Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

তারপরও চামড়া পাচারের শঙ্কায়

তারপরও চামড়া পাচারের শঙ্কায়
কোরবানির চামড়া, পুরনো ছবি
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানির যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সক্রিয় হয়ে উঠেছে চামড়া পাচারের সিন্ডিকেট। ফলে পর্যাপ্ত লবণ মজুদের পাশাপাশি সহজ শর্তে চামড়া কিনতে ৬০০ কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দেওয়ার পরও কোরবানির চামড়া পাচারের শঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, সিন্ডিকেটরা মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করে কম দামে কাঁচা চামড়া কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসব চামড়ার বড় একটি অংশ ভারতে পাচার করারও চেষ্টা করছে। ফরিয়া ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দর কম বলে ট্যানারি ব্যবসায়ীরা নিজের প্রয়োজনে বেশি চামড়া কিনছেন না।

এর ফলে একদিকে চামড়ার প্রকৃত দামও পাচ্ছেন না মালিকরা। অন্যদিকে দেশের গরুর চামড়া বিদেশে পাচার হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তবে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে, ব্যবসায়ীদের আপত্তির পরও গত বছরের চেয়ে এবার গরুর চামড়ার দাম কমানো হয়নি। বরং গরুর চামড়ার প্রধান উপকরণ লবণ, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত লবণ মজুত রাখা হয়েছে। এবারের কোরবানি ঈদে ঢাকার প্রতি বর্গফুট গরু ও মহিষের চামড়ার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গরু ও মহিষের চামড়ার পাশাপাশি খাশির কাঁচা চামড়ার দাম সারাদেশে প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা ও বকরির চামড়ার দাম ১৩ থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই হারে দুম্বার চামড়ার দামও নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হাজী মো. দেলোয়ার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বিশ্ববাজারে চামড়ার দাম অনেক কম।এ কারণে রফতানিও বেশি হয় না। ফলে ব্যবসায়ীরাও চামড়া কিনতে চায় না। তাই এবারও চামড়া পাচারের শঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, অথচ এই চামড়া পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বাংলাদেশের চামড়ার ব্যাপক চাহিদা আছে। শুধু তাই নয়, ওদের লোকাল মার্কেটও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বড়। তাই ভালো দামের আশায় দেশের একশ্রেণির অসাধু চক্র কোরবানির ঈদ ঘিরে চামড়া পাচারের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছে; যা দেশের চামড়া শিল্পকে আরও ক্ষতির দিকে ঠেলে দেবে।

ব্যাংকিং সূত্র মতে, চামড়া খাতে দেয়া ঋণ সহজে আদায় হয় না। বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। তারপরও শিল্পের স্বার্থে কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে এবার ৬০৫ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি চার ব্যাংক সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংক।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, চামড়াশিল্পের স্বার্থে কাঁচা চামড়া সংগ্রহে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। যার সিংহভাগই দিয়ে থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত এই চার ব্যাংক। প্রতিবছর ঈদুল-আজহার আগে এ ঋণ দেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী যারা আগের বছরের ঋণ পুরোপুরি শোধ করে শুধু তারাই এ ঋণ পায়। তবে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের বিবেচনায় অনেক প্রতিষ্ঠান ঋণ দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মালিক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কম। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে দাম কমানোর কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারার গত বছরের মতেই দাম নির্ধারণ করেছে। তবে চামড়ায় পরিমাণ মত লবণ দিলে চামড়া ঠিক থাকলে ন্যায্য মূল্য পাবে, চামড়াও পাচার হবে না। কিন্তু লবণের দাম বাড়লে কিংবা প্রয়োজনীয় লবণ না পেলে চামড়া পাচার হওয়ার শঙ্ক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা
রিং সাইন টেক্সটাইল, ছবি: সংগৃহীত

বস্ত্র খাতের রিং সাইন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা। অনুমোদিত মূলধন লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি মাত্রা অতিরিক্ত প্লেসমেন্ট থাকায় কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের কাছে গত ২২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। একই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগ, ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে।

৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে উল্লেখ করে সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রসপেক্টাস অনুসারে ২০১৩ সালে রিং সাইনের মূলধন ছিল ১৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা। এরপর প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে ১৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। এখন আবারও নতুন করে আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো কোম্পানিটি।’

‘বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন হলো- ১৩৭ কোটি টাকা দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া কোম্পানির প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার পর ১৫০ কোটি টাকাসহ মোট ২৯৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার উত্তোলনের অনুমোদন পেল কিভাবে?’

‘অন্যান্য কোম্পানির মতোই যদি এই প্লেসমেন্ট শেয়ার তারা ৩০-৪০ টাকা করে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় তাহলে মার্কেট থেকে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা উধাও হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন: রিং সাইনের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ আগস্ট

‘পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে নতুন করে বিশাল এই অর্থ ইস্যুয়ার কোম্পানির পকেটে চলে গেলে এই টাকা কখনো আর বাজারে আসবে না। কোম্পানির প্রসপেক্টাসের ৩১৭ পৃষ্ঠায় (কম্পারিজন রেশিও উইথ দ্যা ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ অফ দ্যা সেইম পিরিয়ড) কোম্পানি নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে, তাদের বর্তমান অবস্থার অনেক কিছুই ‘ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ’ থেকে অনেক কম।’

‘এখন পুঁজিবাজারে দুর্দশা চলছে। বিশেষ করে টেক্সটাইলের অবস্থা সবচাইতে করুণ। এই দুর্দশার মধ্যে কীভাবে কোম্পানিটি শুধু আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেল।’

‘এর আগের আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা অ্যাপোলো ইস্পাত, ফ্যামিলি টেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, সিএন টেক্স, রিজেন্ট টেক্স, তুংহাই নিটিংসহ অনেক অনেক কোম্পানির দুর্নীতির কথা সকলের জানা। এই কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করার পর অ্যাপোলো ইস্পাতের ফ্যামিলি টেক্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের মতোই অবস্থা হবে না তার কোনো গ্যারান্টি নেই।’

‘সুতরাং বিষয়গুলো বিবেচনা করে রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিওর অনুমোদন বাতিল করা হোক। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বর্তমান কমিশন যতো আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে তার বেশিরভাগই খারাপ কোম্পানি। এই রিং সাইন কোম্পানির অবস্থাও খারাপ, ভুয়া প্রসপেক্টাস তৈরি করে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন বাতিল চাই।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিয়ম মেনেই আইপিওর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক কারণ হলে প্রয়োজনে বাতিল করা হবে।’

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১০ টাকা দামের ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে আইপিওর আবেদনের সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে। চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচ বাবদ ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

অনুমোদিত ৪৪০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য চলতি বছরের ১২ মার্চ কমিশন অনুমোদন দেয়।

বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, দামে নাখোশ ক্রেতারা

বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, দামে নাখোশ ক্রেতারা
বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি

জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ মাছ। বাজারেও ইলিশের ছাড়াছড়ি। শুধু বাজার নয়, পাড়া মহল্লার অলি-গলিতেও ‘ইলিশ মাছ, ইলিশ মাছ; বলে হাঁক ছাড়ছেন মাছ বিক্রেতারা।

শনিবার( ২৪ আগস্ট) সকালে কারওয়ান বাজারের ইলিশ মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মধ্যরাত থেকে ট্রাকে ট্রাকে মাছ আসে এখানে। ভোর থেকে সরগরম হতে শুরু করে ইলিশের বাজার।সকালের দিকে ব্যবসায়ীরা সারি সারি মাছ নিয়ে বসে রয়েছেন। ছোট বড় সব ধরনের মাছ রয়েছে। ক্রেতা টানতে, বিভিন্ন ধরনের হাঁক ছাড়ছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে মাছ কিনতে ভিড় করছেন। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ বেশিরভাগ ক্রেতাই।

এ বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়, ১ কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। এছাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর থেকে ছোট ইলিশ মাছ কেজিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566629026031.jpg

নাসরিন আক্তার নামে এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাজারে যে পরিমাণ ইলিশের সরবারহ আছে দামটা সেই পরিমাণে কমেনি। আরেকটু কম হলে ঠিক হতো’।

বাজার করতে আসা মোখলেছুর রহমান মাছের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘জানতে পেরেছি মাছের আড়তে দাম অনেক কম, পর্যাপ্ত মাছও ধরা পড়েছে। তবে যখন এই মাছগুলো আমাদের মত সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তখন সেগুলোর দাম খুব একটা কম হচ্ছে না। এর ফলে আমরা ক্রেতা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আর যেসব জেলেরা মাছ ধরছেন তারা পাচ্ছেন না ন্যায্যমূল্য’।

বেসরকারি চাকরিজীবী হাবিব মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'ইলিশ মাছের দাম কম পত্রিকার খবর দেখেই মাছ কিনতে এলাম।বাজারে এসে মাছের দাম খুব একটা কম মনে হলো না’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566629096014.jpg

এদিকে ইলিশ মাছের দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ মানতে নারাজ মাছ ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বাজারে মাছ সরবরাহ ভালো, আর দামও অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক কম।  

মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইলিয়াছ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'এখন ইলিশ মাছের সিজন দাম যথেষ্ট কম এক কেজি ইলিশ মাছ আমরা ৯০০ টাকায় বিক্রি করছি। অন্যান্য সময় ২০০০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। সে তুলনায় দাম যথেষ্ট কমেছে'।

দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রেতাদের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। দাম যতই কম রাখেন না কেন-ক্রেতারা কখনো খুশি হবেন না। আমরা যে দামে মোকাম থেকে মাছ এনেছি তার থেকে কিছুটা লাভে বিক্রি করার চেষ্টা করছি। বাড়তি দাম রাখার কোনো সুযোগ নেই’।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র