Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রামে বিজ্ঞানচিন্তা-বিকাশ’র বিজ্ঞান উৎসব

চট্টগ্রামে বিজ্ঞানচিন্তা-বিকাশ’র বিজ্ঞান উৎসব
‘বিকাশ’ ও ‘বিজ্ঞানচিন্তা’র বিজ্ঞান উৎসব, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্বাবনী সব প্রকল্প, নানা প্রশ্ন-উত্তর, দেশসেরা বিজ্ঞানী ও অধ্যাপকদের বিজ্ঞানবিষয়ক বক্তৃতা, রোবট প্রদর্শনী, বিজ্ঞান ম্যাজিক, বিজ্ঞানের মজার বইয়ের সঙ্গে পরিচিতিসহ আরো অনেক আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিজ্ঞান উৎসব।

মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’ এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক মাসিক পত্রিকা ‘বিজ্ঞানচিন্তা’র যৌথ আয়োজনে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শুক্রবার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়।

দেশব্যাপী স্কুল শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে উৎসাহী করতেই এই উদ্যোগ শুরু হয় ঢাকা থেকে। তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামে এই বিজ্ঞান উৎসব আয়োজন করা হয়। সামনে অনান্য বিভাগীয় শহরেও আয়োজিত হবে এবং সব শেষে ঢাকায় গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রামের বিজ্ঞান উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানচিন্তার সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম, প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক কবি বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট বেগম কামরুন নাহার, বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার, বিকাশের পক্ষ থেকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সায়মা আহসান, বিভিন্ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ আরো অনেকে।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উৎসবে বিভাগটির ৩০টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা দলগতভাবে ৪০টি প্রকল্প উপস্থাপন করে। উৎসবের আগে নিবন্ধনের ভিত্তিতে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে এই প্রকল্পগুলো প্রর্দশিত হয়। কুইজ পর্বেও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞান প্রকল্পে এবং কুইজে বিজয়ীদের পুরস্কারও বিতরণ করা হয় এবং এখান থেকে ১০টি প্রকল্প জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচন করা হয়।

বিজ্ঞান উৎসব সম্পর্কে বিকাশের চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে না পারলে আমরা পিছিয়ে যাব। এই মেধাবীদের পাশে থাকতে পেরে বিকাশ গর্বিত। আশা করি, এটা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলবে এবং তাদের চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটাবে। যেভাবে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সারা বিশ্ব এগিয়ে চলছে তাতে আমাদের ছেলে-মেয়েদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকবে, এই স্বপ্ন দেখি।

বিজ্ঞান চিন্তার সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম বলেন, দারুণ সব প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে এই উৎসবে যেগুলোর অনেকগুলোই হয়তো বাস্তবে কাজেও লাগাতে পারব আমরা। এতে যেমন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উৎকর্ষ সাধিত হবে, তেমনি মেধাবী এই ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদেরকে ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। এটা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে।

উল্লেখ্য, ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানি ইন মোশন, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং অ্যান্ট ফিনান্সিয়ালের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’। ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি বিভিন্ন ধরনের মোবাইল/ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র