ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনকারীদের কেউ ছাড় পাবে না

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোযেন্টিফোর.কম
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

গেল আট মাসে ৮৯৩টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত ও তাদের বিরুদ্ধে মামলার পাশাপাশি ৬৫ হাজার ১০০টি নোংরা ও নন-ফুডগ্রেড জার ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর মহাপরিচালক মুয়াজ্জেম হোসাইন।

তিনি বলেন, ‘ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনকারী ছোট-বড় কোন প্রতিষ্ঠানই ছাড় পাবে না।’

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ে ‘বিএসটিআইতে শিক্ষা’ সফরের অংশ হিসেবে নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসটিআই মহাপরিচালক বলেন, ‘পণ্যের মানের বিষয়ে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। মানসম্পন্ন পণ্যের নিশ্চয়তা বিধান বিএসটিআাই’র দায়িত্ব। বিএসটিআই সে দায়িত্ব পালন করতে যে কোনো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

সম্প্রতি বিএসটিআই’র কার্যক্রম তুলে ধরে মহাপরিচালক বলেন, গত আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) সময়ে ৩ হাজার ৮৪০টি লাইসেন্স নবায়ন ও দেওয়া হয়েছে। এক হাজার ৭৫২টি মোবাইল কোর্ট-সার্ভিল্যান্স টিম পরিচালনা করে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায়।

এছাড়া ওজন ও মানদণ্ড আইন-২০১৮ অনুযায়ী ওজন ও কারচুপি রোধে ১১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২২৫টি মামলা দায়ের করা হয়। একই আইনে ৯৬৩ টি স্কোয়াড-বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এক হাজার ৪০০টি মামলা দায়ের করা হয়।একই সময়ে ৪ লাখ ৮১ হাজার ২৯টি যন্ত্রপাতির ক্যালিব্রেশন ও ভেরিফকেশন করা হয়।

উল্লেখ্য, পণ্যের মানের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিএসটিআই ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি এই প্রথম বারের মতো শিক্ষা সফরের আয়োজন করে। এর মাধমে এসকল শিক্ষার্থীরা তাদের বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজনদের পণ্যের মান বিষয়ে সচেতন করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। পরবর্তীতে জনসচেতনতা তৈরিতে শিক্ষা সফরের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। 

আপনার মতামত লিখুন :