Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

আরও ৩ পোশাক কারখানার কর্মীরা বেতন পাবেন বিকাশে

আরও ৩ পোশাক কারখানার কর্মীরা বেতন পাবেন বিকাশে
ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শীর্ষস্থানীয় আরও তিনটি পোশাক কারখানা তাদের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করবে বিকাশে। এ লক্ষ্যে ডিজাইনার ফ্যাশন লিমিটেড, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশ এবং তারা গ্রুপ বিকাশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান তিনটির ১২ হাজার কর্মী তাদের বেতন পাবেন বিকাশে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষরিত চুক্তি হস্তান্তর করেন বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) কামাল কাদীর, ডিজাইনার ফ্যাশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জসীম উদ্দিন, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এঞ্জেলো লিয়ানাগে এবং তারা গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত তারা স্পিনিং লিমিটেডের হেড অব ফিন্যান্স মো. ইয়াকুব আলী ও এনায়েতপুর স্পিনিং লিমিটেডের ডিজিএম মো. মুশফেকুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৮০টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের দুই লক্ষাধিক কর্মী বিকাশে তাদের বেতন পাচ্ছেন। সেবাটি ক্রমেই গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ এবং কর্মীদের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন তিনটি পোষাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানও এই সেবার অন্তর্ভুক্ত হলো।

প্রচলিত পদ্ধতিতে নগদ টাকায় গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন দেওয়া সব পক্ষের জন্যই ব্যয়বহুল, সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া বেতন পরিশোধের দিনে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়, অপচয় হয় শ্রমিকদের কর্মঘণ্টাও। অনেক কারখানাই বিকাশের মতো ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজে, কম সময়ে, কম খরচে বেতন পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে। বেতন পরিশোধ ব্যবস্থায়ও এসেছে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা। ডিজিটাল এই ব্যবস্থায় সমস্ত লেনদেনের রেকর্ড থাকায় কোথাও কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলেও তা সহজেই দূর করা যায়।

শুধু সহজে বেতন পাওয়াই নয়, কর্মীরা বেতন পাওয়ার সাথে সাথে বিকাশ একাউন্টের টাকা অন্য বিকাশ একাউন্টে পাঠানো, মোবাইলের এয়ারটাইম কেনা, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ করা কিংবা বিভিন্ন দোকানে পেমেন্ট করাসহ নানান সেবা নিতে পারছেন। এছাড়া সারাদেশের দুই লক্ষাধিক বিকাশ এজেন্টের যেকোনো পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনে ক্যাশ আউটও করতে পারছেন, এমনকি একাউন্টে টাকা জমা রেখে স্বল্পমাত্রায় মুনাফাও অর্জন করতে পারছেন তারা।

এদিকে, কোনো ঝামেলা ছাড়াই সহজে এবং সঠিকভাবে অ্যাকাউন্টে বেতন পাওয়া ও তা ব্যবহারের পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে বিকাশের পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকাশের চিফ কর্মাশিয়াল অফিসার (সিসিও) মিজানুর রশীদ, হেড অব গভর্নমেন্ট প্রজেক্ট অ্যান্ড বিজনেস সেলস মাসরুর চৌধুরী, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের করপোরেট ফিন্যান্স বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জয় সরকার, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশের সিএফও জাকির হোসেইনসহ সব প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

উভয় পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে

উভয় পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে
শেয়ার বাজার নিম্নমুখী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সূচক কমে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৩ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩৬ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৭৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০ কোটি ৯৭ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক বাড়ে ৩ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক নেতিবাচক হতে থাকে। বেলা ১টায় সূচক ২ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ২টায় সূচক ৫ পয়েন্ট কমে। কিন্তু বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২২৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৩ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৫টির, কমেছে ২১৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

রোববার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ওরিয়ন ফার্মা, সিলকো ফার্মা, বিকন ফার্মা, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, ফরচুন সু, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, মুন্নু সিরামিকস, জেএমআই সিরিঞ্জ এবং বেক্সিমকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ৩৬ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ৬০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ১৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- সন্ধানী ইনস্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, সিলকো ফার্মা, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, শাশা ডেনিমস, হাক্কানি পাল্প, কেবিপিপিডব্লিউবিআইএল, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং এবং ইউনাইটেড এয়ার।

ব্যাংকিং খাতকে বেগবান করতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী

ব্যাংকিং খাতকে বেগবান করতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী
এনইসি সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সিইও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় অর্থমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংক চাইলে দেশের ব্যাংকিং খাতকে আরো বেশি বেগবান করতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরে বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সিইও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা অনেক বড়। তাদের যে এক্সারসাইজ, তাদের যে অবস্থান ব্যাংকিং খাতে; এই চারটি ব্যাংক চাইলেও সার্বিকভাবে আমাদের ব্যাংকিং খাতকে বেগবান রাখতে পারে।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা আলোচনায় সুনির্দিষ্টভাবে কিছু রাখিনি। আজকে আমরা একে অপরকে জানব, তাদের জন্য আমাদের শুভ কামনা থাকবে সবসময়। তারা আমাদেরকে একটি কর্মপরিকল্পনা দেবেন, কীভাবে এই ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী করা যায়, আরও বেগবান করা যায়-এ বিষয়ে আজকে তারা আমাদেরকে অবহিত করবেন। এজন্য আজকে আমরা এখানে বসেছি।’

সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র