Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে হিরো আলম

প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে হিরো আলম
ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন বগুড়া ৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে চাওয়া আলোচিত হিরো আলম।

রোববার (৯ ডিসেম্বর) হাইকোর্টে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট কাওসার আলী রিট  দায়ের করেন।

১০ জনের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়ায় ২ ডিসেম্বর হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এরপর কমিশনে আপিল করলেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি

৬ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন হিরো আলমের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে।  সেদিন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিরো আলম বলেছিলেন, হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, মাঠ ছাড়ছি না, উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে বগুড়া-৪ আসনে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে হিরো আলম পরবর্তীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণ মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশ

ধর্ষণ মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশ
হাইকোর্ট

 

দেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর হত্যা মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইনের বেঁধে দেওয়া সময়ে (১৮০দিন) দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ধর্ষণের পৃথক তিন মামলায় তিন আসামির জামিন আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

শুনানিতে আদালত বলেছেন, তিন বছরের শিশু ধর্ষিত হবে আর বিচার হবে না এটা দুঃখজনক।

আদেশে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের আলোকে সাত দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাকি ছয় দফা হলো—

# নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ২০ ধারার বিধান অনুসারে ধর্ষণ মামলার শুনানি শুরু হলে শেষ পর্যন্ত একটানা শুনানি করতে হবে।

# সাক্ষী উপস্থিতের ধার্য দিনে তা নিশ্চিত করতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), সিভিল সার্জনের একজন প্রতিনিধি নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটি প্রতিমাসে সুপ্রিম কোর্ট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে।

# প্রসিকিউশন ধার্য তারিখে সঙ্গতকারণ ছাড়া সাক্ষী উপস্থিত করতে ব্যর্থ হলে তদারকি কমিটিকে জানাবে।

# দ্রুত সময়ে সাক্ষী হাজির করতে কমিটি সমন জারি তদারকি করবে।

# ধার্য দিনে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞরা সন্তোষজনক কারণ ব্যতীত সাক্ষ্য প্রদানে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও বেতন বন্ধের আদেশ দেবেন।

# আদালত আশা করে সরকার অবিলম্বে সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করবে।

আদালতের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

আদালত আদেশে আসামি মো. রাহেল ওরফে রায়হান ও সেকেন্দার আলীর জামিন না মঞ্জুর করেন এবং আসামি মো. সারোয়ার রুবেলকে জামিন দিয়েছেন।

আদালতে আসামিদের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মাহবুব ও মনিরুজ্জামান আসাদ, মো. গোলাম আকতার জাকির ও মার্জিয়া জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শাহানা পারভীন, হাসিনা মমতাজ ও মৌদুদা বেগম।

মো. রাহেল ওরফে রায়হানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারাধীন। ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গত বছর ২৮ জুন মামলাটি দায়ের করা হয় বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানায়। মামলার বাদী ওই শিশুর পিতা। গত ১ জুলাই বগুড়ার আদালতে তার জামিন না মঞ্জুর হলে রাহেল হাইকোর্টে আপিল আবেদন করেন।

অন্যদিকে ডেমরায় তৃতীয় শ্রেণির ৮ বছরের শিশুকে গত বছরের ১৭ মার্চ ধর্ষণ করেন ৫৪ বছরের সেকান্দার আলী। তিনদিন পর ডেমরা থানায় মামলা করেন শিশুটির মা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় ১৮ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সারওয়ার রুবেল ও এমরানের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর মামলা করা হয়। এদের দুইজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। চলতি বছর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে।

এ মামলায় সারওয়ার রুবেল এক বছরের জামিনে থাকা অবস্থায় গত ২৯ মে জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। পাঁচদিন পর আবার জামিনের মেয়াদ বাড়াতে আদালতে গেলে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন এ আসামি।

রাজশাহীতে স্ত্রীকে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর ফাঁসি

রাজশাহীতে স্ত্রীকে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর ফাঁসি
কারাগারে নেওয়া হচ্ছে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়নাল হক, ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে স্ত্রীকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করার দায়ে আয়নাল হক (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজশাহী মহানগর দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক এইচএম ইলিয়াস হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আয়নাল হক রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ পবা উপজেলার বায়া ভোলাবাড়ি গ্রামের একরাম আলীর ছেলে। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল সকালে পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ির সামনে আয়নাল প্রকাশ্যে তার স্ত্রী সাফিয়া খাতুন ওরফে বুলবুলিকে (২৫) গলা কেটে হত্যা করেন। ঘটনার পর সেদিনই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ঘটনার পরদিন রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানায় আয়নালের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন বুলবুলির বাবা জয়নাল আলী। পবা উপজেলার মদনহাটি গ্রামে জয়নালের বাড়ি। মামলায় ২০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছিল। আদালত তাদের সবার সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করা হলো।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুস সালাম জানান, আসামি আয়নাল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তাছাড়া ঘটনাটি ঘটেছিল প্রকাশ্যে। সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর ভিত্তিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এ রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। আসামি অবশ্য এ রায়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আয়নাল হক আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

আয়নালের মা শাহেদা বেগম দাবি করেন, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে আয়নাল একদিন কাজে গিয়ে চারদিন বসে থাকতেন। আর সারাক্ষণ বাড়িতে বক বক করতেন। এ রায়ে তিনি অসন্তুষ্ট। ছেলের সাজা কমানোর জন্য তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র