Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিইটিপি নির্মাণে চাইনিজ ঠিকাদারের অসহযোগিতা

সিইটিপি নির্মাণে চাইনিজ ঠিকাদারের অসহযোগিতা
ঊর্মি মাহবুব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঢাকা: কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চামড়া শিল্প ব্যবসায়ীরা। কবে নাগাদ শেষ হবে সিইটিপি নির্মাণ কাজ-এই প্রশ্ন এখন চামড়া শিল্পনগরীর সবার। চাইনিজ ঠিকাদার জিয়াংসু লিংজাই এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন কোম্পানি লিমিটেড কাজে যথাযথ সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

সাভারে চামড়া শিল্প পার্কের প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)। আর বিসিক থেকেই চাইনিজ ঠিকাদার কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে।

বিসিক থেকে জানা যায়, সিইটিপি নির্মাণ কাজের জন্য চাইনিজ ঠিকাদার কোম্পানিকে সাতবার সময় বৃদ্ধি করে সুযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা সহায়তা করছে না। সর্বশেষ চলতি বছরের মার্চ মাসে তাদের জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে ২৮ জুলাই পর্যন্ত। এর মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেবে সরকার।

এ বিষয়ে বিসিকের প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বার্তা২৪.কমকে বলেন, সিইটিপি নির্মাণের কাজে চাইনিজ কোম্পানি খুব একটা সহযোগিতা করছে না এটা সত্য। তবে আমরা আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সিইটিপি নির্মাণের কাজ শেষ করতে আরো সময় লাগবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মতে, সিইটিপি নির্মাণের কাজ এখনো ৩০ শতাংশ বাকি আছে। যদিও বিসিকের দাবি কাজ বাকি আছে ১০ শতাংশ। 

সলিড বর্জ্য নিয়েই সবচেয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। পঁচা গন্ধ তৈরি হচ্ছে,  দূষণ হচ্ছে পরিবেশ। গন্ধের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের থাকাই মুশকিল হয়ে পড়ছে। পরিবেশ দূষণের কারণে ২০১৪ সালে চামড়া শিল্পের নামকরা ইউরোপীয়ান ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে চলে যান।

ঈদুল আযহার আগে সিইটিপির কাজ শেষ না হলে চামড়া শিল্প নগরীর ব্যবসায় ধ্বস নামতে পারেন বলে মনে করছেন ট্যানারি মালিকরা।

সিমিন লেদারস এর কর্মকর্তা ফয়সাল আহেমদ বলেন, এখন আমরা কোনো রকমে কাজ চালিয়ে নিচ্ছি। আশেপাশের এলাকার লোকজন প্রতি মুহূর্তে আমাদের কাছে দূষণ নিয়ে অভিযোগ করছেন। যখন কারখানার পানি ছাড়া হয় তখন নদীতে মাছ মরে যাচ্ছে। এলাকাবাসী আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু আমরা কি করবো। এসব বর্জ্য সিইটিপির মাধ্যমে শোধনাগার করার কথা ছিলো। কিন্তু সিইটিপিই নির্মাণ হয়নি। ক্রেতারাও বারবার প্রশ্ন করছে পরিবেশ দূষণের বিষয়ে কিন্তু আমরা উত্তর দিতে পারছি না। 

একমাত্র পরিবেশ দূষণের কারণে ইউরোপীয়ান ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যানারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, গত এক বছরে আমাদের রফতানির দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন ব্যবসার কি অবস্থা। রফতানি কমছে উল্লেখযোগ্য হারে। আমাদের এখানে পরিবেশ দূষণের অযুহাতে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আসছেন না । কিন্তু সিইটিপির বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা বিসিককে জানিয়েছি। এই ঈদুল আযহার আগে যদি সিইটিপির কাজ শেষ না হয় তাহলে অনেক কারখানা আমাদের বন্ধ করে দিতে হবে।

চামড়া শিল্প নগরীতে বর্তমানে ১১২টি ট্যানারি রয়েছে। কাজ করছে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। ইপিবির (বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসে গত বছরের তুলনায় চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি কমেছে প্রায় ৬২৮ কোটি টাকা।

 

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র