Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রমনা বোমা হামলা মামলায় আরও ২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

রমনা বোমা হামলা মামলায় আরও ২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় আরও দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট থানার উপপরিদর্শক কাইয়ুম মু্ন্সী ও মানিকগঞ্জের সিংগাইরের সামছুল ইসলাম।

রোববার (১৯ মে) প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সোমবারও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য আছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভুক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হল।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ আটজনের ফাঁসি ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনও চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে নয় জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় আট বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন :

সচল হতে যাচ্ছে ২৮ বছর ঝুলে থাকা মামলা

সচল হতে যাচ্ছে ২৮ বছর ঝুলে থাকা মামলা
পরিবারের সঙ্গে সগিরা মোর্শেদ সালাম/ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ২৮ বছর ঝুলে থাকা সগিরা মোর্শেদ সালাম হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে এ মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে পিবিআইকে। তদন্ত শেষে ৯০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শেষ করতে বলা হয়েছে বিচারিক আদালতকে। এছাড়া মামলাটির বিচার কার্যক্রম স্থগিত করে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৬ জুন) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিভিশন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ন ও ব্যারিস্টার মোতাহার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ।

আদালত ২০১০ সাল পর্যন্ত উচ্চ আদালতে বিচারাধীন ফৌজদারি রিভিশন এবং মামলা বাতিল চেয়ে করা আবেদনের তালিকা করতে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিন সপ্তাহের মধ্যে এ তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৩ জুন দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছিলেন, রাষ্ট্রের পাশাপাশি বিচার বিভাগও দায় এড়াতে পারে না। বিলম্বিত বিচার মানে বিচারকে অস্বীকার করা।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ সালাম (৩৪) সিদ্বেশ্বরীতে ছিনতাইকারীর গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় ওইদিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন নিহতের স্বামী সালাম চৌধুরী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রিকশাচালক দুজনকে শনাক্ত করলেও অজ্ঞাত কারণে মিন্টু ওরফে মন্টু নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সাক্ষ্য গ্রহণের এক পর্যায়ে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয় ঢাকার আদালত। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মারুফ রেজা। ওই বছরের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দেন। এরপর দীর্ঘ ২৮ বছর মামলাটির উপর স্থগিতাদেশ রয়েছে। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রপক্ষ ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করে।

মিল্কভিটা, আড়ং, প্রাণসহ ১৮ পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকর কিছু পায়নি বিএসটিআই

মিল্কভিটা, আড়ং, প্রাণসহ ১৮ পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকর কিছু পায়নি বিএসটিআই
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

১৮টি পাস্তুরিত-ইউএইচটি দুধের নমুনা পরীক্ষায় ক্ষতিকর উপাদান খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। হাইকোর্টে দাখিল করা একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টেও দ্বৈত বেঞ্চে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বিএসটিআই।

বিএসটিআইর প্রতিবেদনে ১৪টি ব্যান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যয়িনি। প্রতিবেদন অনুসারে ব্যান্ডগুলো হলো-বেড়ার ইছামতি ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের ‘পিউরা’, নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ড্যানিশ ডেইরি ফার্মের ‘আয়রান’, গাজীপুরের জয়দেবপুরের ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের ‘আড়ং ডেইরি’, ঢাকার ধামরাইর আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘ফার্ম ফ্রেশ দুধ’, গাজীপুরের শ্রীপুরের আমেরিকান ডেইরির ‘মো’, ঢাকার মিরপুর-৭ বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়নের ‘মিল্কভিটা’, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের আফতাব মিল্ক অ্যান্ড মিল্ক প্রোডাক্টসের ‘আফতাব’, কুষ্টিয়ার কামারখালীর শিলাইদহ ডেইরির ‘আল্ট্রা’, পাবনার বেড়ার তানিয়া ডেইরি অ্যান্ড ফুড  ‘প্রাণ মিল্ক’, নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারের বারো আউলিয়া ডেইরি মিল্ক অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টেসের ‘ডেইরি ফ্রেশ’, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের উত্তকবঙ্গ ডেইরীর ‘মিল্ক ফ্রেশ’, ‘প্রাণ মিল্ক’, ঢাকার ধামরাইর আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক’, ঢাকার গুলশানের রাফি অ্যান্ড ব্রাদার্সের ‘কাউহেড পিউর মিল্ক’,  ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের ‘আড়ং ডেইরি’।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

প্রতিবেদন দাখিলের পর আগামী বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছেন আদালত।

২০১৮ সালের ২০ মে পাস্তুরিত দুধে ব্যাকটেরিয়ার রয়েছে এমন দাবি করে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন আইনজীবী তানভির আহমেদ। একইবছরের ১৭ মে ‘পাস্তুরিত দুধের ৭৫ শতাংশই নিরাপদ নয়’ শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তিনি তা আদালতের নজরে আনেন।

আদালত ওই আইনজীবীকে রিট আকারে আবেদন নিয়ে আসতে বলেন। এরপর আইনজীবী তানভীর আহেমদ রিট করেন। রিটের পর বাজারে পাওয়া যায় এমন সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধের মান পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র