Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের মামলা দ্রুত শুনানি: অ্যাটর্নি জেনারেল

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের মামলা দ্রুত শুনানি: অ্যাটর্নি  জেনারেল
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম / ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের মামলাটি আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সময় তিনি এ প্রসঙ্গটির কথাও জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন হাইকোর্টের আদেশে বাতিল হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আপিল বিভাগে মামলা বিচারাধীন আছে।’

বিচারাধীন বিষয়ে কোনো নির্বাহী আদেশ দেওয়া যাচ্ছে না বলে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য যথার্থ বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘যে কোনো রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার প্রধান উদ্দেশ্য কি? ক্ষমতায় যাওয়া। ক্ষমতায় যেতে হলে নির্বাচন করতে হবে। যদি তার (রাজনৈতিক দলের) লাইসেন্সই না থাকে তাহলে তিনি কীভাবে নির্বাচন করবেন। আর যারা নাকি নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন ছাড়া রাজনীতি করতে চায়, সেগুলো তো আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতি। সে সমস্ত রাজনীতি আমাদের দেশের সাধারণ জনগণ অ্যাকসেপ্ট করে না। তাদেরকে রাজনীতি করতে দেয়ার জন্য সুযোগ সুবিধা দিতে রাষ্ট্রেরও বাধ্যবাধকতা নাই। কাজেই বাস্তবতা হলো, রাজনীতি করতে হলে ইলেকশন কমিশন থেকে একটি অনুমোতি থাকতে হবে, লাইসেন্স থাকতে হবে। সেই লাইসেন্সটাই বাতিলের জন্য মামলাটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন আছে। অfমরা আশা করি অতি তাড়াতাড়ি এটার শুনানির ব্যবস্থা নিতে পারব।’

নতুন নামে জামায়াত রাজনীতি শুরু করতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘হিটলার তো নাই। কিন্তু হিটলারের ভাবাদর্শ নিয়ে যদি কোনো রাজনীতি শুরু হয়, সেটা কি বুঝতে জার্মান পিপলদের অসুবিধা হবে। জামায়াতের ক্ষেত্রেও একইভাবে বলব, কেউ যদি জামায়াতি ভাবধারায় রাজনীতি শুরু করতে চায় সেটা কি সাধারণ জনগণ বুঝবে না।’

নিবন্ধন ছাড়া রাজনীতি করা যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে বা জাতীয় আদর্শের উল্টা ভূমিকা নিলে সেসব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়। আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটা করা সম্ভব না (নিবন্ধন ছাড়া রাজনীতি)।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘নিবন্ধন যদি বাতিল হয়ে যায় আমার মতে, আপনা আপনি দল বাতিল হয়ে যায়, আর রাজনীতি করতে পারবে না।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল
ফার্স্ট ফাইনান্সে ৫ পরিচালক নিয়োগ দেন এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু/ ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মিয়া নুর উদ্দিন অপুর অর্থায়নে বেনামি চারটি কোম্পানির মনোনীত পাঁচ পরিচালককে তদন্ত করে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন শেয়ার হোল্ডারের আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ, এম কে রহমান ও এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান।

পৃথক রুলে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ‘এ আদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালকের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেওয়া উচিত হবে না।’

চারটি কোম্পানি হলো- আলফাবেট এসোসিয়েট লিমিটেড, অপারচর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, রাকাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও কাসরাজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

গত ২ জুলাই মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেছিলেন ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডার মো. মনিরুজ্জামান। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপুর মনোনীত পরিচালকরা হলেন- রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, আমিনুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, মহিন ও মইনুল হাসান।

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য
রমনায় বোমা হামলা, পুরনো ছবি

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ দুই জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্মল কান্তি বড়ুয়া ও ইটিভির সাংবাদিক রাসেল হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তারা ঢাকার প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। আগামী ১ আগস্ট পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভুক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৩৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হলো।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনো চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র