Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

খালেদা-তারেকের ড্যান্ডি ডায়িং মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ঋণখেলাপের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১৫ মে) মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে মর্মে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম এ আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৪ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিচারক ইস্যু গঠন করলে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিবাদীরা হলেন, ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কাদরের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করে।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও বিবাদীরা কোনো অর্থ দেননি।

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীর আদালতের পেশকারসহ ৩ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

নোয়াখালীর আদালতের পেশকারসহ ৩ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
হাইকোর্ট

নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার নাজমুন নাহারসহ তিনজনকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচার মামলায় চার সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অপর দুজন হলেন বিজন ভৌমিক ও আফরোজা আক্তার।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী হাসিনা জাহান হাজারী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো.আসিফ হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, আদালত তাদের জামিন না দিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। 

গত ৫ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেনসহ চার জনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলা করেন। এরমধ্যে স্ত্রী নাজমুন নাহার এবং বোন আফরোজা আক্তার রয়েছেন।

মামলার পর ওইদিনই আলমগীরকে গ্রেফতার করে দুদক । গ্রেফতারের ৭ ঘণ্টা পর নোয়াখালীর আদালত তাকে জামিন দেন।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত মোট ৭ কোটি ১৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেন।  ওই সম্পদ ভোগদখল রেখে প্রতারণামূলকভাবে মানি লন্ডারিং-সম্পৃক্ত অপরাধ, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে লব্ধ অর্থের উৎস গোপনের লক্ষ্যে হেবা দলিল সম্পাদন, দলিলে জাল জালিয়াতি এবং বেনামে সম্পদ অর্জন এবং ভুয়া প্রতিষ্ঠান মেসার্স ঐশী ট্রেডার্সের ব্যবসার আড়ালে মোট ২৭ কোটি ৮২ লাখ ৭২ হাজার ৯৬৬ টাকা অবৈধভাবে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি: রাজউক কর্মকর্তার আগাম জামিন

এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি: রাজউক কর্মকর্তার আগাম জামিন
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বনানীর ফারুক রুপায়ণ (এফআর) টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় রাজউকের সাবেক এস্টেট কর্মকর্তা রেজাউল করিম তরফদারকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের পর তাকে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান রহিম ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: এফআর টাওয়ার ‍দুর্নীতির মামলায় তাসভিরের জামিন

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন, জামিন স্থগিত চেয়ে মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করা হবে।

গত ২৬ জুন নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে এফআর টাওয়ার ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে টাওয়ারের মালিক, রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

এ মামলায় ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারের ১৯ তলা থেকে ২৩ তলা নির্মাণ, বন্ধক প্রদান ও বিক্রি করার অভিযোগে দণ্ডবিধির সাতটি ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৭ জন মারা যান। একই মামলায় গত ১৬ জুলাই রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান কেএএম হারুনকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সাবেক ইমারত পরিদর্শক মো. আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী ও সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. নজরুল ইসলামকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র