Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রমনায় বোমা হামলা মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

রমনায় বোমা হামলা মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক আশরাফ হোসেন, খুলনা রূপসা তানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আহসান আলী ও মাদারীপুরের রাজৈর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

বুধবার (২২ মে) তারা ঢাকার প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। বৃহস্পতিবারও (২৩ মে) সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভূক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায়, ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ আটজনের ফাঁসি ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনও চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন :

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন
শিশু হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু গহীন, পুরনো ছবি

ঢাকার শেরেবাংলানগরস্থ শিশু হাসপাতালের বাথরুমে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতি আদালতে আবেদন করেছেন।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ছোট সোনামনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালককে বিবাদী করে দম্পতিগুলো পৃথক পৃথক এ আবেদন জমা দেন।

ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক সাফিয়া শারমিন সকল আবেদনের বিষয়ে আগামী ২ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

গত ১৪ মে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন শিশু হাসপাতালের একটি বাথরুমের ভেতর থেকে ৩-৪ দিন বয়সী নবজাতক কন্যা শিশু গহীনকে উদ্ধার করা হয়। এরপরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে দুইদিন পর রাজধানীর আজিমপুরস্থ সরকারি ছোটমণি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: হাসপাতালের বাথরুম থেকে নবজাতক উদ্ধার

উদ্ধারের পর হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগম গহীনের দেখভাল করেন। শিশুটির নাম তাদেরই দেয়া।

সাত দম্পতির মধ্যে হাসপাতালে দুইদিন দেখভাল করা রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগমও রয়েছেন। আট বছরের বিবাহিত জীবনে তারা নিঃসন্তান।

অপর ছয় দম্পতিরা হলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মো. শাহ আলম শাহীন ও তার স্ত্রী যুব মহিলা লীগের নির্বাহী সদস্য এবং মানবাধিকার সংস্থা আশকের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হামিদা আক্তার মিতা।

আবেদনকারীরা শিশুটিকে দত্তক নিয়ে প্রথমে হাসপাতালে ও পরে ছোট সোনামনি নিবাসে যান। কিন্তু হাসপাতাল বা ছোট সোনামনি নিবাস থেকে শিশু দত্তক নেয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় তারা আদালতে আবেদন করেন।

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
পুরনো ছবি

নিরাপদ ও সহজলভ্য রেলওয়ে ব্যবস্থা গঠনে রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে সারাদেশে রেললাইনের আধুনিকায়ন, সংস্কার এবং সংরক্ষণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জিও করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাসগুপ্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেছেন।

অমিত দাসগুপ্ত জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হবে।

গত ২৫ জুন একটি দৈনিকে ‘সংস্কারের অভাবেই রেলে মৃত্যুফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে রিট আবেদনে। গত রোববার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় উপবন এক্সপ্রেসের বগি কালভার্ট ভেঙে খাদে পড়ে হলে চারজন নিহত হলে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র