প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চাওয়া রিট নিয়মিত বেঞ্চে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আদালতে খালেদা জিয়া | ফাইল ছবি

আদালতে খালেদা জিয়া | ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তর করা নিয়ে গত ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে করা রিট হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী রোববার থেকে বসবে হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ।

মঙ্গলবার (১১ জুন) অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

এর আগে মামলাটির শুনানি করতে গেলে আদালত বলেন, এ মামলায় দীর্ঘ শুনানির প্রয়োজন। যেহেতু এটা অবকাশ কালীন বেঞ্চ, অনেক মামলা থাকে তাই মামলাটি হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হোক।

এর আগে গত ২১ মে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু তার জবাব না পাওয়ায় গত ২৬ মে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী।

গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানির জন্য পুরাতন ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোড়ের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত (বিশেষ জজ আদালত-৯) স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওই প্রজ্ঞাপন বেআইনি বলে দাবি করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোন বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে উন্মুক্তভাবে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।

এদিকে মঙ্গলবার আদালত স্থানান্তরের ব্যাপারে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মামলার আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নাইকো মামলায় সরকার আদালত স্থানান্তরের আদেশ দিয়েছে ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার। কেরানীগঞ্জ একটি উপজেলা, এটা মেট্রোপলিটন এরিয়ার বাইরে। এজন্য এই ধরনের আদেশ ন্যায়সঙ্গত নয়, সংবিধান পরিপন্থি।

আপনার মতামত লিখুন :