Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপপ্রয়োগ রোধে মনিটরিং চান কূটনীতিকরা

সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপপ্রয়োগ রোধে মনিটরিং চান কূটনীতিকরা
দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকরা আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট আইনের অপপ্রয়োগ রোধে মনিটরিং ব্যবস্থা চান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। সরকার এ ব্যাপারে আন্তরিক বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সেজন্য শিগগিরই মনিটরিং ব্যবস্থার একটা বিধি করব।

রোববার (১৯) দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকরা আইনমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। এরপর মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন,ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে উনারা মনিটরিং চান। এই অ্যাক্ট করার আগে সম্পাদক কাউন্সিলের সঙ্গে অ্যাটকোর সঙ্গে বসেছিলাম। আমরা সকলের সঙ্গে বসে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু পরিবর্তনও এনেছিলাম এবং কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কিন্তু আমরা মনিটিরিংয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত সিরিয়াস, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সাংবাদিকদের স্বাধীনতা খর্ব করা বা স্বাধীনতা হরণ করার জন্য করিনি। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা খর্ব হোক বা জনগণের বক্তব্যের স্বাধীনতা খর্ব হোক সেজন্য এই আইন করা হয়নি। শুধুমাত্র সাইবার ক্রাইম মোকাবেলা করার জন্য আইনটা করা হয়েছে। এটা যেহেতু সারাবিশ্বেই নতুন একটা আইন। অনেক হয়তো ভালো মন্দ আছে। ত্রুটি বিচ্যুতি দেখা দিতে পারে, সেটা আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে আধুনিক করার মাধ্যমে সব সময় এগিয়ে নিয়ে যাব।

আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে অতি সম্প্রতি দুটো ঘটনা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি দুটি ঘটনা ঘটেছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মী ইমতিয়াজ মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেখানে খাগড়াছড়িতে যে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট অব অ্যারেস্ট জারি করেছেন তিনি সেটা করতে পারেন না। কারণ সেটা সম্পূর্ণ সাইবার ট্রাইব্যুনালভুক্ত।

সে কারণে পরদিনই ত্রুটি ধরে ইমতিয়াজ মাহমুদের আইনজীবীকে সাইবার ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে বলা হয়। পরে তাকে জামিন দেওয়া হয়। হেনরী স্বপনকে জামিন দেওয়া হয়। আমরা এরকমভাবে মনিটরিং করে যাচ্ছি। কিন্তু এটাও ঠিক মনিটরিংয়ের জন্য একটা সুস্পষ্ট জায়গা থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছি, আমরা খুব শিগগিরই মনিটিরিংয়ের ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্তে আসব। কূটনীতিকরাও আলাপ করবে এবং সহায়তা করবে। আলাপ শেষ হলে তাদের সঙ্গে আবার আলাপ হতে পারে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নষ্ট করার জন্য করিনি। এটা করাই হয়েছে শুধু সাইবার ক্রাইম মোকাবেলা করার জন্য।

তিনি বলেন, আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারার মত যাতে কখনো অ্যাবিউস বা মিসইউসড এর প্রশ্ন না ওঠে সেই কারণে আমরা একটা মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে চাই। এ রকম মনিটরিং করা হলে আইনটা পরিপূর্ণভাবে কার্যকর হবে। আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারায় যখন অপপ্রয়োগ করা হচ্ছিল তখন পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাকে দিয়ে কমিটি করা হয়। এখানেও সেরকম কমিটি করব।

আইনে তাহলে অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে কীনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে যত আইন আছে সব আইনই অপপ্রয়োগ করার একটু সুযোগ আছে। এটা এমন না যে শুধু ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের ব্যাপারে হয়েছে। সারাবিশ্বে যত আইন আছে সবগুলো অপপ্রয়োগ করে বলেই আদালত আছে, আইনজীবীরা আছে। সেক্ষেত্রে এখানেও কিছু হতে পারে, কিন্তু যাতে না হয় সেই কারণে সরকার সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/19/1558262310352.jpg

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন 'বি' স্ট্যাটাসে আছে। সেটাকে 'বি' স্ট্যাটাস থেকে 'এ' স্ট্যাটাসে আপগ্রেডেশন করতে বলেছেন। কিছু বিষয় আছে সেগুলো সম্পন্ন করার কথা বলেছেন। সেজন্য কাজ করতে যে সকল সহায়তা প্রয়োজন উনারা সেটা দেবেন।

উনারা বলেছেন চেয়ারম্যান সিলেকশন প্রসেসে আইনের ৭ ধারায় একটা সার্স কমিটি আছে যেটাতে স্পিকার চেয়ারম্যান এবং আরও ৫ জন সদস্য আছেন। উনারা বলেছেন এই কমিটি থাকুক সঙ্গে সুশীল সমাজের সঙ্গে যদি আলাপ আলোচনা করে যে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়। সেটা আরও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে, গ্রহণযোগ্যতা পেলে সারাবিশ্বে হিউম্যান রাইটস কমিশন যারা আপগ্রেডেশন করেন তারাও সন্তুষ্ট হবেন। ‘বি’ স্ট্যাটাস থেকে এ স্ট্যাটাসে যাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।

তিনি বলেন, আরেকটা ছিল আর্থিক স্বাধীনতা। আমি উনাদের বলেছি আর্থিকভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বাধীন। কারণ বাজেট বরাদ্দ তাদের চাহিদা মোতাবেক দেওয়া হয়।

বৈঠকে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার বরার্ট চ্যার্টাটন ডিকশন, জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার পিটার ফারেন হোল্টজ, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রিনি হলেন স্টেইন সুইডেনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার অ্যান্ডার্স অর্থোস্ট্রমসহ জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস ও ইউএনডিপির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মুক্তিযোদ্ধা সোবহান হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বহাল

মুক্তিযোদ্ধা সোবহান হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বহাল
নিহত মুক্তিযোদ্ধা সোবহান, ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চাঞ্চল্যকর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৯ আসামির সাজার রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্টে। সাজার বিরুদ্ধে আসামিদের করা জেল আপিল খারিজ করে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিচারিক আদালতের যাবজ্জীবন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজা বহাল থাকা ৯ আসামি হলেন- আইয়ুব আলী, মো. এরশাদুর রহমান, শহীদুল ইসলাম খোকন, মো. ইলিয়াস, মো. বকতিয়ার, শামসুল ইসলাম ওরফে শামসু, আবুল হাসেম, নজরুল ইসলাম ওরফে নজু ও মো. ইব্রাহিম। কারাগারে থাকা অবস্থায় দণ্ডিত এসব আসামি জেল আপিল করেন। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন। হাইকোর্ট এদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ এ এন এম বশির উল্লাহ ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলায় ২১ আসামির মধ্যে ১৭ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। বাকি চারজনের মধ্যে দুইজন মৃত। এছাড়া খালাস পান দুইজন। এ রায়ের বিরুদ্ধে ৯ আসামি জেল আপিল করেন হাইকোর্টে। পলাতক থাকায় বাকি আটজন আপিল করেননি।

আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন, আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মো. খুরশীদ আলম খান, ফখরুল ইসলাম, মাহবুবা হক, মো. রফিকুল ইসলাম মিয়া, তপন কুমার দে, শংকর প্রসাদ দে ও মোসাব্বির হোসেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম, মো. আশিক মোমিন ও মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মামুনুর রশিদ, মো. আব্বাস উদ্দিন, আনিসুর রহমান ও মো. কাজী ইলিয়াস উর রহমান।

১৯৯১ সালের ৩০ অক্টোবর স্থানীয় রানীরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সোনারগাঁও পৌঁছলে আইয়ুব বাহিনীর সদস্যরা আবদুস সোবহানকে অপহরণ করে স্থানীয় পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে যায়। পরে তাকে বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহতের ছেলে বখতিয়ার আহমেদ হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি নিহতের দুই ছেলে কবির আহমেদ ও সবুর আহমেদকে এসিড নিক্ষেপ করে এ মামলার আসামিরা। ১৯৯২ সালের ৩ মার্চ পুলিশের উপ-পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

নিহত আবদুস সোবহানের বড় ছেলে ডা. উকিল আহমেদ তালুকদার (সেলিম) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'আমার দুই ভাইকে এসিড মারার প্রতিবাদ করায় বাবাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।'

তিনি হাইকোর্টের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, 'দীর্ঘ ২৮ বছর পর উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমি খুশি। আশা করি সুপ্রিম কোর্টের এ রায় বহাল থাকবে।'

ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার সুমনের সাক্ষ্য শেষ

ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার সুমনের সাক্ষ্য শেষ
সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন

ফেনীর সোনাগাজী থানার মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতের জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর মামলায় সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মামলার বাদী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে ওসি মোয়াজ্জেমের আইনজীবী ফারুক আহমেদ ব্যারিস্টার সুমনকে দেড় ঘণ্টা জেরা করেন।

জেরা শেষে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৭ আগস্ট পরবর্তী দিন ঠিক করেন।

এর আগে গত ৩১ জুলাই মামলার অভিযোগ সমর্থন করে সুমন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

গত ১৭ জুলাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় চার্জগঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ১৬ ‍জুন বিকেল হাইকোর্ট এলাকা থেকে সাবেক ওসি মোয়াজ্জেমকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পর দিন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ১৫ এপ্রিল সোনাগাজী থানার প্রত্যাহার করা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

ওই দিন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসশামস জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে ঘটনাটি তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

পিআইবি ঘটনা তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় সাবকে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দাখিল করলে গত ২৭ মে ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

জবানবন্দি দেওয়ার সময় বাদী সুমন বলেছিলেন, যৌন হয়রানির বিষয়ে নুসরাত থানায় অভিযোগ করতে গেলে আসামিসহ তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেই সময় ওসি মোয়াজ্জেম তাকে আপত্তিকর জেরা করেন ও জেরার ভিডিও তার মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। নুসরাতের মৃত্যুর পরদিন ১১ এপ্রিল বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তা ছেড়ে দেন। থানার ভেতরে এমন ভিডিও ধারণ করা ও সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ।

গত ১০ এপ্রিল অগ্নিদগ্ধ নুসরাত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র