Alexa

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান, ছবি: সংগৃহীত

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ঋণখেলাপের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১৫ মে) মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে মর্মে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম এ আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৪ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিচারক ইস্যু গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিবাদীরা হলেন, ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কাদরের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করে।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও বিবাদীরা কোনো অর্থ দেননি।

আপনার মতামত লিখুন :