Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিশু অপহরণ: ২ জনের ফাঁসি, ৮ জনের যাবজ্জীবন

শিশু অপহরণ: ২ জনের ফাঁসি, ৮ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টিএনজেড গ্রুপের মালিকের ছেলে আবির (৮) অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় দুই আসামির ফাঁসি নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া দুই সহোদরসহ আট আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মশিউর রহমান (৪০) ও মিজানুর রহমান ওরফে মিজান মাতুব্বর (৩৫)।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রেজাউল করিম (৩৬), নজরুল ইসলাম (৩২), আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৮), ইকবাল হোসেন শুভ (২৮), সজীব আহমেদ ওরফে কামাল উদ্দিন (৪৭), আলিম হোসেন চন্দন ওরফে চঞ্চল (২৭), দুই সহোদর কাউসার মৃধা (২৫) ও রেজা মৃধা (৩০)।

মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের বিভিন্ন অংকের অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ১০ আসামির মধ্যে কাউসার মৃধা ও রেজা মৃধা পলাতক আছেন। বাকি আসামিদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় জহির উদ্দিন বাবর ও শাহ মো. অলিউল্লাহকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার সাত নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. খাদেম উল কায়েস এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, টিএনজেড গ্রুপের মালিক শাহাদাত হোসেনের ছেলে আবির (৮) উত্তরার একটি মাদরাসায় পড়ত। তাকে অপহরণের জন্য প্রায় চার মাস ধরে পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও তথ্য সংগ্রহ করে অপহরণকারীরা।

২০১৫ সালের ২ মে আবির গাড়ি করে মাদরাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে বনানী ফ্লাইওভারের নিচে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আবিরের গাড়ি আটকায় ও তাকে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর অপহরণকারীরা আবিরের মুক্তিপণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা দাবি করেন। আবিরের পিতা গোপনে র‍্যাবকে জানায়। চারদিন দর-কষাকষির পর দুই কোটি টাকায় তারা রাজি হয়। এরপর আবিরের পিতা এক কোটি ৭৩ লাখ টাকা অপহরণকারীদের ব্যাংক হিসাবে প্রদান করেন।

এছাড়া হোটেল র‌্যাডিসনের সামনে ২৭ লাখ টাকা নগদ দেন। এরপর অপহরণকারীরা শিশু আবিরকে তার বাবার কাছে বুঝিয়ে দেয়।

আবিরকে ফিরে পাওয়ার পর অপহরণকারীদের ধরতে তৎপরতা শুরু করে র‌্যাব। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে অপহরণকারীদের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তোলার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।

এরপর একেক করে সব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। রায় ঘোষণার আগে চার্জশিটের ৪৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা
পুরনো ছবি

হাইকোর্টের আদেশের পর সারাদেশে ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এসব ওষুধ রাখার দায়ে দেড় কোটি টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দায়ের করা হয়েছে ১৫২ টি মামলা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৮ জুন সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। গত ১৭ জুন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করেন।’

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট
প্রতীকী ছবি

বিয়ের কনে কুমারী, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত কি-না নিকাহনামার (কাবিন নামে প্রচলিত) ৫ নম্বর কলামে থাকা এ নিয়ম বহাল রাখা বা তুলে দেওয়ার বিষয়ে ইসলামী শরীয়াহর মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী সোমবার (২২ জুলাই) তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) একটি রিটে জারি করা রুলের শুনানিতে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

আদালতে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের মতামত (ইন্টারভেনর) জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিকাহনামার ৫ নম্বর কলাম বিধির রাখার প্রয়োজন নেই। এটা ব্যক্তির গোপনীয়তার বিরোধী। কনের ব্যক্তি মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে। ইসলামী শরিয়াহ এ ধরনের বিধানকে সমর্থন করে না।

এরপর আদালত নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামে থাকা ‘কন্যা কুমারী, বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্ত নারী কি-না’ এ কলাম রাখার প্রয়োজন রয়েছে কি-না এবং কলামটি তুলে দেওয়া হলে শরীয়াহ পরিপন্থি হবে কিনা সে বিষয়ে মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানান হাইকোর্ট।

২০১৪ সালে নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। এ রিটে নিকাহনামাতে বর-কনের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পরে প্রাথমিক শুনানি শেষে কাবিননামার ৫ নম্বর বিধিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র