Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অবৈধ বালু-উত্তোলন বন্ধ করুন, নইলে চাকরি ছাড়ুন, ডিসিদের হাইকোর্ট

অবৈধ বালু-উত্তোলন বন্ধ করুন, নইলে চাকরি ছাড়ুন, ডিসিদের হাইকোর্ট
হাইকোর্ট, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারলে জেলা প্রশাসকেরা (ডিসি) চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়ার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে ডিসিদের।

রাজশাহী তালাইমারী এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের শুনানিতে সোমবার (১৭ জুন) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশারের মাধ্যমে আদালতকে আগামী ২৩ জুনের মধ্যে অবহিত করতে রাজশাহীর ডিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানিয়েছেন তিনি রাজশাহীর ডিসির সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, শিগগিরই সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হবে।

আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি তালাইমারীর পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত রোববার (১৬ জুন) রিট আবেদন করেন। এতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ডিসির নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

রাসেলকে ক্ষতিপুরণের ৫ লাখ টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ

রাসেলকে ক্ষতিপুরণের ৫ লাখ টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ
গ্রিন লাইন বাসের চাপায় পা হারান রাসেল, পুরনো ছবি

বাস চাপায় পা হারানো প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের পাঁচ লাখ টাকার প্রথম কিস্তি ২৮ জুলাইর মধ্যে পরিশোধ করতে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া আগের আইনজীবী নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর নতুন আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। 

রোববার (২১ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন গ্রিন লাইনের পক্ষে শুনানিতে নতুন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক সময় আবেদন করেন। আদালত সময় মঞ্জুর করে এক সপ্তাহ সময় দেন।

এর আগে গত ১৬ জুলাই আইনজীবী মো. অজি উল্লাহ তার নাম প্রত্যাহার করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। 

গত ২৫ জুন রাসেল সরকারকে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে ৫ লাখ টাকা করে পরিশোধ করতে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। টাকার দেওয়ার পর তা প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে জানাতে বলা হয় আদেশে।

গত ১০ এপ্রিল রাসেল সরকারের হাতে ক্ষতিপূরণের ৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেয় গ্রিন লাইন বাস কর্তৃপক্ষ। ওই দিন হাইকোর্ট কক্ষে বিচারকের সামনে গ্রিন লাইনের আইনজীবী মো. অজি উল্লাহ এই চেক রাসেলের হাতে তুলে দেন। সে হিসেবে আরো ৪৫ লাখ টাকা দিতে হবে রাসেলকে।

গত ১৫ মে হাইকোর্ট ৭ দিনের মধ্যে রাসেলকে ক্ষতিপূরণের বাকি ৪৫ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট পা হারানো রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে রাসেলের চিকিৎসার জন্য যা খরচ তা দিতে বলা হয়।

যাত্রাবাড়িতে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চাপায় ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাসেলের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে।  তার পা হারানোর পর গত বছরের ১৪ মে ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণের অন্তবর্তীকালীন আদেশ ও রুল জারি করেন।

 

 

মাউশি'র মহাপরিচালককে হাইকোর্টে তলব

মাউশি'র মহাপরিচালককে হাইকোর্টে তলব
মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুককে তলব করেছেন হাইকোর্ট, ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের একটি কলেজের ১৯ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্তিতে উচ্চ আদালতে আদেশ প্রতিপালন না করায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুককে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী ৩১ জুলাই তাকে হাইকোর্টে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (২১ জুলাই) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া জানান, ঝিনাইদহের সালেহা বেগম ডিগ্রি কলেজের ১৯ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করতে ২০১৭ সালের ১৩ মার্চ রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের করা হলে ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট তা খারিজ করেন আপিল বিভাগ। এরমধ্যে হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন না করায় ১৯ শিক্ষক আদালত অবমাননার মামলা করেন।

এ আবেদনের পর ১৮ ডিসেম্বর আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল তাকে (ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক) এক সপ্তাহ সময় দেন। তারপরও আদেশ বাস্তবায়ন না করায় আদালত তাকে তলব করলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র