Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নাইকো দুর্নীতি মামলা

প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চাওয়া রিট নিয়মিত বেঞ্চে

প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চাওয়া রিট নিয়মিত বেঞ্চে
আদালতে খালেদা জিয়া | ফাইল ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তর করা নিয়ে গত ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে করা রিট হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী রোববার থেকে বসবে হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ।

মঙ্গলবার (১১ জুন) অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

এর আগে মামলাটির শুনানি করতে গেলে আদালত বলেন, এ মামলায় দীর্ঘ শুনানির প্রয়োজন। যেহেতু এটা অবকাশ কালীন বেঞ্চ, অনেক মামলা থাকে তাই মামলাটি হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হোক।

এর আগে গত ২১ মে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু তার জবাব না পাওয়ায় গত ২৬ মে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী।

গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানির জন্য পুরাতন ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোড়ের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত (বিশেষ জজ আদালত-৯) স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওই প্রজ্ঞাপন বেআইনি বলে দাবি করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোন বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে উন্মুক্তভাবে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।

এদিকে মঙ্গলবার আদালত স্থানান্তরের ব্যাপারে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মামলার আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নাইকো মামলায় সরকার আদালত স্থানান্তরের আদেশ দিয়েছে ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার। কেরানীগঞ্জ একটি উপজেলা, এটা মেট্রোপলিটন এরিয়ার বাইরে। এজন্য এই ধরনের আদেশ ন্যায়সঙ্গত নয়, সংবিধান পরিপন্থি।

আপনার মতামত লিখুন :

আপাতত বহাল রাজীবের ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের রায়

আপাতত বহাল রাজীবের ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের রায়
রাজীব হোসেন

রাজধানীতে দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারানোর পর মারা যাওয়া তিতুমীর কলেজের স্নাতকোত্তর ছাত্র রাজীবের হোসেনের দুই ভাইকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেননি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ফলে আপাতত হাইকোর্টের রায় বহাল থাকছে।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে স্বজন পরিবহনের করা আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার (১৭ জুলাই)  আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আবেদনটি আগামী ১৩ অক্টোবর নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে স্বজন পরিবহনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শফিকুল ইসলাম বাবুল। আর রাজীবের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘রাজীবের দুই ভাইকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন তা স্থগিত চেয়ে চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করেছে স্বজন পরিবহন। তবে চেম্বার আদালত কোন স্থগিতাদেশ দেননি। ফলে আপাতত হাইকোর্টেও রায়র বহাল রয়েছে।,

ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে জারি করা রুল গত ২০ জুন নিষ্পত্তি করে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রাজীবের দুই ভাই মেহেদী হাসান ও আব্দুল্লাহ হৃদয়কে দুই মাসের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ও স্বজন পরিবহনকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয় রায়ে। যাত্রী নিরাপত্তায় সাতদফা নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার সামনে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের বাসের চাপায় রাজীব হোসেন ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।

রাজীবের বিচ্ছিন্ন হাতের প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে পরদিন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজলের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজীবের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার অন্তবর্তীকালীন আদেশ এবং রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুল নিষ্পত্তি করে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দেয়া হয়।

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: নিহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: নিহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ
সিরাজগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ নিহত ১১ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণও দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।

নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে উচ্চ আদালতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

রেল সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রেলওয়ের মহাপরিচালক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর প্রতি এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

নোটিশে গত ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চাওয়া সহ নতুন করে রেলের লেভেল ক্রসিং নির্মাণ, অবৈধ লেভেল ক্রসিং বন্ধ, রেলের গেটম্যানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রেনের ছাদে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা ট্রেনের সঙ্গে একটি বিয়ের মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১১ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হন।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ৯ যাত্রী নিহত

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র