘দেশের বিনিয়োগে অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকায় প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত জেএইচএম গ্রুপের ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এসব একথা বলেন।

সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পখাতের বিকাশে বেসরকারি উদ্যোগে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে শিল্প মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। দেশে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে ঢাকায় একটি শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের জেএইচএম গ্রুপ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন নতুন ভারী ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জেএইচএম গ্রুপের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বিপ্লব এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্প প্রতিমন্ত্রী জেএইচএম গ্রুপের শ্রেষ্ঠ ডিলারদের পুরস্কার প্রদান করেন।

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা তাহেরা বেগম একজন গৃহকর্মী। স্বামী সাজিম উদ্দিন রিকশা চালক। তিনি পপুলার লা্ইফ ইন্স্যুরেন্সে ২০১৩ সালে ‘একক বিমা’ করেন। টানা তিনটি কিস্তিও দিয়েছেন। কিন্তু এরপর এজেন্ট আর খোঁজ খবর নেয়নি। একবছর পর সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করলে তারা জানান, নতুন করে পলিসি করতে হবে। আগের পিলিসির মেয়াদ শেষ।

একই কথা বলেছেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পলিসি হোল্ডার রূপা সাহা। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘২০০৯ সালে আমি চট্টগ্রাম শাখায় বিমা করেছিলাম। আড়াই বছর পলিসির টাকা কিস্তি পরিশোধও করি। কিন্তু এরপর এজেন্ট কিস্তি নিতে না আসায় আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১৫ সালে বকেয়া কিস্তি পরিশোধ করতে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন নিয়ম কানুন দেখিয়ে নতুন করে পলিসি করতে বলে।’

গত এক বছরে এভাবেই নতুন সাড়ে চার লাখ পলিসির টাকা দেশের ৩২টি জীবন বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে। গ্রাহকদের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাড়ি-গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে লুটে নিচ্ছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপকক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইডিআরএ’র তথ্য মতে, ২০১৭ সালে সরকারি-বেসরকারি ৩২ বিমা কোম্পানির পলিসির সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৪২টিতে। ফলে এক বছরে নতুন পলিসির সংখ্যা বেড়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫টি। টাকার অংকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

অবাক করার বিষয় হলো, গত এক বছরে বিমা কোম্পানিগুলোতে নতুন পলিসি ইস্যু বেড়েছে মাত্র ৭ হাজার। ২০১৭ সালে পলিসির সংখ্য ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭টিতে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানিরগুলো নতুন করে পলিসি করতে আগ্রহী নয় বরং গ্রাহকদের অর্থ লুপাটের নেশায় নিমজ্জিত।

এদিকে বিমা কোম্পানির এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত হতাশাব্যাঞ্জক’ বলে মনে করে আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এক প্রতিবেদেনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশিরভাগ পলিসিরই প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম দেওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে তামাদি হয়ে যাচ্ছে। প্রথম পলিসি নেওয়ার পর এজেন্টরা আর গ্রাহকদের কাছে যাচ্ছেন না। তারা প্রথম বর্ষের কমিশন নিয়েই নতুন পলিসি খুঁজছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পলিসি হারিয়ে গেলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে এজেন্টদের তদারকি করা হচ্ছে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর পলিসিগুলো তামাদি হয়ে যাচ্ছে। তাতে বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আইডিআরএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদায়ী বছরের তামাদি বিমার শীর্ষে রয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দ্বিতীয় স্থানে প্রাইম ইসলামী লাইফ, তৃতীয় স্থানে মেটলাইফ ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে- হোমল্যান্ড লাইফ, রুপালী লাইফ, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, পপুলার লাইফ, সন্ধানী লাইফ, পদ্মা ইসলামী লাইফ, সানফ্লাওয়ার, ডেল্টা লাইফ, প্রগতি লাইফ, মেঘনা লাইফ, সানলাইফ, জেনিথ ইসলামী লাইফ, ডায়মন্ড লাইফ, প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ, বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ, এনআরবি গ্লোবাল, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ, যমুনা লাইফ, আলফা ইসলামী লাইফ, বেস্ট লাইফ, সোনালী লাইফ, স্বদেশ লাইফ, গার্ডিয়ান লাইফ এবং চ্যাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

সার্বিক বিষয়ে আইডিআরএ নির্বাহী পরিচালক খলিল আহেমেদ বার্তাটোয়েন্টফোর.কম-কে বলেন, ‘বিমার ওপর সাধারণ মানুষের অস্থা নেই। তাই কোম্পানির তামাদি পলিসি সংখ্যা বাড়ছে। বিমা সেক্টরকে আস্থায় ফেরাতে তামাদি পলিসির সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এটি নিয়ে কাজ করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র