Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফেনীর পরশুরামে স্কুলছাত্র হত্যা: ৪ আসামির যাবজ্জীবন

ফেনীর পরশুরামে স্কুলছাত্র হত্যা: ৪ আসামির যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীর পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র শুভ বৈদ্য হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৭ জুন) বিকেলে দীর্ঘ চার বছর পর আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। মামলার চার আসামির সবাইকে যাবজ্জীবন (৩০ বছর) কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ফেনী জেলা দায়রা জজ সাঈদ আহমেদ।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মোস্তফার ছেলে ওমর ফারুক (২২), পূর্ব অলকা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে আবদুর রহিম (১৯), বেলাল উদ্দিন ভূঞার ছেলে নুর আলম ছমির ভূঞা (২০) ও স্বপন ভূঞা (২২)।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হাফেজ আহমদ জানান, ২০১৫ সালের ২৯ জুন পরশুরাম পৌর এলাকার পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের বাড়ি থেকে শুভ বৈদ্যকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়। এরপর অপহরণকারীরা চাঁদা দাবি করে।

দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে দুইদিন পর পূর্ব অলকা গ্রামের রমেশ বৈদ্যের পুকুর পাড়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা সাধন বৈদ্য বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রহমত উল্লাহ খান দীর্ঘ তদন্তের পর চার আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট জমা দেন।

ওই বছরের ৪ জুলাই শনিবার রাতে আটককৃত চারজনের মধ্যে দুইজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে আবদুর রহিম (১৯) ও ওমর ফারুক ভূঞা (২২), সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (পরশুরাম) মো. দেলোয়ার হোসেনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন। এই মামলায় ১৬ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। চার্জশীটভুক্ত ৪ আসামির সবাই কারাগারেও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৯ জুন সন্ধ্যার পর শুভ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে তার বাবা পরশুরাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওইদিন রাতে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে সমিরের নির্দেশনা মোতাবেক বাঁশঝাড় থেকে শুভর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: নিহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: নিহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ
সিরাজগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ নিহত ১১ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণও দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।

নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে উচ্চ আদালতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

রেল সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রেলওয়ের মহাপরিচালক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর প্রতি এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

নোটিশে গত ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চাওয়া সহ নতুন করে রেলের লেভেল ক্রসিং নির্মাণ, অবৈধ লেভেল ক্রসিং বন্ধ, রেলের গেটম্যানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রেনের ছাদে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা ট্রেনের সঙ্গে একটি বিয়ের মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১১ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হন।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ৯ যাত্রী নিহত

মশা নিধনের ওষুধ ক্রয়ে দুর্নীতি, ব্যবস্থার নির্দেশ

মশা নিধনের ওষুধ ক্রয়ে দুর্নীতি, ব্যবস্থার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দুই সিটিতে মশা নিধনে অকার্যকর ওষুধ কেনা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন, আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

শুনানিতে আদালত বলেন, 'মশা মারতে যে ওষুধ কেনা হয়েছে, সে ওষুধে তো কাজ হয় না। ওখানে কি দুর্নীতি হয়েছে? দুর্নীতি হয়ে থাকলে কারা কারা দুর্নীতির জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।'

রাজধানীসহ সারাদেশে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে ২১-২২ জন মানুষ মারা গেছে উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছেন, 'মহামারী হতে বাকি নেই।'

শুনানির একপর্যায়ে সিটি করপোরেশনের আইনজীবী নূরুন নাহার নূপুর আদালতকে বলেন, 'পত্রিকায় ডেঙ্গু নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলো পড়লে খারাপ লাগে। কিন্তু দুর্নীতিবাজদের খারাপ লাগে না। তাদের ছেলেমেয়েরা বাইরে লেখাপড়া করে, সেখানে বাড়িঘর করে।'

আদেশের পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, 'সিটি করপোরেশন মশা নিয়ন্ত্রণে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে সেটা অকার্যকর। তারপরও সে ওষুধগুলো তারা দিচ্ছে। ওষুধ কিনতে ২০/২২ কোটি টাকার খরচ হচ্ছে। এগুলো দুর্নীতির মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে। যারা এ কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে সিটি করপোরশেন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র