Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ধর্ষণের ভুল প্রতিবেদন: সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

ধর্ষণের ভুল প্রতিবেদন: সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর মাদরাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য প্রদানকারী পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার রেজাউর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে বুধবার (২২ মে) হাইকোর্টে হাজির হয়ে তারা ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালত ক্ষমা না করে চিকিৎসকের উদ্দেশে বলেন, ‘এভাবে যদি ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেন, তাহলে জাতির কাছে কী বার্তা যায়? এভাবে রিপোর্ট দেওয়ার কারণে একটা মামলার বিচার প্রভাবিত হয়, এমনকি রায় ভিন্ন হয়, যেখানে বাদী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।’

এরপর আদালত সিভিল সার্জনের ক্ষমার আবেদন নাকচ করে দেন এবং সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার রেজাউর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

ওই ছাত্রীর মা থানায় গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করলে তিনমাস পর পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি অভিযোগ করেন তিনি।

পরে ওই মামলার আসামি দানেশ চৌকিদার হাইকোর্টে জামিন চাইলে আবেদনের সাথে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান প্রতিবেদনে লিখেন, মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে, শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে এটা দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতে পারে। ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকের সাথে একমত পোষণ করেছিলেন সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন

শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতির আদালতে আবেদন
শিশু হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু গহীন, পুরনো ছবি

ঢাকার শেরেবাংলানগরস্থ শিশু হাসপাতালের বাথরুমে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশু গহীনকে পেতে সাত দম্পতি আদালতে আবেদন করেছেন।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ছোট সোনামনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালককে বিবাদী করে দম্পতিগুলো পৃথক পৃথক এ আবেদন জমা দেন।

ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক সাফিয়া শারমিন সকল আবেদনের বিষয়ে আগামী ২ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

গত ১৪ মে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন শিশু হাসপাতালের একটি বাথরুমের ভেতর থেকে ৩-৪ দিন বয়সী নবজাতক কন্যা শিশু গহীনকে উদ্ধার করা হয়। এরপরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে দুইদিন পর রাজধানীর আজিমপুরস্থ সরকারি ছোটমণি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: হাসপাতালের বাথরুম থেকে নবজাতক উদ্ধার

উদ্ধারের পর হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগম গহীনের দেখভাল করেন। শিশুটির নাম তাদেরই দেয়া।

সাত দম্পতির মধ্যে হাসপাতালে দুইদিন দেখভাল করা রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগমও রয়েছেন। আট বছরের বিবাহিত জীবনে তারা নিঃসন্তান।

অপর ছয় দম্পতিরা হলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মো. শাহ আলম শাহীন ও তার স্ত্রী যুব মহিলা লীগের নির্বাহী সদস্য এবং মানবাধিকার সংস্থা আশকের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হামিদা আক্তার মিতা।

আবেদনকারীরা শিশুটিকে দত্তক নিয়ে প্রথমে হাসপাতালে ও পরে ছোট সোনামনি নিবাসে যান। কিন্তু হাসপাতাল বা ছোট সোনামনি নিবাস থেকে শিশু দত্তক নেয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় তারা আদালতে আবেদন করেন।

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
পুরনো ছবি

নিরাপদ ও সহজলভ্য রেলওয়ে ব্যবস্থা গঠনে রেলের আধুনিকায়ন ও সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে সারাদেশে রেললাইনের আধুনিকায়ন, সংস্কার এবং সংরক্ষণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জিও করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাসগুপ্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেছেন।

অমিত দাসগুপ্ত জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হবে।

গত ২৫ জুন একটি দৈনিকে ‘সংস্কারের অভাবেই রেলে মৃত্যুফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে রিট আবেদনে। গত রোববার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় উপবন এক্সপ্রেসের বগি কালভার্ট ভেঙে খাদে পড়ে হলে চারজন নিহত হলে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র