Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

সালমান শাহ অপমৃত্যু মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুন

সালমান শাহ অপমৃত্যু মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুন
জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র অপমৃত্যু মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ২৩ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ এপ্রিল) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিবিআই) কোন প্রতিবেদন দাখিল না করায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ দিন ধার্য করেন। একই সাথে তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের তাগিদ দিয়েছেন আদালত।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্র নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি।

অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি এক সঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। পরে র‍্যাবের হাত ঘুরে তদন্তের দায়িত্ব পান পিবিআই।

সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডি’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন।

২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। এরপর প্রায় ১২ বছরে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাদীপক্ষ আদালতে সাক্ষী হাজির না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল বিলম্বিত হয়।

অবশেষে গত বছরের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সালমান শাহ’র বাবা কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা যাওয়ায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবেদনের উপর নারাজি দাখিল করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনে ১৫৩ মামলার আসামির জামিন বাতিল

একদিনে ১৫৩ মামলার আসামির জামিন বাতিল
সুপ্রিম কোর্ট

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ একদিনে ১৫৩টি ফৌজদারি বিবিধ মামলা ও আপিলে আসামিদের দেওয়া জামিন বাতিল করেছেন। এসব মামলায় আসামিরা অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেওয়ার পর মেয়াদ বাড়ানো বা রুল শুনানির পদক্ষেপ নিচ্ছিল না। এতে ১৫৩টি মামলা দীর্ঘদিন যাবত ঝুলে ছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। অন্যদিকে ওই জামিন বা আপিলের পক্ষে কোন আইনজীবী ছিলেন না।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, ২০১৭ সালের ১১৮টি ফৌজদারি বিবিধ মামলা ও ২০১৬ সালের ৩৫টি ফৌজদারি আপিলে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন ও রুল নেন।

বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিবিধ ও আপিল করে জামিন নেন। পরে আর রুল ও আপিল শুনানি করেননি বা জামিন বর্ধিত করেননি।

তিনি বলেন, ‘মামলার জট কমাতে এসব মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আনা হলে শুনানি শেষে আসামিদের পক্ষে করা ফৌজদারি বিবিধ মামলার রুল ও আপিল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে এসব মামলার সকল আসামির হাইকোর্ট থেকে পাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল হয়ে গেল।’

'রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে তিন বিচারপতিকে বিরত রাখা'

'রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে তিন বিচারপতিকে বিরত রাখা'
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, পুরনো ছবি

তিন বিচারপতিকে বিরত রাখার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, 'রাষ্ট্রপতির (আবদুল হামিদ) সম্মতিতে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। এখন এ বিষয়ে কীভাবে তদন্ত করবেন, অনুসন্ধান কীভাবে হবে তা প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন।'

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

কি ধরনের অভিযোগ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'অভিযোগ কী সেটা অনুসন্ধানের পরেই জানা যাবে। কী অভিযোগ তা জনসম্মুখে প্রকাশ করাটা বিচার বিভাগের জন্য শুভ হবে না। আর এটা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির বিষয়।'

এ রকম কি নজির আছে, কোনো অভিযোগ প্রমাণ ছাড়াই বিচার কাজ থেকে বিরত রাখার? এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, 'অভিযোগ আছে কী নাই সেটা অনুসন্ধানের পরেই বোঝা যাবে'।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'সেটাও প্রধান বিচারপতি এবং রাষ্ট্রপতিই ঠিক করবেন। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখার জন্য কী পদক্ষেপ নেবেন তা ওনারাই ঠিক করবেন।'

বারের পক্ষ থেকে এই তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বারের সাধারণ সদস্যরা সব সময়ই চান বিচার বিভাগ কলুষমুক্ত যাতে থাকে এবং ভাবমূর্তি যেন সাধারণ জনগণের কাছে উজ্জ্বল থাকে।'

পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে? অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, 'সেটা রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেবেন'।

আজকের এই পদক্ষেপ সমস্ত বিচার বিভাগের জন্য নতুন বার্তা কিনা? জবাবে তিনি বলেন, 'নিশ্চয়ই। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকতে পারে না। কোনো মন্ত্রী থাকতে পারে না, কোনো বিচারপতিও থাকতে পারে না এবং আমরা সাধারণ মানুষও থাকতে পারি না। কাজেই এটা অবশ্যই একটি ইঙ্গিত যাবে অন্যান্যদের কাছে যারা নিজেদেরকে সঠিক পথে পরিচালনা করছেন না।'

আরও পড়ুন: ‘আরও অনেক বিচারপতি দুর্নীতিতে জড়িত’

আরও পড়ুন: ছুটিতে তিন বিচারপতি

আরও পড়ুন: হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে বেঞ্চ দেওয়া হয়নি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র