Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

অভিনেত্রী নওশাবার উপস্থিতিতে শুনানির নির্দেশ

অভিনেত্রী নওশাবার উপস্থিতিতে শুনানির নির্দেশ
অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় অভিনেত্রী কাজী নওশাবার উপস্থিতিতে চার্জশিট গ্রহণ বিষয়ে শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

কাজী নওশাবাকে চার্জশিট দাখিল না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক শওকত আলী সরকার সম্প্রতি নওশাবার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিট গ্রহণের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ইমরুল কাওসার বলেন, চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি কাজী নওশাবা জানেন না। তাই তিনি আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবী মাধ্যমে হাজিরা দেন। এছাড়া তিনি চার্জশিট গ্রহণের জন্যও সময়ের আবেদন করেন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ দিদার হোসাইন ফৌজদারী কার্যবিধি ২০৫ ধারায় আইনজীবী মাধ্যমে নওশাবার হাজিরার অনুমতি বাতিল করেন। আগামী ১৪ জুলাই নওশাবার উপস্থিতিতে চার্জশিট গ্রহণ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে ফেসবুক লাইভে কাজী নওশাবা দাবি করেন, রাজধানীর জিগাতলায় একজন শিক্ষার্থীর চোখ তুলে ফেলা ও দুই শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলা হয়েছে। তার এ ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াল ভাইরাল হয়। তবে খোঁজ নিয়ে তার এসব তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

ওইদিনই রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। ২০১৮ সালের ২১ আগস্ট জামিন পান নওশাবা।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, কাজী নওশাবা ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে জনসাধারণের অনুভূতি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং প্রচার করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধনী) এর ৫৭ (২) ধারায় অপরাধ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আইনজীবী রেজা হত্যার রহস্য উদঘাটন করুন: ব্যারিস্টার খোকন

আইনজীবী রেজা হত্যার রহস্য উদঘাটন করুন: ব্যারিস্টার খোকন
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, পুরনো ছবি

টাঙ্গাইলের প্রবীণ আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাসান আলী রেজা হত্যার রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টায় ল রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আকতারুজ্জামান, এস এম জুলফিকার আলী জুনু ও আরিফুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, 'একের পর এক আইনজীবী হত্যার ঘটনায় আইনজীবী সমাজ উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বেড়ে গেছে খুন, গুম ও ধর্ষণ।'

তিনি আরও বলেন, 'গত ৮ জুলাই টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া পাঞ্চাপাড়াস্থ নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হন প্রবীণ আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা আলীর হাসান রেজা। ছয়দিন পর শনিবার লৌহজং নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং তদন্ত করে মূল রহস্য উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছি।'

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের জামিন আদেশ মঙ্গলবার

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের জামিন আদেশ মঙ্গলবার
এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, পুরনো ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান কে এ এম হারুন সহ তিন কর্মকর্তার আগাম জামিন আবেদনের শুনানি শেষে হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) এ বিষয়ে আদেশ দেবেন আদালত।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আদেশের এ দিন ধার্য করেন।

জামিন আবেদনকারী অপর দুই কর্মকর্তা হলেন- সাবেক ইমারত পরিদর্শক মো. আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী এবং সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. নজরুল ইসলাম।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে এফআর টাওয়ার ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে গত ২৬ জুন ভবনের মালিক, রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

একটি মামলার আসামি হলেন- এফআর টাওয়ারের মালিক এসএমএইচআই ফারুক, কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থপনা পরিচালক (এমডি) তাসভীর-উল-ইসলাম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান কে এ এম হারুন, সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম তরফদার, ভবন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের কর্ণধার লিয়াকত আলী খান মুকুল, রাজউকের সাবেক পরিচালক মো. শামসুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক মো. মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিচালক শাহ মো. সদরুল আলম, সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক মো. আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক জাহানারা বেগম, সহকারী পরিচালক মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী মুহাম্মদ মজিবুর রহমান মোল্লা, অফিস সহকারী মো. এনামুল হক ও বিসিএসআইআরের সদস্য (অর্থ) মুহাম্মদ শওকত আলী, সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবদুল্লাহ আল বাকি, গণপূর্ত অধিদফতরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ নাজমুল হুদা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামছুর রহমান। 

এ মামলায় ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারের ১৯ তলা থেকে ২৩ তলা নির্মাণ, বন্ধক প্রদান ও বিক্রি করার অভিযোগে দণ্ডবিধির সাতটি ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই ঘটনায় ২৭ জন মারা যান, আহত হন ৭৩ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র