Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

অভিজিৎ হত্যার আসামি ফারাবী আইসিটি মামলায় খালাস

অভিজিৎ হত্যার আসামি ফারাবী আইসিটি মামলায় খালাস
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার আসামি শফিউর রহমান ফারাবীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের এক মামলায় খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১০ এপ্রিল) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস্ সামশ জগলুল হোসেন এ রায় প্রদান করেন। আইসিটি মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের রায় দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার জন্য আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

শফিউর রহমান ফারাবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের কলাম ছাপানোর জন্য পত্রিকাটির সম্পাদক নঈম নিজামকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

২০১৫ সালের ১৪ মার্চ ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (রমনা জোন) ফজলুর রহমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরে ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল ফারাবীর বিচার শুরু হয়।

অভিজিত হত্যা মামলায় যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাসা থেকে ফারাবীকে আটক করে র‌্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা মামলা: পেপারবুক তৈরি হলে শুনানি হবে হাইকোর্টে

গ্রেনেড হামলা মামলা: পেপারবুক তৈরি হলে শুনানি হবে হাইকোর্টে
গ্রেনেড হামলা। ছবি: সংগৃহীত

২১ আগস্টের নৃশংস ও ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা মামলায় ১০ মাস আগে বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়। তবে উচ্চ আদালতে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়নি। মূলত পেপারবুক প্রস্তুত না হওয়ায় শুনানি শুরু হচ্ছে না।

উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য পেপারবুক তৈরি করতে হয়। পেপারবুকের এক মলাটে মামলার এজাহার, তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ পত্র, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য, রায় ও যাবতীয় দলিল থাকে।

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেল সূত্রে জানা গেছে, পেপারবুক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এটি তৈরি হলে দ্রুত শুনানির জন্য পদক্ষেপ নেবে রাষ্ট্রপক্ষ। তখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি হতে পারে দেশব্যাপী আলোচিত এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালত আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হয়। মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মামলার সকল নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। এর মধ্যে দণ্ডিত আসামি কারাগারে থাকলে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রায়ের বিরুদ্ধে তাকে আপিল করতে হয়। বিচারিক আদালতের নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক তৈরি করে। পরে মামলার ক্রম অনুসারে শুনানির জন্য আসে কার্যতালিকায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বা চাঞ্চল্যকর মামলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির পদক্ষেপ নিতে পারে। এ জন্য প্রয়োজন হয় প্রধান বিচারপতির সম্মতির।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, পেপারবুক তৈরি হলে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের দ্রুত শুনানির পদক্ষেপ নেবেন। বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল যেমন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি হয়েছিল, ২১ আগস্ট মামলায়ও সেরকম হতে পারে। তবে কখন শুনানি হতে পারে এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে সময় বলে দেয়া সম্ভব নয়। পেপারবুক তৈরি হলে দ্রুত শুনানির পদক্ষেপ নেবেন।

অন্যদিকে পেপারবুক তৈরির অগ্রগতি জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, দুইজন মুদ্রাক্ষরিক পেপারবুক টাইপ করার কাজ শুরু করেছেন। একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রার এটি তদারকি করছেন। টাইপ শেষ হলে বিজি প্রেসে পেপারবুক ছাপানোর জন্য পাঠানো হবে।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গত বছরের ১০ অক্টোবর পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। যাবজ্জীবন দণ্ড দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১১ জনকে।

এক মাস পর মামলার রায় ও ৩৭ হাজার ৩৮৫ পৃষ্ঠার নথি পৌঁছে হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায়।

রায়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তারা হলেন- ১. লুৎফুজ্জামান বাবর, ২. মো. আব্দুস সালাম পিন্টু, ৩. মাওলানা মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, ৪. মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, ৫. মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, ৬. মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডাক্তার জাফর, ৭. মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, ৮. আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মাদ ওরফে জিএম, ৯. মহিবুল্লাহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি, ১০. আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, ১১. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ১২. হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, ১৩. হোসাইন আহম্মেদ তামিম, ১৪. মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, ১৫. মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাউফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ, ১৬. মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন, ১৭. মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ১৮. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম এবং ১৯. মো. হানিফ।

১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। তারা হলেন- ১. তারেক রহমান, ২. হারিছ চৌধুরী, ৩. মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব, ৪. মাওলানা সাব্বির আহমদ, ৫. হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, ৬. আরিফ হাসান ওরফে সুমন, ৭. শাহাদত উল্যাহ ওরফে জুয়েল, ৮. আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, ৯. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ, ১০. মহিবুল মুত্তাকিন, ১১. আনিসুল মুরছালিন, ১২. মোহাম্মদ খলিল, ১৩. জাহাঙ্গীর আলম বদর, ১৪. মো. ইকবাল, ১৫. লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, ১৬. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ১৭. মুফতি শফিকুর রহমান, ১৮. মুফতি আবদুল হাই এবং ১৯. রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু।

১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড হয়েছে। তারা হলেন- ১. পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আশরাফুল হুদা ও ২. শহিদুল হক, ৩. খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, ৪. লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ৫. ডিজিএফআইয়ের মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, ৬. ডিএমপির সাবেক উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, ৭. সাবেক উপ-কমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান, ৮. সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খোদা বক্স চৌধুরী, ৯. সিআইডির সাবেক বিশেষ সুপার মো. রুহুল আমিন, ১০. সাবেক এএসপি আবদুর রশিদ, ১১. সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে দুই বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে নৃশংস ও ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

ওই ঘটনায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতা-কর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন।

মুক্তিযোদ্ধা সোবহান হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বহাল

মুক্তিযোদ্ধা সোবহান হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বহাল
নিহত মুক্তিযোদ্ধা সোবহান, ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চাঞ্চল্যকর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৯ আসামির সাজার রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্টে। সাজার বিরুদ্ধে আসামিদের করা জেল আপিল খারিজ করে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিচারিক আদালতের যাবজ্জীবন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজা বহাল থাকা ৯ আসামি হলেন- আইয়ুব আলী, মো. এরশাদুর রহমান, শহীদুল ইসলাম খোকন, মো. ইলিয়াস, মো. বকতিয়ার, শামসুল ইসলাম ওরফে শামসু, আবুল হাসেম, নজরুল ইসলাম ওরফে নজু ও মো. ইব্রাহিম। কারাগারে থাকা অবস্থায় দণ্ডিত এসব আসামি জেল আপিল করেন। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন। হাইকোর্ট এদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ এ এন এম বশির উল্লাহ ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলায় ২১ আসামির মধ্যে ১৭ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। বাকি চারজনের মধ্যে দুইজন মৃত। এছাড়া খালাস পান দুইজন। এ রায়ের বিরুদ্ধে ৯ আসামি জেল আপিল করেন হাইকোর্টে। পলাতক থাকায় বাকি আটজন আপিল করেননি।

আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন, আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মো. খুরশীদ আলম খান, ফখরুল ইসলাম, মাহবুবা হক, মো. রফিকুল ইসলাম মিয়া, তপন কুমার দে, শংকর প্রসাদ দে ও মোসাব্বির হোসেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম, মো. আশিক মোমিন ও মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মামুনুর রশিদ, মো. আব্বাস উদ্দিন, আনিসুর রহমান ও মো. কাজী ইলিয়াস উর রহমান।

১৯৯১ সালের ৩০ অক্টোবর স্থানীয় রানীরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সোনারগাঁও পৌঁছলে আইয়ুব বাহিনীর সদস্যরা আবদুস সোবহানকে অপহরণ করে স্থানীয় পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে যায়। পরে তাকে বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহতের ছেলে বখতিয়ার আহমেদ হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি নিহতের দুই ছেলে কবির আহমেদ ও সবুর আহমেদকে এসিড নিক্ষেপ করে এ মামলার আসামিরা। ১৯৯২ সালের ৩ মার্চ পুলিশের উপ-পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

নিহত আবদুস সোবহানের বড় ছেলে ডা. উকিল আহমেদ তালুকদার (সেলিম) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'আমার দুই ভাইকে এসিড মারার প্রতিবাদ করায় বাবাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।'

তিনি হাইকোর্টের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, 'দীর্ঘ ২৮ বছর পর উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমি খুশি। আশা করি সুপ্রিম কোর্টের এ রায় বহাল থাকবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র