Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ইফতার মঙ্গলবার

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ইফতার মঙ্গলবার
ঢাকা আইনজীবী সমিতির লোগো
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

এশিয়ার বৃহত্তম বার খ্যাত ঢাকা আইনজীবী সমিতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আগামী মঙ্গলবার (১৪ মে) এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ খান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে প্রতিবছর রজমানে একদিন ইফতার ও দোয়ার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও মঙ্গলবার ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে ২৪ হাজার ৮৯৯ জন নিবন্ধিত আইনজীবী আছেন। কোর্টে প্রায় ১০ হাজার আইনজীবী নিয়মিত যাতায়াত করেন। তবে তারাবিহ নামাজ থাকায় অনেক আইনজীবী এখানে ইফতার করেন না। তবে আশা করি, এবার সবাই অংশ নেবেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান খান রচি বার্তা২৪.কমকে বলেন, এবার সাড়ে চার হাজার আইনজীবী ইফতার করতে পারবেন, এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যা গত বারের চেয়ে বেশি।

তিনি জানান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি গাজী মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ড. একেএম এমদাদুল হক ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল কবির।

আপনার মতামত লিখুন :

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল
ফার্স্ট ফাইনান্সে ৫ পরিচালক নিয়োগ দেন এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু/ ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মিয়া নুর উদ্দিন অপুর অর্থায়নে বেনামি চারটি কোম্পানির মনোনীত পাঁচ পরিচালককে তদন্ত করে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন শেয়ার হোল্ডারের আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ, এম কে রহমান ও এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান।

পৃথক রুলে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ‘এ আদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালকের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেওয়া উচিত হবে না।’

চারটি কোম্পানি হলো- আলফাবেট এসোসিয়েট লিমিটেড, অপারচর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, রাকাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও কাসরাজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

গত ২ জুলাই মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেছিলেন ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডার মো. মনিরুজ্জামান। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপুর মনোনীত পরিচালকরা হলেন- রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, আমিনুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, মহিন ও মইনুল হাসান।

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য
রমনায় বোমা হামলা, পুরনো ছবি

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ দুই জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্মল কান্তি বড়ুয়া ও ইটিভির সাংবাদিক রাসেল হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তারা ঢাকার প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। আগামী ১ আগস্ট পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভুক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৩৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হলো।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনো চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র